ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৫ জুলাই ২০২২ ২১ আষাঢ় ১৪২৯
ই-পেপার মঙ্গলবার ৫ জুলাই ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

যেমন ছিলেন গাফ্ফার ভাই
অরূপ তালুকদার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২, ৬:৫৫ পিএম আপডেট: ২৪.০৫.২০২২ ৭:০২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 100

‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে?’ কবির এই কথাকে সত্য প্রমাণ করেই যেন শেষ পর্যন্ত গত ১৯ মার্চ সকালে অনন্তের পথে চলে গেলেন বাংলা ভাষার কিংবদন্তি লেখক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। আমাদের সাংবাদিকতার জগতে আর একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন হলো। তার সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনে সমাজের নানা স্তরের কত মানুষের সঙ্গে যে তার পরিচয় আর চেনাজানা ছিল, তার কোনো হিসাব নেই। বিশেষ করে, তার পেশার কারণেই সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকদের সঙ্গেই ছিল তার বেশি যোগাযোগ এবং সখ্যতা।

নির্দ্বিধায় বলতে পারি, প্রতিটি বাঙালির জীবনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে যে বায়ান্নর মাতৃভাষা আন্দোলন, সে আন্দোলনেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। যার ফলে আমরা পেয়েছি ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র মতো কালজয়ী গান। ধারণা করা যায়, বাঙালি জাতির জীবন থেকে কোনোদিন এই গানটি হারিয়ে যাবে না এবং আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীকেও তার কলাম এবং এই গানটির রচয়িতা হিসেবে চিরদিন সবার মনে থাকবে।

প্রথম জীবন থেকেই তিনি লেখালেখি আর সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে লন্ডনে গিয়ে ঢাকা এবং কলকাতার সাত-আটটি পত্রপত্রিকায় নিয়মিতভাবে কলাম লিখে গেছেন। আমাদের দেশে তার মতো বছরের পর বছর ধরে নিরলসভাবে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর মানসম্পন্ন কলাম লিখতে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ছাড়া আর কাউকে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে দীর্ঘদিন আমি যেমন দেখেছি তাতে মনে হয়েছে, অনুজপ্রতিম সাংবাদিকদের প্রতি তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীল এবং বন্ধুবৎসল।

যতদূর মনে পড়ে, গাফ্ফার ভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল সম্ভবত স্বাধীনতার বছরখানেক আগে ১৯৭০ সালে সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত ‘দৈনিক পূর্বদেশ’-এ কাজ করার সময়। সেবার ভোলায় ঘটে যাওয়া স্মরণকালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের রিপোর্ট কভার করার জন্য ভোলায় দুই দিন থাকার পর অফিসের নির্দেশে ঢাকায় অফিসে বসে প্রতিদিন রিপোর্ট লিখতে হয়েছিল। সেই সময় প্রায়দিনই দেখা হতো গাফ্ফার ভাইয়ের সঙ্গে। তখন বরিশালের মানুষ বলে তার কাছ থেকে আমি একটু বেশি প্রশ্রয়ই পেতাম। তখনকার বরিশালে তার পরিচিত অনেকের কথা তিনি জানতে চাইতেন। গাফ্ফার ভাই তখন দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করতেন এবং সপ্তাহে এক দিন নিয়মিত তিনি তার সেই বিখ্যাত কলাম লিখতেন ‘তৃতীয় মত’ শিরোনামে।

সেই থেকে শুরু, তারপর বহুবার ঢাকায় এবং বরিশালে মাত্র একবার তার সঙ্গে দেখা দেখা সাক্ষাৎ এবং নানা বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। এমনকি আমার বড় ছেলে ২০০৬ সালের মাঝামাঝি যখন লন্ডনে গ্রিনিচ ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গিয়েছিল তখন গাফ্ফার ভাই এবং বন্ধু আমিনুল হক বাদশার কাছে চিঠি লিখে দিয়েছিলাম ওর প্রতি একটু লক্ষ রাখার জন্য। সেই দায়িত্বটুকু তাদের কাছে দিয়ে আমি মোটামুটি নিশ্চিন্ত ছিলাম। সেই বাদশা তো আগেই চলে গেছে এবার গেলেন গাফ্ফার ভাই। তার কথা মনে হলে এখন একজন শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবক হারাবার মতো কষ্ট আর শূন্যতা অনুভব করি। যেমন কষ্ট পেয়েছিলাম করোনাকালে আনিসুজ্জামান স্যার আর কামাল লোহানীর মতো দুজন শ্রদ্ধেয় মানুষকে হারাবার পরে।
আমরা সবাই জানি, এই নশ্বর পৃথিবীতে কেউ অমর নয়। একদিন না একদিন এই ধুলার ধরণী ছেড়ে সবাইকে চলে যেতে হবে। তবু পৃথিবীতে মায়ার বন্ধন যেন কাটতেই চায় না। আর হয়তো তাই আটাশি বছর বয়সে গাফ্ফার ভাইয়ের চলে যাওয়াও আমরা কেউ যেন মন থেকে মেনে নিতে পারছি না।

এখনকার অনেক নেতৃস্থানীয় সাংবাদিকদের মতো আমারও সাংবাদিক জীবনের আদর্শ ছিলেন গাফ্ফার ভাই। তখন অবাক হয়ে ভাবতাম, প্রতি সপ্তাহে তিনি কেমন করে সমসাময়িক নানা বিষয়ের ওপর কলাম লেখেন? বিষয়টা তখন আমার জন্য বলা যায়, কল্পনাতীত ছিল। কিন্তু এখন আমি বিশ্বাস করি, মানুষের জন্য হয়তো কোনো কাজই অসাধ্য নয় যদি কোনো কাজের প্রতি সে একনিষ্ঠ হয়।

প্রায় ছয় দশক লেখালেখি আর সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকার পরে এখন মনে হচ্ছে বছরের পর বছর বড় ইংরেজি মিডিয়ায় বেশ চাপের মধ্যে কাজ করার মধ্যেও কবিতা গল্প উপন্যাস আর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লেখা একেবারে অসম্ভব কোনো কাজ নয়। যেমন প্রায় নিয়মিত গল্প উপন্যাস ও অন্যান্য লেখা ছাড়াও একসময় বেশ কিছুদিন ‘দক্ষিণের জানালা’ শিরোনামে সাহিত্য বিষয়ক কলাম লিখেছিলাম দৈনিক বাংলার বাণীতে। দুই বছরের বেশি সময় দক্ষিণাঞ্চলের নানা বিষয় নিয়ে কলাম লিখেছিলাম ‘দক্ষিণাঞ্চলের কথা’ শিরোনামে দৈনিক ভোরের কাগজে এবং এখন প্রতি মঙ্গলবার সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে প্রায় তিন বছর ধরে কলাম লিখে যাচ্ছি দৈনিক সময়ের আলোতে। আসলে মানুষের জন্য অসাধ্য কোনো কাজ নেই।

গাফ্ফার ভাই বলতেন, সব ধরনের লেখালেখি নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়ার পেছনে যা কাজ করে, সেটা হলো নিরলস অভ্যাস আর প্রতিদিন আমাদের কাছে দূরে ঘটে যাওয়া সবকিছুর বিষয়ে জানার আগ্রহ। আমার ধারণা, গাফ্ফার ভাইয়ের কথার সঙ্গে আর যে কথাটি যোগ করা দরকার সেটা হলো, প্রখর স্মৃতিশক্তি। তার একেবারে শেষ বয়সেও অসাধারণ প্রখর স্মৃতিশক্তির পরিচয় আমরা পেয়েছি তার নানা ধরনের লেখার মধ্য দিয়ে।
গাফ্ফার ভাইয়ের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের শুরু হয়েছিল ১৯৫০ সালে। এই বছর তিনি বরিশালের আসমত আলী খান ইনস্টিটিউট থেকে মেট্রিক পাস করে একজন সাংবাদিক হিসেবে দৈনিক ইনসাফ পত্রিকায় কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এরপরে ১৯৫৩ সালে ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৫৬ সালে সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায়। এই কাজের মধ্যে থেকেই ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স ডিগ্রি লাভ করেন। এর কিছুদিন পরে সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন দৈনিক আজাদে। ১৯৬৩ সালে সোনার বাংলা নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু সেখানেও তিনি বেশিদিন থাকলেন না। হঠাৎ কী মনে করে সাংবাদিকতা ছেড়ে শুরু করলেন মুদ্রণ ব্যবসা। প্রতিষ্ঠা করলেন ‘অনুপম মুদ্রণ’ নামে একটি ছাপাখানা। কিন্তু যার রক্তে সাহিত্য-সংস্কৃতি আর সাংবাদিকতা মিশে আছে তার জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য সাধারণত সাফল্য বয়ে আনে না। তাই মাত্র দুই বছর বাদেই গাফ্ফার ভাই আবার ফিরে এলেন সাংবাদিকতায়।
১৯৬৬ সালে নিজেই উদ্যোক্তা সম্পাদক হয়ে প্রকাশ করলেন ‘দৈনিক আওয়াজ’, যা প্রকৃতপক্ষে কাজ করছিল ছয় দফা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে। কিন্তু পরের বছরই আবার ফিরে যান দৈনিক আজাদে। তার বছর দুয়েক পরে আবারও ফিরে আসেন দৈনিক ইত্তেফাকে। তবে এখানেও বেশিদিন তিনি থাকেননি। ’৬৯-এ মানিক মিয়ার মৃত্যুর পরে চলে যান অবজারভার গ্রুপের বাংলা প্রকাশনা ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে চাকরি নিয়ে। এই সময় গাফ্ফার ভাইকে দেখেছি, কী প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটাতেন তিনি।

লন্ডন যাওয়ার আগে থেকেই ভাবিকে নিয়ে গাফ্ফার ভাই হাটখোলার অভয় দাস লেনের একটি বাসায় থাকতেন। একবার কী এক জরুরি কাজে সকালের দিকে তার বাসায় গিয়েছিলাম। মনে আছে, তার সেই বাসার কাছেই থাকতেন উর্দু গানের শিল্পী নাজির বেগ। তিনি কাজ করতেন সে সময়ের গুলিস্তান সিনেমার পাশের রাস্তায় ‘গ্লোব ট্রাভেলস’ নামে একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে। পরবর্তীকালে তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক এহতেশামের ‘চকোরি’ ছবিতে শাবানার বিপরীতে নাদিম নামে নায়ক হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন।

১৯৭১ সাল ও মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুদিন পরেই নানা সমস্যা সঙ্কট কাটিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে একসময় পৌঁছে যান কলকাতায়। যুক্ত হন মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র ‘জয় বাংলা’ প্রকাশনার সঙ্গে। পাশাপাশি কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার, দৈনিক যুগান্তরসহ অন্যান্য পত্রপত্রিকায় নিরলসভাবে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সপক্ষে নানা ধরনের লেখা লিখতে থাকেন। সেই সময় শত দুঃখ কষ্টের মধ্যেও সাধারণ মানুষের জন্য তার সেসব লেখা সবার জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছু পরে দৈনিক জনপদ নামে একটি নতুন দৈনিকের সম্পাদক নিযুক্ত হন তিনি। তখন আমি দৈনিক ইত্তেফাকে কাজ করলেও ওই পত্রিকার জন্য প্রয়োজন মাফিক কিছু কাজ করে দিতাম। ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ গাফ্ফার ভাই একবার বরিশালে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিল তার বলা যায়, সর্বক্ষণের সঙ্গী আমিনুল হক বাদশা। তখন ‘দৈনিক পরিবর্তন’ নামে একটি স্থানীয় পত্রিকা কর্তৃপক্ষ অশ্বিনী কুমার হলে তার জন্য নাগরিক সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেছিল। শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হানিফকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের যে কমিটি তখন গঠন করা হয়েছিল তার সদস্য সচিব ছিলেন দৈনিক পত্রিকাটির সম্পাদক সৈয়দ দুলাল।

জনাকীর্ণ সেই নাগরিক সংবর্ধনায় স্মৃতিভারাক্রান্ত কণ্ঠে গাফ্ফার ভাই সেদিন বলেছিলেন, ‘প্রথম জীবনের নানা স্মৃতিতে ভরপুর এই বরিশালে আবার যখন এলাম তার মাঝখানে কেটে গেছে দীর্ঘ সাতচল্লিশটি বছর।’ অনেকেই জানেন, প্রচণ্ড ঠান্ডার ধাত ছিল ভাবির। বছরের পর বছর অসুস্থ থাকতেন। নানারকম চিকিৎসার পরেও যখন তেমন কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছিল না, শেষ পর্যন্ত লন্ডনে যাওয়াই স্থির হয়। তখন অবশ্য স্থায়ীভাবে সেখানে যাওয়ার কথা ভাবা হয়নি। চিকিৎসা শেষে ফিরে আসার কথাই ভাবা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গেল, ঠান্ডা আবহাওয়াতেই ভাবি সুস্থ থাকেন। তাই ’৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করার পরে অসুস্থতা মোটামুটি কমে যাওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত লন্ডনেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন গাফ্ফার ভাই।

এই একই ঘটনা ঘটেছে আমার আপন ছোট বোনের বেলাতেও। সেও সেই ’৮২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা তারও এখন আর তেমনটা নেই। ভাবির অসুস্থতা এবং কিছু ব্যক্তিগত কারণে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করলেও কখনও একেবারে নিশ্চুপ বসে থাকেননি। কিছুটা অবস্থার চাপে পড়ে, সাময়িকভাবে হলেও প্রথাগত সাহিত্য রচনা বাদ দিয়ে, কিছুটা আর্থিক সচ্ছলতার জন্য দিনের পর দিন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কলাম লিখে গেছেন। তার প্রয়াণে চিরদিনের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল তার সেই সচল কলম। তার জীবনের দীর্ঘ ৪৮ বছরই ছিল প্রবাসী জীবন। আগেই বলেছি, গাফ্ফার ভাইয়ের সুদীর্ঘ কর্মজীবনে একসময় তিনি রাজনীতির প্রতিও আকৃষ্ট হয়েছিলেন। এই আকর্ষণ জন্মেছিল সম্ভবত ইত্তেফাকে কাজ করার সময় মানিক মিয়ার সংস্পর্শে থেকে। কিন্তু সেখানেও তিনি স্থির থাকেননি।

পেশাগতভাবে সাংবাদিক হয়েও তিনি গল্প, কবিতা, উপন্যাস লিখেছেন, নাটক লিখেছেন, একসময় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। সর্বোপরি ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের গীতিকার হয়ে বিশ্বজুড়ে বাঙালিদের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন। সারা জীবনব্যাপী সৃজনশীল নানা কর্মকাণ্ডের জন্য এই বহুমাত্রিক প্রতিভাধর মানুষটি অর্জন করেছেন ইউনেস্কো পুরস্কার, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার শেরে বাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদক, একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পুরস্কারসহ আরও নানা পুরস্কার ও সম্মাননা। ভালো থাকুন গাফ্ফার ভাই।

 শব্দসৈনিক ও কথাসাহিত্যিক

আরএস/ 

http://www.shomoyeralo.com/ad/Local-Portal_Send-Money_728-X-90.gif



http://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]