ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৪ আশ্বিন ১৪২৯
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

http://www.shomoyeralo.com/ad/Untitled-1.jpg
‘মামলার সাক্ষী শালিক পাখি’
যা জানালেন হাওয়া সিনেমার পরিচালক
আনন্দ সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২, ২:৪০ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 192

মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তোলে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’। সেই ঝড় এখনও বইছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে সিনেমাতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। 

সিনেমায় একটি শালিক পাখিকে খাঁচায় আটকে রাখা ও এক পর্যায়ে হত্যা করে খাওয়ার দৃশ্য দেখানোর অভিযোগে বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক নারগিস সুলতানা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। 

এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। ‘মামলার সাক্ষী শালিক পাখি’ শিরোনামে লেখা ফেইজবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, পাঁচ বছর আগে আমার ব্যান্ড মেঘদলের জন্য নির্মাণ করেছিলাম ‘এসো আমার শহরে’। সেখানে এই নেক্রপলিস সিটিতে কিছু প্রতীকী বন্যপ্রাণীকে দেখিয়েছিলাম। ওদের  শহরের ভেতর নানা জায়গায় দেখা গিয়েছিলো। কিন্তু এই মৃত নগরে মানুষহীন রাস্তাঘাটে বন্যপ্রাণী কেন ঘুরে বেড়াচ্ছে!! তার উদ্দেশ্যই বা কি? আমি মনে করেছিলাম, এই নগর শুধু মানুষের নয়, অন্য প্রাণীর জন্যও আবাসস্থল হওয়ার কথা ছিলো।

তিনি আরও লেখেন, প্রতিদিন এই শহরে অসংখ্য প্রাণীদের আমরা নিয়ে আসি শুধুমাত্র ভোগের জন্য। হয়তো মানুষের জীবনধারণের জন্য সেটা আমাদের করতেও হয়। কিন্তু মায়া তো নিঃশেষ হবার নয়। এই সর্বপ্রাণের মায়াই ওই মিউজিক ভিডিওতে দেখাতে চেয়েছিলাম। কিছু দিন আগেও “কোথায় পালাবে বলো রূপবান” নামে ওটিটি প্লাটফর্ম চরকির জন্য একটি ছোট ছবি নির্মাণ করি। সেখানে চিড়িয়াখানা থেকে একটি বাঘ পালিয়ে যায়। তাকে কর্তৃপক্ষ খাঁচায় বন্দি করতে চায়। পাশাপাশি এক নারীকেও বন্দি করতে চায় সমাজের কিছু চোখ। সে যাই হোক, আমার পূর্বের এই দুইটি কাজের ভেতর দিয়ে বলতে চাচ্ছি, প্রাণ ও প্রকৃতি নিয়ে আমার গল্প বলা নতুন নয়। বরং এই কাজগুলোতে সর্বপ্রাণের দায় সবসময়ই ছিলো। 

সিনেমাতে দেখানো শালিক পাখিটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে সুমন লিখেছেন, নির্মাতা হিসাবে আমি এটুকুই বলতে চাই, হাওয়া’র পাখিটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে আর এই নির্মাণের জন্য যে সিনেমাটিক রিয়্যালিটি তৈরি করতে হয়েছে সেটা সত্য নয়। ছবির শুরুতে Disclaimer-এ আমরা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছি। পাখিটির দৃশ্য ধারণের পর আমরা তাকে প্রকৃতিতে মুক্ত করে দিয়েছিলাম। আর নৌকায় যে উড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য দেখিয়েছি সেটা কম্পিউটার গ্রাফিক্সের মাধ্যমে নির্মাণ করা। আর চানমাঝি যে তার প্রিয় পাখিটিকে খেয়ে ফেলে সেটা কি শুধু ভোগ!!? নাকি সমাজের ভেতর জমতে থাকা হিংস্রতা? আর আমি শুধু ঐ বোধটাকেই ইঙ্গিত করেছি আর সেটা নির্মাণ করেছি সিনেমার ভাষার ভেতর দিয়ে। 

‘পৃথিবী সর্বপ্রাণের হোক’ লেখা দিয়ে লেখা শেষ করেন তিনি। 

এদিকে এমন পরিস্থিতিতে অনেকের সমর্থনও পাচ্ছেন হাওয়া সিনেমার এই নির্মাতা। এই প্রসঙ্গে গুণী নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ফেইসবুকে লিখেছেন, আমি জানি না ওই আইনটার মধ্যে আছেটা কী। কিন্তু আইন যদি বলেও সুমন দোষী, তাইলে পরিষ্কার কথা, ওই অচল আইন বদলান। এইসব সার্কাস বন্ধ করেন।

/আরএ




http://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com