ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৪ আশ্বিন ১৪২৯
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

http://www.shomoyeralo.com/ad/Untitled-1.jpg
ফেনীতে কমেছে মুরগির ডিমের দাম
ছাগলনাইয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২, ৪:৫৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 89

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়। তবে ভোক্তাদের জন্য সুখবর হলো সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ডিম ও মুরগির দাম। জানা গেছে, এসব এলাকায় দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা। লাল ডিমের দাম কমে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। আর অপরিবর্তিত আছে সবজি, মাছ ও ভোজ্যতেল ও চালের দাম।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকালে ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী,পরশুরামসহ ফেনী জেলার সব কয়টি উপজেলা ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।

দেখা গেছে, বাজারে বেশিরভাগ সবজি গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সিমের কেজি ২৪৫ টাকা, লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা। চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বরবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৫০ টাকা। করলা ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৫৫ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা। এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। 

এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা। শুকনো মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৬০ টাকা।  

ছাগলনাইয়ার জমাদ্দার বাজারে সবজি বিক্রেতা মনজুরুল আলম সময়ের আলোকে বলেন, গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। শুধুমাত্র সিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪৫ টাকায়। সাপ্লাই বাড়ায় সবজির দাম কমেছে। আমরা কম দামে ক্রয় করতে পারলে কম দামে বিক্রি করি এতে আমাদের কোন কাজ সাজি নেই।

এ সব বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৩ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।
  
প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ টাকা আবং প্যাকেট চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি দেশি মসুরের ডাল ১৩০ টাকা এবং ভারতীয় মসুরের ডালের দাম লাগছে ১১০ টাকা। এছাড়া ভজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা।
  
এসব বাজারে হাঁসের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা।
এবং লাল ডিমের দাম কমে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। 

ফুলগাজী বাজারের ডিম বিক্রেতা সুমন আলী সময়ের আলোকে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে খামারিরা ও পাইকাররা ডিমের দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল। যখন সরকার ডিম আমদানির ঘোষণা দিয়েছেন ঠিক ঘোষণার পর থেকে ডিমের দাম কমতে শুরু করেছে। লাল ডিমের ডজনে কমেছে ৩০ টাকা। ডিমের দাম বাড়ার পেছনে কারসাজি ছিল খামারি ও পাইকারদের। এখন দাম কমতে শুরু করেছে।

এ বাজার গুলোতে প্রতি কেজি রুই মাছ ৪২০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি শিং মাছ ৩৫০ থেকে ৪৬০ টাকা এবং কৈ মাছ কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজির একটি ইলিশের দাম পড়ছে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা।
বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৭০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ২১০ টাকা কেজি। কমেছে সোনালি মুরগির দাম। কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির দামও কমেছে। কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়।

পরশুরাম বাজারে মুরগি বিক্রেতা হারুন বলেন, মুরগির উৎপাদন বাড়ায় কমেছে দাম। গত সপ্তাহে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে দাম বেড়েছিল মুরগির। ওই দাম বাড়ার মূল কারণ ছিল পাইকার ও খামারির। গত সপ্তাহের বাড়তি ধানে বিক্রি হচ্ছে চাল। সকল ধরনের মোটা ও চিকন চাল আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।

এইসব বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, চালের দাম বাড়ার পিছনের কারণ হচ্ছে সিন্ডিকেটের কারসাজি। পাইকারি ও সিন্ডিকেটরা পরিবহন খরচের অজুহাত দেখিয়ে চালের দাম বাড়িয়েছে। প্রায় সব ধরনের মোটা ও চিকন চলের দাম বাড়তি। মোটা চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ২৬০ ও চিকন চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা।

এইদিকে বাজার করতে আসা নিম্ন আয়ের মানুষরা বলছেন, বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহের কমেছে ডিম-মুরগি-পেঁয়াজের দাম। কিন্তু বাকি সকল জিনিসের দাম বেশি। চাউলের দাম তো আগেই ছিল বেশি। আমরা এখন কি কিনব বুঝতেছি না। কারন আমাদের আয় তো বাড়ে নেই, এখন আমরা একটা জিনিস ক্রয় করলে আরেকটা জিনিস ক্রয় করতে পারি না। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের মরণ ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। যে যার মত বাড়িয়ে দিচ্ছে দাম। নেই কোন সরকারের তদারকি।

/আরএ




http://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com