ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ৮ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ৮ ডিসেম্বর ২০২২
https://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

মন্দিরের জায়গায় মেয়রের বাণিজ্য মেলা!
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:১৪ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 118

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর শ্রী শ্রী কলিমাতা মন্দিরের জায়গা জোর দখল করে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য মেলার বসানোর অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র খ.ম কামরুজ্জামান মাজেদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন ব্যাহত ও সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ফরিদপুর ইউএনও এবং দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকসহ একাধিক সরকারি দফতরে অভিযোগ দিয়েছে মন্দিরের স্থায়ী সেক্রেটারি শ্রী দিপক কুমার সরকার কাঞ্চন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে মেয়র মাজেদ ও তার আপন চাচাতো ভাই আব্দুল মমিন জোর করে নিজস্ব বাহিনী দিয়ে মন্দিরের অফিস ঘর ও তালা ভেঙে জায়গা দখল করেন এবং সেখানে মাসিক মেলার আয়োজন করে। যা থেকে মেয়র মাজেদ কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করে। এসব টাকা মেয়র আত্মসাৎ করে থাকেন। এবার সেখানে জোর করে মেলা বসানোর সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। এতে সেখানে এবারও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভীতি ও সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে দিপক কুমার সরকার কাঞ্চন বলেন, ‘বারবার বলেও আমরা প্রতিকার পাচ্ছি না। আমি ভীতিকর অবস্থায় মধ্যে আছি। আমরা বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিয়েছি। দ্রুত এই মেলা বন্ধসহ মন্দিরের জায়গা ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।’ অভিযোগের বিষয়ে মেয়র খ.ম কামরুজ্জামান মাজেদ বলেন, ‘দিপক কুমার মন্দিরের জায়গা দখল করে বালির ব্যবসাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করে আসছে। তার স্বেচ্ছাচারিতার কারণে হিন্দু সমাজ আমার কাছে এলে আমি উপজেলা চেয়ারম্যান, মেম্বার, হিন্দু সমাজের নেতাসহ সবার সম্প্রীতি ও সহযোগিতায় মন্দিরের তালা খুলে সব হিন্দু সম্প্রদায় মানুষের জন্য সেখানে পূজামণ্ডপের ব্যবস্থা করেছি।’

মেলার বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘আগে দিপক কুমার সরকার কাঞ্চন নিজেই ওখানে মেলা দিত। মেলায় উত্তোলিত টাকা-পয়সার কোনো হিসাব দিত না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করত। এখন তার ইনকাম বন্ধ হয়ে যাওয়াতে ক্ষিপ্ত হয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন জায়গায় আমার নামে দরখাস্ত দিয়ে বেরাচ্ছে। এখন যে মেলা হচ্ছে তা ওখানকার হিন্দু সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবেই আয়োজন করছে। হয়তো সেখানে সুন্দর পরিবেশের জন্য আমার ভাই একটু সহযোগিতা করছে। কিন্তু তার অভিযোগ বানোয়াট ও মিথ্যা।’

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. খাইরুল হক বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি, নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগটি ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে নির্দেশনা এলেই আমরা পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ এ বিষয়ে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. জেসমিন আরার সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


আরও সংবাদ   বিষয়:  মন্দিরের জায়গা   দখল   পাবনা   




https://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com