ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪ মাঘ ১৪২৯
ই-পেপার শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩
https://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

https://www.shomoyeralo.com/ad/780-90.jpg
ঢাবি ক্যাম্পাসে দুর্ঘটনা ও সামষ্টিক বিকার
সেঁজুতি জাহান
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ৯:৪৫ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 335

মনে হলো যেন দক্ষিণের কোনো সিনেমার দৃশ্য। ভিলেন ইচ্ছা করে মোটরসাইকেলে বসা নায়িকাকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ির চাকার সঙ্গে বাঁধিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। ভিলেনের উদ্দেশ্যই ছিল নায়িকাকে মেরে ফেলা। পরিচালকের উদ্দেশ্য হলো যত বেশি অদ্ভুত ও ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য তৈরি করা যায়। তাহলে দর্শক বাড়বে। সিনেমার কাটতি ভালো হবে। পরিচালক টোটালটাই করেন ব্যবসা আর দর্শকের মনোরঞ্জনের জন্য। এতে কোনো পক্ষেরই কোনো ক্ষতি নেই।

কিন্তু গত ২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে এক্সিডেন্টের যে দৃশ্য ভাইরাল হলো সেই দৃশ্যে ভিলেন ও নায়িকাকে আমরা খুব দ্রুত শনাক্ত করতে পারলাম। আর পরিচালক শনাক্তির ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্নতাত্ত্বিক অলস স্বভাবের কারণে জীবনের সব দায় উপরওয়ালার ওপর ন্যস্ত করে দেওয়ার মতো এই দায়ও তার ওপর দিয়ে রাতে ব্রাজিলের খেলার একটা সম্মিলিত আমোদের বাক্সে ঢুকে সুখের ঢেকুর তুলতে লাগলাম।

আমরা ভুলে গেলাম মৃত রুবিনাও হয়তো ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলেন, বাপহারা একমাত্র সন্তান রুহানের সঙ্গে বসে হয়তো সেদিন রাতে ব্রাজিলের খেলা দেখতেন। সন্তানের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে ব্রাজিলের প্লেয়ার অ্যান্টোনির বল নিয়ে ধেয়ে আসার দৃশ্যও হয়তো উপভোগ করতেন। হায়! আমরা কিছুই মনে করতে পারলাম না। মাত্র সাত-আট ঘণ্টার ব্যবধানে আমরা আবার আমাদের জীবনের আরামদায়ক অবস্থানকে গ্রহণ করলাম। আমাদেরকে কিছুই স্পর্শ করল না।

একদম যে করেনি তা নয়। আমরা রুবিনাকে হত্যাকারী গাড়িচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজহার জাফর শাহসহ গোটা শিক্ষক সমাজকে গালিগালাজ করে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিক স্মার্টনেস প্রচার করতে লেগে গেলাম। কিছু একটা হলেই আমাদের এই গালি দেওয়ার ঐতিহ্যটা অনেকটা আত্মকণ্ডুয়নের মতো আরামদায়ক লাগে।

পরিস্থিতি যাই হোক তার একটা সর্বজনগ্রাহ্য বাস্তবতা আছে। সেই বাস্তবতার বাইরে মাথা খাটানোর সময় ও মগজ আমাদের নেই। কারণ আমাদের ব্যস্ততা মস্তিষ্কের আলস্য ধরে রাখার কাজে। সবকিছু তৈরি চাই আমরা, পাইও। ডিজিটালায়নের এই জমানায় যেকোনো বিপ্লবকেও আমরা রাতারাতি স্ট্যাবলিশ করে ফেলতে চাই। যেন ফুডপান্ডায় অর্ডার করলেই বিপ্লব এবং যেকোনো প্রকার স্ট্যাবলিশমেন্ট সামনে এসে যাবে। ফলে রুবিনা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ নিয়ে আমরা চিংড়ি মাছের মতো কিছুক্ষণ খুব রকমের চিড়িং-বিড়িং করার পরে ইন্তেকাল করলাম এবং সুস্বাদু বিশ্বকাপ ফুটবলের পাতে উঠে গেলাম।

রুবিনাকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, যিনি করেছেন তিনি সেই লেভেলের মানসিক ভারসাম্যহীন নিঃসন্দেহে। কেননা, নিজেকে বা অন্যকে হত্যা করতে হলে ভালো রকমের বিকার থাকতে হয়। কিছুতেই কোনো স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়।

বলা হচ্ছে আজহার জাফর শাহ নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি করার সময় প্রায় ১০ বছর অ্যাকাডেমিক সব কার্যক্রম থেকে দূরে থেকেছেন। ফলে ২০১৫ সালে তার চাকরি চলে যায়। কেউ কেউ বলছেন তিনি নাকি ছাত্রজীবন থেকেই কিঞ্চিৎ ভারসাম্যহীন। আমি সন্দেহ রেখে কথা বলছি কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ে বা রাষ্ট্রীয় জীবনে কে কতটুকু মানসিকভাবে সুস্থ তার কোনো হিসাব কোথাও নেই। দেশে করোনা বা ডেঙ্গু আক্রান্তের কাছাকাছি একটি হিসাব আমরা স্বাস্থ্য অধিদফতরে গেলেই পাব। কিন্তু মানসিক রোগাক্রান্তের হিসাব কেবল রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে জীর্ণ দেহ আর নোংরা পোশাকের নারী-পুরুষকে নিজ দায়িত্বে কাউন্ট করে পেতে পারব।

এই যে রুবিনার মৃত্যুর চেয়ে ভাইরাল হওয়া মৃত্যুর দৃশ্য যে আমাদেরকে অল্প কিছুক্ষণের জন্য আবিষ্ট করে রাখল এবং আমরা প্রতিবাদ জানালাম তুলনামূলক আরামদায়ক টপিককে সামনে রেখে; আবার তা মধ্যরাতে ভুলেও গেলাম- আমাদের এই মনস্তত্ত্বকে কি কিছুতেই সুস্থতা বলে?

আমাদের কালেক্টিভ কনশাসনেসের মধ্যে ঢুকে গেছে ভয়াবহ অসুস্থতার ভূত। এই অসুস্থতা আমাদের জাতীয় জীবনকে অস্থির করে তুলছে প্রতিনিয়ত।

রুবিনা হত্যাকাণ্ডকে সামনে আনার আগে আমার তিনটি পয়েন্ট একটু সামনে আনতে চাই।
১. স্টুডেন্ট লাইফ থেকে যিনি ‘কিঞ্চিৎ ভারসাম্যহীন’ তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেয় কী করে?

২. সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন একজন মানুষ যদি মানসিকভাবে অসুস্থ হন তাহলে রাষ্ট্র বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কেন তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়নি?

৩. একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স কে দিল?

এসব পয়েন্টের বাইরে যদি বলি আমাদের জাতিগত নির্জ্ঞানের মধ্যেই এখন এক একজন আজহার জাফর শাহ ঢুকে পড়েছে, তাহলে কেমন হয়? 

আমরা প্রায় প্রত্যেকটি মানুষই এখন আজহার সাহেবের মতো কোনো না কোনো দিক থেকে হতাশ। হতাশ কারণ মধ্যবিত্তের শিক্ষা এবং যাপিত বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিলতাল নেই। 

রবীন্দ্রনাথের ‘একরাত্রি’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রটি যেমন নীলরতনের মতো নাজির কিংবা আধুনিক ইতালির স্রষ্টা ম্যাটসিনি গ্যারিবলডির মতো মহান বিপ্লবী নেতা হতে চেয়ে শেষ বেলা হয়ে ওঠে একজন স্কুলমাস্টার।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হলুদ পোড়া’ গল্পের ধীরেন যেমন ফিজিক্সে অনার্স নিয়ে বিএসসি পাস করে গাঁয়ের স্কুলে জিওগ্রাফি পড়ায়। স্কুলমাস্টার কিংবা ধীরেনের এক জিনিস হতে চেয়ে না হতে প্যারাজনিত হতাশাটুকু কোথায় যায় আসলে? গেলে নিশ্চয়ই এসব গল্পের জন্ম হতো না।

আমাদের এখনকার গল্পগুলো স্কুলমাস্টার বা ধীরেনদের থেকে খুব বদলেছে কি? 

বদলালে কি আমরা মানুষের অস্বাভাবিক মৃত্যুর দায় ভুলে গিয়ে তুলনামূলক কম দায়িত্ব নেওয়া বা একেবারেই না নেওয়ার জোয়ারে গা ভাসাতে পারতাম? 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর যত শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, তাদের কতজন জনপ্রশাসন সম্পর্কিত বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স করে? একজন শিক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে পড়ে যদি ইকোনমিক ক্যাডারের চাকরির জন্য চিন্তা করতে হয়, তাহলে রুবিনার মৃত্যুর প্রতিবাদ হিসেবে বড়জোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজহার জাফরকে একটু গালি দিয়ে মধ্যরাতের ব্রাজিল-ক্যামেরুন ম্যাচ উপভোগ করাই তো উচিত। এমনিতেই হতাশার শেষ নেই, তার ওপর আবার অন্যের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং এ সংশ্লিষ্ট অপরাপর বিষয় নিয়ে ভাবতে গেলে হতাশার পাল্লা বরং ভারী হয়েই চলবে। 

১৯৩০ দশকে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইংল্যান্ড অংশ নিচ্ছে, শত শত সৈনিক প্রাণ হারাচ্ছে, তখন ভারতে কর্মরত রাজপুরুষেরা প্রোটোকল-শাসিত নৈশভোজনে ব্যাপকভাবে আত্মপ্রসন্ন হচ্ছে। এমন বিকারে বিরক্ত হয়ে একজন আইসিএস অফিসার মাইকেল ক্যারিট তার ‘আ মোল ইন দ্য ক্রাউন’ বইতে বলছেন, ‘আই ডু নট রিমেমবার অ্যাট এনি অফ দিজ ডিনার পার্টিজ অর আদার সোশ্যাল গ্যাদারিংস অ্যানি ডিসকাশন, অর ইভেন মেনশন, অব দ্য ইকোনমিক ক্রাইসিস অব দ্য থার্টিজ, নর দ্য ট্র্যাজিক সিভিল ওয়ার ইন স্পেন, নর অব দ্য রাইজ অব ফ্যাসিজম ইন ইউরোপ।’

মাইকেল ক্যারিট একজন ব্রিটিশ হয়েও নিজের জাতির এমন অদ্ভুত মনস্তত্ত্বের সমালোচনা করতে পেরেছিলেন বলেই নিজেদেরকে সভ্যতার নাপিত দাবি করা ব্রিটিশদের বিকার সম্পর্কেও আমরা জানতে পারি। কে জানে আমাদের মনোগঠনে অন্য অনেক কিছুর মতো ব্রিটিশদের ফেলে যাওয়া এই সব বিকার আমরা অজ্ঞাতে ও সযত্নে বহন করে নিয়ে বেড়াচ্ছি কি না! 

কেননা আমাদের অনুকরণবৃত্তি তো আর আজকের কোনো বিষয় নয়। সভ্যতার ছিটা দেওয়া পশ্চিমকে হুবহু অনুকরণ করা প্রসঙ্গে ঈশ্বরচন্দ্র, বঙ্কিম, মধুসূদন কিংবা রবীন্দ্রনাথ তো কম লিখে যাননি। যদিও তারা প্রত্যেকেই বেশ ভালো রকম পশ্চিমের প্রভাবপুষ্ট ছিলেন। মাইকেল মধুসূদন তো অতি আবেগে বাংলা ছেড়েছিলেন।

বঙ্কিমের ‘বাঙ্গালা লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ পড়তে বসলে হোরেসের ‘আর্স পোয়েটিকা’র কথা কার না মনে ভাসবে?
রবীন্দ্রনাথের বেড়ে ওঠা, গড়ে ওঠায় ছিল ভিক্টোরিয়ান শিল্প-সাহিত্যের গুরুতর প্রভাব। কবির অনেক গান, আইডিয়া কিংবা বাচনিক রীতিতে আমরা অনায়াসেই পশ্চিমের চিহ্ন পাই। নজরুলের মধ্যেও ছিল পাশ্চাত্য ও পারস্য সাহিত্যের প্রভাব। কিন্তু অনুকরণেই যদি তারা আটকে থাকতেন তাহলে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর’, ‘গল্পগুচ্ছ’, ‘বিদ্রোহী’র মতো এমন চিহ্ন অঙ্কন কি কারও পক্ষে সম্ভব হতো? এরা প্রত্যেকেই যার যার নিজের অবস্থানকে প্রতিনিয়তই অতিক্রম করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কিন্তু আমাদের অনুকরণবৃত্তি অতুলনীয়। রবীন্দ্রনাথ আমাদের আন্দোলনের গতিধারা সম্পর্কে নিখুঁত বর্ণনা দিয়েছেন তার ‘ছাত্রদের প্রতি সম্ভাষণ’-এ।

লেখক বলছেন, ‘আমাদের আধুনিক আন্দোলনগুলোকে আমরা বিলাতি রাষ্ট্রনৈতিক ক্রিয়াকলাপের অনুরূপ মনে করিয়া উৎসাহবোধ করিতেছি।’

যেহেতু এই বিশ্বকাপ মৌসুমে ঢাবির মুহসীন হলের মাঠ বিশ্বমিডিয়ার চোখে পড়েছে সেহেতু সেখানে যাওয়াতেই জীবনের সার্থকতা। রুবিনার খবরটিও যদি বিশ্বমিডিয়ার চোখে পড়ে তাহলে সে ব্যাপারে আমাদের যথাযথ তৎপরতার কমতি থাকবে না।

গত ২ ডিসেম্বর জাফর শাহ যখন গাড়ির নিচে রুবিনা আক্তার আটকে থাকা অবস্থায় গাড়িটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, সে সময় তাকে ধাওয়া করেছিলেন ঢাবি ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকার লোকজন। নীলক্ষেত মোড়ে ধরা পড়েছিলেন জাফর শাহ। তখন রুবিনা আক্তারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনলে কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার দিবাগত রাতে রুবিনার ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ও ১০৫ ধারায় মামলা করেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ধারা অনুযায়ী, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে গুরুতর জখম করলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড। আর সড়ক পরিবহন আইনের ১০৫ ধারা বলছে, বেপরোয়া গতি নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম অথবা প্রাণহানি হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর।

দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা বলছে, কোনো ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কাজ করে মৃত্যু ঘটায় বা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে তিনি জানেন, তিনি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দায়ে দোষী হবেন। আর দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার শাস্তি বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি খুনের অপরাধ প্রমাণিত হয়, সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবেন অপরাধী। 

এখন কথা হচ্ছে, আমাদের দেশের আইনের কাজ হলো হত্যাকারীর জন্য শাস্তির বিধান করা এবং তা নিশ্চিত করা। কিন্তু যে হত্যাকারী নিজেই মানসিকভাবে অসুস্থ তার সুস্থতা নিশ্চিত করার কোনো বিধান কি আমাদের আইনে আছে?

ধরুন, আজহার সাহেবের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত হলো। মৃতের আত্মা শান্তি পেল কি পেল না সেটা জানা সম্ভব না হলেও পরিবার ও আমাদের মতো কিছু আমজনতার আত্মার শান্তি হলো। কিন্তু সে শান্তিতে কি রুবিনার সন্তান রুহানের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা নিশ্চিত হবে? আমাদের দেশের রুহানেরা কী দেখে দেখে বড় হয়? 

একজন আজহার জাফর শাহকে খুব সহজেই মৃত্যুদণ্ড দিয়ে কর্তব্যকাজ হাসিল করা সম্ভব। কিন্তু লাখ লাখ রুহানের বেড়ে ওঠায় কতটা মনোযোগ থাকে রাষ্ট্রের আইনের? 

লেখক: কবি, লেখক ও শিক্ষক

https://www.shomoyeralo.com/ad/Local-Portal_728-X-90 (3).gif



https://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com