ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪ মাঘ ১৪২৯
ই-পেপার শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩
https://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

https://www.shomoyeralo.com/ad/780-90.jpg
অসহায় ব্রাজিল, অস্বস্তিতে ইউক্রেন ও অমানবিক ইসরাইল
ফারহানা করিম চৌধুরী
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৩, ৬:১৭ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 53

এ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বিশ্বে আলোচিত ঘটনাগুলোতে ব্রাজিল, নিউজিল্যান্ড, ইসরাইল ও ইউক্রেন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্প্রতি ব্রাজিলে শিশুমৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ ও জরুরি অবস্থা জারি নিয়ে শঙ্কিত হয়ে আছে বিশ্ববাসী। 

ব্রাজিলের ইয়ানোমামি অঞ্চলে পুষ্টিহীনতা এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে অনেক শিশু। এমন পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে স্বাস্থ্যবিষয়ক জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির সরকারপ্রধান। বিশ্ব গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইয়ানোমামিতে মূলত অবৈধ সোনা খনির কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। দেশটির আদিবাসী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বেশি মানুষ ইয়ানোমামি অঞ্চলে বাস করেন। 

গত শুক্রবার জরুরি অবস্থা জারি করে একটি ডিক্রি জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, সাবেক উগ্র-ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জিয়ার বলসোনারোর আমলে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া ইয়ানোমামির স্বাস্থ্যব্যবস্থা ফের সচল করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট সিলভা প্রশাসন।

জিয়ার বলসোনারো প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ইয়ানোমামিতে ৫৭০ শিশু নিরাময়যোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। তাদের মৃত্যুর মূল কারণ পুষ্টিহীনতা। এ ছাড়া ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়া এবং সোনার খনিতে ব্যবহৃত ত্রুটিপূর্ণ পারদের প্রভাবে এসব শিশু মারা গেছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন অ্যামাজন জার্নালিজম প্লাটফর্ম সুমাউমা। এদিকে বয়স্ক মানুষ, নারী ও শিশুদের শরীরের হাড়গোড় দেখা যাচ্ছে এমন কয়েকটি ছবি প্রকাশ হওয়ার পর শনিবার ইয়ানোমামির রোরামিয়া রাজ্যের একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শনে যান প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। দেশটির সরকার ঘোষণা দিয়েছে সংরক্ষিত ওই অঞ্চলে ইয়ানোমামির ২৬ হাজার মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা পাঠানো হবে।

অঞ্চলটিতে অবৈধভাবে সোনা উত্তোলন করে একটি অসাধু চক্র। তবে ২০১৮ সালে জিয়ার বলসোনারো ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ উত্তোলন কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া এখানে সংঘটিত অপরাধও বেড়ে যায়। 

এবার আসি নিউজিল্যান্ডের প্রসঙ্গে। আগামী বুধবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন লেবার পার্টির নেতা ক্রিস হপকিন্স। তার আগে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন ঘৃণ্য অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি মুখ বুজে সহ্য করে গেছেন। তিনি এই অপব্যবহারকারীদের ছাড় দেবেন না। নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হপকিন্স বিদায়ী আরডার্নের পরিবারকে ঘৃণ্য অপব্যবহার থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, আরডার্ন অফিসে 
থাকাকালীন ওই অপব্যবহারের শিকার হয়েছিলেন। 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার জাসিন্ডা আরডার্ন ঘোষণা দেন, জ্বালানি সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়ালেন। খবরে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরডার্নের বিরুদ্ধে হুমকি প্রকট আকার ধারণ করে। একটি ইউটিউব ভিডিওতে বিশ্বাসঘাতকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী আরডার্নকে গুলি করার হুমকিও দেওয়া হয়। অবশ্য হুমকিদাতার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ক্রিস হিপকিন্সকে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপিরা সর্বসম্মতভাবে ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, কিউইদের একটি ছোট গ্রুপ আরডার্নের অপব্যবহারের পেছনে জড়িত। তারা একটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না। এই গ্রুপটি মূলত নারীবিদ্বেষী। হপকিন্স বলেন, আরডার্ন বুঝতে পেরেছিলেন নিজেকে নেতা হিসেবে এগিয়ে নেওয়া তার জন্য আর সহজ হবে না। কারণ তিনি তার সন্তানদের জন্য একটি সহজ ও স্বাভাবিক জীবন চেয়েছেন।

গত জুন মাসে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, আরডার্নের বিরুদ্ধে হুমকির মাত্রা তিন বছরে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে অন্তত আটটি হুমকির আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই ইউটিউবারকেও আইনের আওতায় আনা হয়। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে আরডার্নকে হত্যার হুমকি দিয়ে লেখা পোস্টার ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কারা এর পেছনে জড়িত তা তদন্ত করতে হয়েছিল পুলিশকে। আরডার্ন পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে হপকিন্স বলেন, আরডার্ন তার একজন ভালো বন্ধু।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বরখাস্ত করে বিশ্বের সংবাদপত্র মাধ্যমগুলোতে আবার শিরোনাম হয়েছেন। স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আরিয়েহ ডেরিকে বরখাস্ত করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু। দেশটির আদালতের এক আদেশের পর রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরিয়েহ ডেরিকে সরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা আসে। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট জানান, আরিয়েহ ডেরি আর মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। কারণ তিনি ট্যাক্স ইস্যুতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেন, ভারাক্রান্ত হৃদয়ের সঙ্গে, অত্যন্ত দুঃখ ও কঠিন অনুভূতি নিয়ে আমি আপনাকে সরকারের একজন মন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে অবশ্যই তার নতুন মন্ত্রিসভার একজন প্রধান মিত্রকে বরখাস্ত করতে হবে বলে গত বুধবার সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন। রায়ে বলা হয়, আলট্রা-অর্থোডক্স শাস পার্টির প্রভাবশালী প্রধান আরিয়েহ ডেরি নেতানিয়াহুর আগের সরকারগুলোতে বেশ কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু গত বছর ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য, অতি-অর্থোডক্স ইহুদি দল শাসের নেতা ডেরিকে 
গত মাসে ইসরাইলের নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

ইউক্রেন যুদ্ধের আপডেট প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমের আলোচিত বিষয়। রুশ আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউক্রেনে লেপার্ড ট্যাঙ্ক পাঠাতে পোল্যান্ডকে জার্মানি বাধা দেবে না বলে জানিয়েছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক। রোববার ফরাসি টেলিভিশন এলসিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজ দেশের এমন অবস্থানের কথা জানান আনালেনা বেয়ারবক। 

এলসিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আনালেনা বেয়ারবক বলেন, যদি জানতে চাওয়া হয় পোল্যান্ড ট্যাঙ্ক পাঠাবে কি না, তাহলে বার্লিন এ ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। এ পর্যায়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী বলেন, মানে দাঁড়াচ্ছে পোল্যান্ডকে ইউক্রেনে ব্যাটল ট্যাঙ্ক পাঠানো থেকে নিবৃত্ত করবে না জার্মানি। উত্তরে আনালেনা বেয়ারবক বলেন, আপনি আমার কথা যথার্থভাবে ধরতে পেরেছেন।

জার্মানির আইন অনুযায়ী, যুদ্ধের উদ্দেশ্যে উৎপাদিত অস্ত্রগুলো শুধু ফেডারেল সরকারের অনুমোদন নিয়ে তৈরি, পরিবহন ও বাজারজাত করা যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় জার্মানির অত্যাধুনিক লেপার্ড-২ ট্যাঙ্ক।

ফলে দেশটির তৈরি লেপার্ড ব্যাটল ট্যাঙ্ক অন্য কোনো দেশের হাতে থাকলেও সেটি নতুন করে ইউক্রেন বা ভিন্ন কোনো দেশে পাঠাতে হলে বার্লিনের অনুমতির প্রয়োজন হবে। জার্মান আইনে এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার দেশটির চ্যান্সেলরকে দেওয়া হয়েছে। এর আগে রুশ সেনাদের প্রতিহত করতে জার্মানির কাছে এ ট্যাঙ্ক চায় ইউক্রেন। যদিও বার্লিন এখন পর্যন্ত ভারী ট্যাঙ্ক দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে এখন নিজেদের এ সিদ্ধান্ত বদলের ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটি।

জার্মানির এ ট্যাঙ্ক রয়েছে পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ডসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের কাছে। তাদের কাছেও এটি চেয়েছে কিয়েভ। তবে জার্মানির অনুমতি ছাড়া এসব ট্যাঙ্ক তৃতীয় কোনো দেশকে দিতে পারবে না তারা। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি এ ট্যাঙ্কগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আমরা এটি নিয়ে মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, মানুষের জীবন রক্ষা পাচ্ছে এবং ইউক্রেনের অঞ্চলগুলো পূর্ণ স্বাধীন হচ্ছে।

তুরস্ক আলোচনায় আছে তাদের নির্বাচন নিয়ে। তুরস্কের নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগে অর্থাৎ ১৪ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। দুই দশক ক্ষমতায় থাকার পর এবার তার নেতৃত্বের কঠিন পরীক্ষা হবে বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকরা। ২২ জানুয়ারি, রোববার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, এরদোগান শনিবার রাতে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বুরসার তরুণ ভোটারদের সঙ্গে বৈঠকের সময় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। 

তুর্কি প্রেসিডেন্ট তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞ যে ১৪ মে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তোমাদের মতো প্রথমবার ভোটদানকারী তরুণদের পাশে থাকতে পারব।’ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এবং সংসদীয় নির্বাচন ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে ভোটের সময় এগিয়ে আনা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। সবশেষে নৃশংস একটি ঘটনা নিয়ে সমালোচিত হয়ে উঠেছে ইসরাইল। ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরের কালকিলিয়া শহরের পূর্বে জিট গ্রামের কাছে ফিলিস্তিনিদের একটি জলপাই বাগান থেকে ৩৫০টি গাছ কেটে ফেলেছে। ২২ জানুয়ারি, রোববার নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে। কেদুমিম বসতি থেকে একদল লোক এসে ফিলিস্তিনিদের জমিতে লাগানো শত শত গাছ কেটে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন একজন ফিলিস্তিনি কৃষক। এসব গাছের বেশিরভাগেরই বয়স ১৩ বছরের বেশি ছিল। 

ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফাকে স্থানীয় বাসিন্দা আহমেদ ফারুক সেদ্দা বলেছেন, বসতি স্থাপনকারীরা রোববার ভোরে জলপাই বাগানে ঢুকে পড়ে। থামানোর আগেই গাছগুলো ধ্বংস করতে শুরু করে তারা।

জানা গেছে, জলপাই গাছ কাটার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের জমি থেকে উৎখাত করার এই প্রচেষ্টা ইসরাইলিদের পুরোনো একটি কৌশল। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের ফসল নষ্ট করে দেওয়া হয়, যাতে তাদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। ফিলিস্তিনি কৃষক মোহাম্মদ আল খাতিব দ্য নিউ আরবকে বলেছেন, ‘যতবার জলপাই তোলার মৌসুম আসে, বসতি স্থাপনকারীরা আমাদের খামার এবং জমির ক্ষতি করার চেষ্টা করে।’

পশ্চিম তীরে ১ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য জলপাই খাতের ওপর নির্ভর করেন। পশ্চিম তীর এবং গাজার কৃষিজমির প্রায় অর্ধেক জলপাই চাষে ব্যবহৃত হয়, যা ফিলিস্তিনের রফতানি আয়ের একটি প্রধান অংশ। 

এদিকে ২০১২ সালে জেরুজালেমের অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৬৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন ৮ লাখ জলপাই গাছ কেটে ফেলেছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা।

লেখক: সাংবাদিক  

https://www.shomoyeralo.com/ad/Local-Portal_728-X-90 (3).gif



https://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com