ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪ মাঘ ১৪২৯
ই-পেপার শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩
https://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

https://www.shomoyeralo.com/ad/780-90.jpg
আসাদগেটে পুলিশ বক্স উচ্ছেদে গেলে হট্টগোল, হুমকি ধমকি পুলিশের
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৩, ৩:৩০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 133

এক দিন আগে মোহাম্মদপুর থেকে অফিসে ফেরার পথে রাজধানীর আসাদগেটে সড়ক বিভাজনের ওপর সরু একটি পাকা ঘর তৈরি করতে দেখেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কর্মকর্তারা। তাৎক্ষণিকভাবে দাঁড়িয়ে খোঁজখবর নিলেও ঘরটি কে বা কারা করছে তা কেউ স্বীকার করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে ডিএনসিসি কর্মকর্তাদের। এ কারণে মঙ্গলবার সকালে ডাম্প ট্রাক ও পে-লোডারসহ সেই স্থাপনা উচ্ছেদে যান ডিএনসিসির উপ-প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়াসহ একদল উচ্ছেদকর্মী। আর তাতেই শুরু হয় হট্টগোল। উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বাধার মুখে পড়েন ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা ডিএনসিসির কর্মকর্তাদের গ্রেফতারের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া উচ্ছেদে ব্যবহৃত ডাম্প ট্রাক ও পে-লোডার পুলিশের ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানোর কথা বলেও ধমক দেওয়া হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে উচ্ছেদ না করেই ফিরে যান ডিএনসিসির কর্মকর্তারা।

তবে এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার শাহেদ আল মাসুদ সময়ের আলোকে বলেন, একটা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে, সত্য। তবে এটা কোনো পক্ষ থেকেই হওয়া উচিত হয়নি।

গ্রেফতারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে ডিসি শাহেদ বলেন, ট্রাফিক পুলিশের তো সড়কের শৃঙ্খলা দেখভালের জন্য আলাদা কোনো অফিস বা ঘর নেই। অনেক স্থানেই কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়। আসাদগেটে যে কক্ষ আছে সেটি অনেক আগেরই, নতুন করে কিছু তৈরি করা হয়নি। যেহেতু সেটা পুলিশ ব্যবহার করছে সেখানে অস্ত্র-সরঞ্জাম বা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। সেখানে হঠাৎ কেউ চাইলেই কি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারে? একটা নিয়ম তো অন্তত মেনে সেটা করতে হবে। যারা উচ্ছেদে এসেছিলেন তারা সেই নিয়ম অনুসরণ না করেই সকালে এসে কাউকে না জানিয়ে উচ্ছেদের চেষ্টা করায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দেন। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতনরা বসে সমাধান করব।

উচ্ছেদে যাওয়া ডিএনসিসির উপ-প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়া সময়ের আলোকে বলেন, গত সোমবার আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাকাব্বীর আহমেদসহ তারা কয়েকজন কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থেকে একটি সভা শেষে ফিরছিলেন। আসাদগেটে এসে তারা দেখতে পান সড়ক বিভাজকের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশের বসার জন্য এক কক্ষের পাকা ঘর তৈরির কাজ চলছে। বিষয়টি দেখে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নেমে পুলিশ সদস্যদের বলেন, এটি নির্মাণের আগে কেন তারা অনুমতি নেননি। এ সময় একজন পুলিশ সদস্য কথা বলতে চাইলে বাকি দুজন এটা কে বা কারা করছে বলে তাকে কথা বলতে বারণ করেন। এরপর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় মঙ্গলবার সকাল ৬টার পরপরই আমরা কয়েকজন নির্মাণাধীন একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স উচ্ছেদ করতে যাই। কিন্তু সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা আমাদের বাধা দেন। পরে ঊর্ধ্বতন আরও কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এসে আমাদের অকথ্যভাবে বকা দিতে থাকেন। ভোরবেলা চুরি করতে এসেছি বলে গ্রেফতার, মারপিট করাসহ নানা হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উচ্ছেদ না করেই ফিরে আসি। পুলিশ কর্মকর্তারাও যে ভাষায় কথা বলেছেন তা অগ্রহণযোগ্য।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাকাব্বীর আহমেদ সময়ের আলোকে বলেন, আসাদগেটে এমনভাবে এবং এমন স্থানে পুলিশ বক্সটি তৈরি করা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। মঙ্গলবার সকালে সেটি উচ্ছেদে গেলে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা হয়। যদিও সেখানে আমি উপস্থিত ছিলাম না। তবে যা শুনেছি, পুলিশের সেটা ঠিক হয়নি। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি।

https://www.shomoyeralo.com/ad/Local-Portal_728-X-90 (3).gif



https://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com