ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করলেন অমিত শাহ
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ৭:২১ পিএম  (ভিজিট : ৩৫৮)
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেই ইস্যু নিয়েই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে রাজ্যটির শাসক দলকে নিশানা করলেন অমিত শাহ। 

বুধবার (২৯ নভেম্বর) কলকাতার ধর্মতলা বিজেপির সমাবেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূল পরিচালিত সরকারকে দায়ী করেন তিনি। 

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশ ইস্যু পশ্চিমবঙ্গে চরম সীমায় পৌঁছে গেছে। তাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন’ (সিএএ) চালু করতে দিচ্ছে না। কিন্তু এই আইনকে দেশে কার্যকর করেই ছাড়বো। এটাকে কেউ ঠেকাতে পারবেনা।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী রাজ্য আসামের মানুষ বিজেপি সরকারকে ক্ষমতায় আনার পর সেখান থেকে অনুপ্রবেশ কমে গেছে, এমনকি একটা পাখি পর্যন্ত ঢুকতে পারে না। অথচ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড দরকার হলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন। রাজ্যের পুলিশ একেবারে চুপ। আপনারাই আমাদের বলুন যে রাজ্যে এত অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে সেখানে কখনো উন্নয়ন হতে পারে? আর এই কারণেই মমতা ব্যানার্জি সিএএ এর বিরোধিতা করছে। তিনি এটা চালু করতে দিচ্ছেন না। কিন্তু আমি এই সভা থেকে পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই মমতা দিদি সিএএ দেশের একটা আইন। এটাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। আর আমরা এই আইনকে কার্যকর করেই ছাড়বো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ওপার থেকে (বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান) থেকে এসেছে তাদের সকলেরই এই দেশের উপর অধিকার আছে ঠিক যতটা অধিকার আমার আপনার রয়েছে। সেইসব মানুষদের তাদের অধিকার থেকে কেউ বঞ্চিত করতে পারবে না।

এদিনের সভায় থেকে রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, তোষণের রাজনীতি সহ একাধিক ইস্যুতেও তৃণমূলকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মা-মাটি-মানুষের সরকারের স্লোগান দিয়ে পরিবর্তনের কথা বলে এরাজ্যে তৃণমূল সরকার এসেছিল। কিন্তু বাংলায় কি পরিবর্তন হয়েছে? মোদিজি কয়েক কোটি রুপি বাংলার উন্নয়নের জন্য পাঠায় কিন্তু তৃণমূল সরকার বাংলার গরীব মানুষদের কাছে সেই রুপি পৌঁছে দেয় না। গোটা দেশে নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতার ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয় এই বাংলাতে। যে বাংলা একসময় সাহিত্য, সংস্কৃতি, কলা, স্বাধীনতা আন্দোলন, উদ্যোগপতি তৈরি সব ক্ষেত্রেই গোটা দেশকে নেতৃত্ব দিত, সেই বাংলা এখন সবচেয়ে পিছে গেছে। দিদির সরকারই এই বাংলাকে বরবাদ করে দিয়েছে।

সভা থেকে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে ফের একবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করার আহ্বান রাখেন তিনি। পাশাপাশি আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজেপিকে জয়ী করে রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠনের ডাক দিয়েছেন অমিত শাহ। তার অভিমত ‘সিপিএম, কংগ্রেস বা তৃণমূল কেউই পারবেনা। মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকারই একমাত্র বাংলাকে আগে নিয়ে যেতে পারে এবং সোনার বাংলা গড়তে পারে।’

প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারই গোটা দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদী নির্মূল করেছে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে, নতুন সংসদ বানিয়েছে, ভারতের তিরঙ্গা কে চাঁদে পাঠানো হয়েছে, ভারতের অর্থনীতিকে পঞ্চম স্থানে নিয়ে এসেছে।

সময়ের আলো/জেডআই




https://www.shomoyeralo.com/ad/1698385080Google-News-Update.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫ | ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com
close