ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নিজেদের বোমায় ৩ ইসরাইলি জিম্মির প্রাণহানি: হামাস
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩, ১:২৬ এএম  (ভিজিট : ৩১৬)
গাজায় ইসরাইলের বোমা হামলায় তিন ইসরাইলি বন্দি নিহত হয়েছে; দাবি করেছে হামাস। বুধবার ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের ওই সশস্ত্র সংগঠনের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড এক টেলিগ্রাম পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ। 

হামাসের টেলিগ্রাম পোস্টে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরাইলের বোমা হামলায় তিন ইসরাইলি বন্দি নিহত হয়েছে। তারা তিনজনই একই পরিবারের সদস্য। সবচেয়ে ছোট বন্দির নাম কাফির বিবাস। বয়স ১০-এর মতো হবে। এ ছাড়া তার চার বছর বয়সি ভাই এবং তাদের মাও নিহত হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা হামাসের এই বিবৃতি নিরীক্ষণ করছে।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে কঠোর পরিশ্রম করছে হামাস। বুধবার (কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য গাজি হামাদ। তিনি বলেন, হামাস মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে পারস্পরিক সমঝোতা ও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা যাচ্ছে।
কিন্তু পরিস্থিতি সহজ নয়। সময়ও খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তবুও আমরা আশা ছাড়ছি না।

গাজি হামাদ বলেন, আমরা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আরও বন্দিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত। কিন্তু সেটা কোন প্রক্রিয়ায় হতে পারে, সে জন্য আমরা কাতার ও মিসরের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমি আশা করি, এটি আজ বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। আমরা বিরতির মেয়াদ আরও বাড়াতে পারব।

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর এই সদস্য বলেন, বেসামরিক ও সামরিক উভয় শ্রেণিকেই মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি আলোচনা হচ্ছে। আমরা একটি সন্তোষজনক সমঝোতায় উপনীত হতে পারব বলে আশা করছি। গাজী হামাদ বলেন, আমরা এখন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রতি মনোযোগ দিচ্ছি। আমরা এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছাবার চেষ্টা করছি, যেন গাজার সব বন্দি মুক্তি পেয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই যে ইসরাইলি কারাগারে বন্দি থাকা সব ফিলিস্তিনিকে মুক্ত করে দেওয়া হোক। একই সঙ্গে এই নিশ্চয়তাও দিতে হবে যে তাদের আর গ্রেফতার করা হবে না।
ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অবসানে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্বসংস্থা বলেছে, দুই দেশেরই রাজধানী হবে জেরুজালেম। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ের মহাপরিচালক তাতিয়ানা ভালোভায়া মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এতে বলা হয়, জাতিসংঘের প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তিত রূপে চূড়ান্তভাবে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাতিয়ানা বলেন, জেরুজালেমকে রাজধানী বানিয়ে ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিরা পাশাপাশি শান্তি ও নিরাপদে বসবাস করবে।

জাতিসংঘ মহাসচিব সংঘাত শুরুর পর বিভিন্ন সময় দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বলেছেন। এ ছাড়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও একই কথা বলেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সংঘাত শুরুর পর ইসরাইলকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানালেও পরে তিনি সুর নরম করেছেন। গত অক্টোবরে তেল আবিব সফরের সময় তিনি বলেছেন, ‘ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি জনগণ যাতে নিরাপদে, মর্যাদায় এবং শান্তিতে বসবাস করতে পারে, আমাদের অবশ্যই সেই পথ অনুসরণ করতে হবে। দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই একমাত্র পথ।’

সময়ের আলো/আরএস/







https://www.shomoyeralo.com/ad/1698385080Google-News-Update.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫ | ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com
close