ই-পেপার শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪

জি কে শামীমকে অতিরিক্ত ১০ কোটি টাকা বিল প্রদান
গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফজলুল হককে বেতন কমানোর শাস্তি
প্রকাশ: রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৭:০৫ পিএম  (ভিজিট : ৯২৬)
কাজ সম্পন্ন করার আগেই আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীমকে অবৈধ ভাবে অগ্রিম ১০ কোটি টাকা বিল পরিশোধ করার ঘটনায় গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী, শেরেবাংলা নগর-১ এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে রাজশাহীতে চলতি দায়িত্বে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত) মোহাম্মদ ফজলুল হককে বেতন গ্রেড কমানোর শাস্তি দিয়ে বিভাগীয় মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন অভিযুক্ত প্রকৌশলীকে বর্তমান বেতন গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপে নামিয়ে দেওয়ার বিষয়ে গত ২৫ জানুয়ারি এক অফিস আদেশ জারি করেন।

গত বছরের ২১ মার্চ দৈনিক সময়ের আলোতে ‘বাতিল কাজের বিল দিন গণপূর্ত, জি কে শামীম পেল ১০ কোটি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যথাসময়ে কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় কার্যাদেশ বাতিল করা হলেও জরিমানার পরিবর্তে আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীমকে অবৈধ ভাবে ১০ কোটি টাকা বিল প্রদান করার চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয় কার্যাদেশ বাতিলের পর জিকে শামীমের পারফরমেন্স সিকিউরিটির অর্থ বাজেয়াপ্ত না করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১২ কোটি টাকা।  

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে প্রকৌশলী ফজলুল হকের বিষয়ে সচিবের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, অগ্রিম বিল পরিশোধের অভিযোগে ফজলুল হকের বিরুদ্ধে চলমান বিভাগীয় মামলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাকিলা জেরিন খানকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। 

তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে বলেন, নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে কাজের আগেই ১০ কোটি ৪৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ঠিকাদারকে পরিশোধের বিষয়ে প্রকৌশলী ফজলুল হকের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর), ২০০৮-এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে আর্থিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছেন। 

পরবর্তী সময়ে জামানতের টাকা থেকে তা সমন্বয় করে সরকারের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা মিলেছে। ফজলুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগটি আর্থিক শৃঙ্খলাজনিত হওয়ায় চাকরি বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারায় ‘বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনতিকরণ বা বর্তমান বেতন গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপে নামিয়ে দেওয়ার শাস্তি দেওয়া হলো।’ মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট আইনে এটি মূলত লঘু দণ্ড হিসেবে বিবেচিত।

সময়ের আলো/এম 




https://www.shomoyeralo.com/ad/1698385080Google-News-Update.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫ | ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com
close