ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

পবিত্র শবে মেরাজ আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৩.০৪.২০১৯ ৯:৫০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 343

আজ পবিত্র শবে মেরাজ। অলৌকিক মহিমায় উদ্ভাসিত শবে মেরাজের রাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যময় ও মহিমান্বিত। এ রাতেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা মেরাজ সংঘটিত হয়।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ  বুধবার বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ‘লাইলাতুল মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে জ্ঞানগর্ব আলোচনা করবেন।

নবুওয়্যাতের দ্বাদশ বছর রজব মাসের ২৬ তারিখ রাত (আরবি হিসাবে ২৭ রজব) মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নবীজি (সা.) পবিত্র মক্কা নগরীর উম্মে হানির ঘর থেকে জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে অলৌকিক বাহনের মাধ্যমে ঊর্ধ্বজগতে সফর করেন। আরশে আজিমে পৌঁছে মহান আল্লাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা হয়। এ সময় উম্মতে মোহাম্মদির জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হাদিয়াস্বরূপ ফরজ করেন আল্লাহ তায়ালা।

মেরাজের বিস্ময়কর সফরে হজরত আদম (আ.), হজরত মুসা (আ.) ও হজরত ইবরাহীম (আ.)-সহ অন্য নবীদের সঙ্গে সালাম বিনিময় হয় নবীজির (সা.)। বাইতুল মোকাদ্দাসে সব নবী ও ফেরেশতার নামাজে ইমামতি করেন তিনি। এ ছাড়াও সচক্ষে জান্নাত-জাহান্নামের চিত্র দেখেন এবং আরশে আজিমে পৌঁছে আল্লাহর দিদার লাভ করেন।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তিনি সেই পবিত্র সত্তা, যিনি বান্দাকে তার নিদর্শনগুলো দেখানোর জন্য রাত্রিকালে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত। যার চারপাশ বরকতময়, নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (বনি ইসরাইল : আয়াত ১)

হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, মেরাজের রাতে রাসুল (সা.) উম্মে হানি বিনতে আবু তালিবের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। হঠাৎ হজরত জিবরাইল (আ.) এসে রাসুলকে মসজিদে হারামে নিয়ে যান। যেখানে তাঁর বুক বিদীর্ণ করে জমজম কূপের পানি দিয়ে সিনা ধুয়ে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করা হয়। তারপর সেখান থেকে তাঁকে বোরাকে করে প্রথমে বাইতুল মোকাদ্দাস ও সেখান থেকে রফরফে করে ঊর্ধ্বাকাশে নিয়ে যাওয়া হয়।

মেরাজের রাতে অন্যান্য রাতের মতোই নফল ইবাদত করে মুসলিম উম্মাহ। এ রাতেই যেহেতু নবী করিম (সা.)-এর মাধ্যমে উম্মতের জন্য নামাজ ফরজ করা হয়েছে, তাই বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া যেতে পারে। তবে নামাজের জন্য রাকাত সংখ্যা, সুরা বা দোয়া নির্দিষ্ট করা নেই। অন্যান্য নফল নামাজের মতোই এ নামাজে সুরা দোয়া পড়া যেতে পারে। এ ছাড়াও এ রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির ও দরুদ পাঠের মধ্য দিয়ে অশেষ সওয়াব অর্জন করা চাই। তবে শরিয়তবিরোধী কোনো কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়া যাবে না। কোনো ধরনের আতশবাজি, আলোকসজ্জা, হৈ-হুল্লোড় না করে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করাই হবে প্রত্যেকের দায়িত্ব।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]