ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

খুনের রাতেই আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১২ মে, ২০১৯, ১:৫২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 219

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ঘরে ঢুকে এক নারীকে গুলি চালিয়ে হত্যার আসামি পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। রোববার ভোররাতে বাকলিয়া থানার বলিরহাট এলাকার নদীর পাড়ে নিহত হন শাহ আলম (৩৮) নামে ওই ব্যক্তি।

তার আগে রাতে বলিরহাটের বজ্রঘোনা এলাকায় মদিনা মসজিদের পাশে বাড়িতে ঢুকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় বুবলি আক্তার (২৮) নামে একে নারীকে। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ছিলেন শাহ আলম।

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুবলিদের বাড়িতে হামলা হয়েছিল জানিয়ে পুলিশ জানায়, বুবলির ভাই রুবেলকে মারতে রাতে বাসায় গিয়েছিলেন শাহ আলমসহ আরও কয়েকজন। বুবলি ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন।

বুবলি হত্যাকাণ্ডের পরপরই শাহ আলমসহ আসামিদের ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. শাহ আবদুর রউফ বলেন, “শাহ আলমসহ তার সহযোগীদের ধরতে বলিরহাট এলাকায় পুলিশ অভিযানে যায়।

“এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয়পক্ষের বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে শাহ আলমের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।”

‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিনসহ চারজন আহত হন বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা রউফ।

অন্য তিনজন হলেন- বাকলিয়া থানার এসআই জামাল চৌধুরী, এএসআই বিল্লাল ও এএসআই মোর্শেদ। তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে রউফ জানান।

বুবলি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নুর আলম ও নুর নবী নামে দুজনকেও গ্রেপ্তারে কথা জানিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে নুর শালম নিহত শাহ আলমের ভাই।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তা রউফ জানান।

উদ্ধার করা পিস্তলটি বুবলিকে হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি।

বুকলিকে হত্যার ঘটনায় তার বাবা নোয়া মিয়া বাদী হয়ে শাহ আলম, তার ভাই নূর আলম (২৫), নবী হোসেন (৬০), মো. জাবেদ (২৪), মো. মুছা (৪০), আহমদ কবিরসহ (৪২) ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় রাতেই একটি হত্যা মামলা করেন।

আসামিরা সবাই বজ্রঘোনা মদিনা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা।

কাঠমিস্ত্রি রুবেলের কাছে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদকসেবী শাহ আলম চাঁদা দাবি করছিলেন দাবি করে মামলায় বলা হয়েছে, টাকা না পেয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নোয়া মিয়া বলছেন, শনিবার রাতে শাহ আলম অস্ত্রশস্ত্রসহ দলবল নিয়ে রুবেলকে খূঁজতে বাসায় গিয়েছিল। রুবেলকে মারার জন্য খুঁজতে থাকলে বুবলি গিয়ে তাদের বাধা দেয়। তখন শাহ আলম বুবলির মুখে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]