ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ৫ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

মেয়র-কাউন্সিলর দ্বন্দ্বে দুই যুগেও পাকা হয়নি রাস্তা
চাঁদপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯, ৪:১৮ পিএম আপডেট: ১৯.০৮.২০১৯ ৪:২৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 710

মেয়র-কাউন্সিলর দ্বন্দ্বে উন্নয়ন কাজ বন্ধ। যে কারণে জনদুর্ভোগ চরমে। এর অবহেলিত জনপদের নাম ডাইয়া খোলা। এটি ছেংগারচর পৌরসভার  ৭ নং ওয়ার্ড এর একটি অবহেলিত গ্রাম । যদিও এটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। তথাপি জনগণ দীর্ঘদিন যাবৎ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। বৃষ্টি আসলে গ্রামের রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

১৯৯৮ সনে ছেংগারচর পৌরসভা সৃষ্টি। বাড়ি ভাঙ্গা ঈদগাহ থেকে ডেঙ্গুর ভিটি কাঁচা সড়ক টি পৌরসভার সৃষ্টির আগেই তৈরি। পৌরসভার সৃষ্টির পর ও কাঁচা সড়কটির কোনো উন্নয়ন হয়নি। বৃষ্টি আসলে কাচা সড়কে যান চলাচল দূরের কথা জনগণ চলাচলের দূরুহ ব্যাপার। এ সড়কে প্রতিদিন শত শত ছাত্রছাত্রী স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। বিশেষ করে কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়, জীবগাও জে. হক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ,পাঁচগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাড়ি ভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে । ফলে এটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে পরিনত হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগষ্ট) এ প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে সড়কের বেহাল দশার চিত্র দেখতে পান। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র আযহারুল (২২) ইসলাম অভিযোগ করেন নির্বাচন আসলে আমাদের কদর বাড়ে। নির্বাচন গেলে কেউ আমাদের খবর নেয় না। কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদিউল আলম (৫৮) বলেন, আমাদের আশেপাশের গ্রামের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে!পৌরসভা সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে গ্রামে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি । মেয়র আমাদের সাথে বিমাতাসুলভ আচরণ করছে।ভাইয়াখলা গ্রামের  আব্দুল মতিন(৭২) জানান, এ সড়কটি পৌরসভার হওয়ার আগে তৈরি হয়েছিল। পৌরসভার সৃষ্টির পর এ সরকের কোনো উন্নয়ন হয়নি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী মাস্টার (৭০) সাথে কথা হলে তিনি জানান, নামাজে মসজিদে যাইতে আমার অনেক কষ্ট অইতো। বিশেষ কইরা এশা আর ফজর পড়তে মসজিদে যাইতেই পাড়তাম না, গর্ত আর খানা-খন্দকের লইগা।

ছেংগারচর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র বোরহান উদ্দিন প্রধান জানান, এ সড়ক টি পাকা করার বরাদ্দ আমাদের কাছে নেই। এটি প্রথমে পিআইও সেকশন থেকে বরাদ্দ দিতে হবে। তারপর বাকি অংশ ভরসা করতে পারবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]