ই-পেপার  বুধবার ২৯ জানুয়ারি ২০২০ ১৪ মাঘ ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ২৯ জানুয়ারি ২০২০

আরসিবিসির জরিমানার ১৬৮ কোটি টাকা চেয়েছে বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৩:৪৭ পিএম আপডেট: ০৩.১২.২০১৯ ৩:৫৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 141

ছবি বিবিসি বাংলা

ছবি বিবিসি বাংলা

বহুল আলোচিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার নয় মাস আগে পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল ফিলিপিন্সের ম্যানিলা-ভিত্তিক রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন (আরসিবিসি)-তে। এবার আরসিবিসিকে করা সেই ২০ মিলিয়ন ডলার( ১৬৮ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা) জরিমানার  অর্থ চেয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের সভায় (এফওসি) এই অর্থের দাবি করা হয়। সভা শেষে পররাষ্ট্র সচিব (এশিয়া প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

সভা শেষে মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের জানান, এফওসিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে ফিলিপাইনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আমরা ফিলিপাইনের কাছে দোষীদের  পরিচয় ও  আর্থিক তথ্য জানতে চেয়েছি। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনকে (আরসিবিসি) জরিমানা করা ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার  আমরা চেয়েছি। আমরা বলেছি কিছু টাকা আমাদের দেওয়া যেতে পারে।  তবে ওদের যুক্তি অন্যরকম  আছে। এছাড়া রিজার্ভ চুরির কিছু অর্থের হদিস এখনো বের করা যায়নি। তবে আমরা স্টেপ বাই স্টেপ এগোচ্ছি।

ছবি বিবিসি বাংলা

ছবি বিবিসি বাংলা

মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় দুই দেশের মধ্যে এফওসি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব (এশিয়া প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন। ফিলিপাইনের পক্ষে দেশটির সচিব পর্যায়ের  কর্মকর্তা  মেনার্ডো এলভি মন্টিলেগরি  নেতৃত্ব দেন।

২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে এফওসি আয়োজনের জন্য একটি সমঝোতা সই হয়। সে অনুযায়ী গতবছর ম্যানিলায় প্রথমবারের মতো এফওসি অনুষ্ঠিত হয়। এবার ঢাকায় দ্বিতীয় এফওসি অনুষ্ঠিত হলো।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের আট কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে নিয়ে যায়। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকারেরা এই টাকা পাচার করে বলে তদন্তে জানা যায়। বিষয়টি দেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বাংলাদেশ সরকার কিছু টাকা উদ্ধারও করে। তবে বেশি পরিমাণ টাকা এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনায় দেশের ও বিদেশের জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে গত বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেন। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন,  তথ্য প্রযুক্তি আইন ও দণ্ডবিধিতে দায়ের করা এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে।  




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]