ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ত্রিপুরায় গণধর্ষণের  পর কিশোরীকে পুড়িয়ে হত্যা
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৯.১২.২০১৯ ১২:২১ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 50

ভারতের হায়দারাবাদে এক তরুণী চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার রেষ কাটতে না কাটতেই এবার ত্রিপুরায় আরেক কিশোরীকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে মারা হয়েছে। শনিবার আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা অগ্নিদগ্ধ কিশোরীকে হাসপাতালে নিলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
দু’মাস ধরে আটকে রেখে প্রেমিক ও তার বন্ধুরা মিলে ১৭ বছরের ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে আসছিল। গত শুক্রবার দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিবাজার নামক এলাকায় প্রেমিক ও প্রেমিকের মা মিলে ওই তরুণীর গায়ে আগুন লাগিয়ে দিলে তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে যায়। পুলিশ বলছে, প্রতিবেশীরা গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় জিবি পন্থ হাসপাতালে ভর্তি করে।
পুলিশ আরও জানায়, দু’মাস আগে থেকে ওই তরুণীর প্রেমিক অজয় রুদ্রপাল তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করে। তরুণীর পরিবার জানায়, অজয় তাদের কাছে মেয়ের মুক্তিপণ হিসাবে ৫০ হাজার রুপি চায়। কিন্তু গত শুক্রবার পর্যন্ত তারা ১৭ হাজার রুপি জোগাড় করতে সমর্থ হলে ক্ষুব্ধ অজয় কিশোরীর গায়ে আগুন দেয়।
কিশোরীকে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হতেই বিক্ষুব্ধ জনতা ওই হাসপাতালে জমায়েত হয়। তারা অভিযুক্ত কিশোর এবং তার মায়ের ওপর আক্রমণ চালায়। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত অজয়কে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে স্থানীয় থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সাউথ ত্রিপুরার পুলিশ সুপার জল সিং মিনা জানান, ‘গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরীর শরীরে আগুন দেওয়া হয়। আমরা তদন্ত করছি।’ ঘটনার শিকার কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্ত কিশোরের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয়। তারপর দেখা করার নামে কিশোর তরুণীকে আটকে রাখে এবং তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। কিন্তু মুক্তিপণের টাকা না পাওয়ায় সে এবং তার বন্ধুরা মিলে অনেকদিন ধরেই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।
ঘটনার শিকার তরুণীর মা জানিয়েছেন, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা পুলিশের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ দাখিল করেন। যখন অভিযুক্ত তাদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে তখন তারা পুলিশকে বিষয়টি জানায়; কিন্তু তাতে লাভ হয়নি।
ভারত জুড়ে একের পর এক ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে ত্রিপুরা। পুলিশ ও প্রশাসনের ভ‚মিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অনেকেই।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]