ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৪ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

বেরোবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন রোববার
বেরোবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 51

আগামী ২০ জানুয়ারি রোববার বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় (বেরোবি) শিক্ষক সমিতির অষ্টম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সমিতির কার্যকরী সংসদের ১৫টি পদে মোট ৩০ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। অন্যান্য বছর দুটি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষকদের সংগঠনগুলো নির্বাচন করলেও এবার তার উল্টোটাই লক্ষ করা যাচ্ছে। আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের বৃহৎ সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে ১৫ জন প্রার্থী নিয়ে পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা করা হলেও তাদের বিপক্ষে জোড়াতালি দিয়ে নির্বাচন করছে অন্য সংগঠনগুলো।
জানা যায়, বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ বরাবরই পূর্ণ প্যানেল নিয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে আসছে। আওয়ামীপন্থি দাবি করা শিক্ষকদের অন্য সংগঠন নীল দল বেশ কয়েক বছর ধরে পূর্ণ প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে আসছিল। তবে ২০১৯ সালের নির্বাচনে তারা প্রার্থী দেয়নি। বরং প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের একটি বিদ্রোহী অংশের পক্ষ থেকে সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা করতে না পারলেও প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের পাশাপাশি আলাদা দুটি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিদ্রোহী প্রগতিশীল এবং নীল দল।  যথাক্রমে ১০ জন এবং পাঁচজন প্রার্থীর জন্য ঘোষিত ইশতেহারে দুটিতে বিভিন্ন প্রতিশ্রæতি দেওয়ার চেয়ে উপাচার্যবিরোধী বিভিন্ন কথা বলে শিক্ষকদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের পূর্ণ প্যানেল (১৫ জন প্রার্থী) এর জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিশ^বিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট কিছু প্রতিশ্রæতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো ছাড়াও প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের বিদ্রোহী অংশে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে এক-দুজন বিতর্কিত শিক্ষকও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। এটা নিয়ে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অন্য শিক্ষকের ওপর হামলা করা, নিজের কক্ষ ভাঙচুর করে প্রশাসনের ওপর দায় চাপানোর অভিযোগসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদকে নিজের মতো করে ব্যবহার করার গুরুতর অভিযোগও আছে একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তার নেতৃত্বে হামলার শিকার বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. শফিক  আশরাফ থানায় অভিযোগও করেছিলেন।
নীল দলের সভাপতি ড. নিতাই কুমার ঘোষ বলেন, দলের অনেকের মৌখিক সিদ্ধান্তের ফলে তিনি প্রশাসনে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সে সময় অনেকেই এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। প্রত্যেক প্রশাসনের আমলে প্রথমদিকে যুক্ত থেকে পরে বিরোধিতা করা স্বার্থের দ্ব›দ্ব কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নীল দল কখনও ব্যক্তি স্বার্থে কাজ করে না, আমরা প্রশাসনের সঙ্গে থেকে কাজ করার চেষ্টা করি। যখন প্রশাসনের সঙ্গে পেরে উঠি না তখন সরে আসি।
প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের বিদ্রোহী অংশে নেতৃত্ব দেওয়া সভাপতি প্রার্থী ড. একেএম ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রগতিশীল একটা বৃহৎ দল, সুতরাং এখানে
ভালো-মন্দের সংমিশ্রণ রয়েছে। আমাদের মধ্যে যারা উপাচার্য স্যারের বিতর্কিত কর্মকাÐ সমর্থন করতে পারছি না তারাই আলাদা করে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]