ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ৬ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আগে মাঠে নামবেন, পরে দল ঘোষণা দেবেন এম এ আউয়াল
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০, ২:৩১ এএম আপডেট: ২৪.০১.২০২০ ২:৩৬ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 114

বিদায়ী বছরের ৯ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি রেঁস্তোরায় ঘরোয়াভাবেই ‘ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি’ গঠন করেন সাবেক সংসদ সদস্য এম এ আউয়াল। এরপর ছোটখাটো সভা, আর প্রেস রিলিজে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দিলেও রাজপথে ছিলেন অনুপস্থিত। আর দলগঠনের খবরটিও অনেকটাই প্রচারের আড়ালে রাখেন তিনি। যদিও দুই মাসের মাথায় আগামী শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সিটিভোটের প্রচারে নামবেন ফজলে নূর তাপসের হয়ে। এই ঘোষণা দিতে আজ শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করবেন এম এ আউয়াল। 

তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়াল জানান, শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে সিটি ভোটের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হবে। আর আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণার কিছু নেই। রাজনৈতিক তৎপরতাই সবচেয়ে বড় বলে জানান তিনি। 

ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির একাধিক দায়িত্বশীল জানান, গত বছরের ৯ নভেম্বর দলগঠনের ঘরোয়া ঘোষণা দেন এম এ আউয়াল। তার দলের মহাসচিব করা অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামকে, যিনি তার নিজের ‘গণতান্ত্রিক ইসলামী মুভমেন্ট’ নামে সংগঠন বিলুপ্ত করে যোগ দেন। নুরুল ইসলাম মাসিক মদীনার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের মেয়ের জামাই। এই দলে ইসলামী ঐক্যজোটের মিছবাহুর রহমান চৌধুরীর যোগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার অগ্রগতি হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ঐক্যজোট বিলুপ্ত করতে অস্বীকার করেন। এরপরই ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির যাত্রা শুরু করেন আউয়াল। 

দলের ঘনিষ্ঠ একাধিকসূত্র সময়ের আলোকে জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠনেতা মো. নাসিমের সঙ্গে এম এ আউয়ালের আলোচনা চলছে। ক্ষমতাসীনদের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে এই পার্টিকে যুক্ত করার বিষয়ে মো. নাসিম ইতিবাচক বলে সূত্র দাবি করেছে। যদিও এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এম এ আউয়াল বলেন, ‘ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি ইসলামের আলোকে ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একটি দল। ১৪ দলীয় জোট এই ধারার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে জোটবদ্ধ রাজনীতি নতুন দিনের অঙ্গীকারকে আরও ব্যাপ্ত করতে পারে।’

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থিতাতে কেন্দ্র করে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সঙ্গে দুরত্ব সৃষ্টি হয়। এম এ আউয়ালের পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযোগ করা হয়েছে, তরিকতের চেয়ারম্যান আর্থিক সুবিধাগ্রহণের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দেন। যদিও ওই প্রার্থীকে পরে ক্ষমতাসীনরা নিজেদের প্রার্থী হিসেবে গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বরাবরই নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী ও তার দলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। 




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]