ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ৮ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

পাকিস্তানে হারে শুরু টাইগারদের
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৪.০১.২০২০ ১১:৩৬ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 13

বোলাররা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েই লড়লেন, কিন্তু ১৪১ রানের সাদামাটা পুঁজিটাকে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের সামনে অনতিক্রম্য করে তুলতে পারেননি। এক যুগ পর পাকিস্তানের মাটিতে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাটা তাই সুখকর হয়নি বাংলাদেশের জন্য। শুক্রবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে হেরেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

এভাবে হারের দায়টা ব্যাটসম্যানদের ঘাড়েই বর্তায়। পর্যাপ্ত রান স্কোরবোর্ডে জমা করতে পারেননি তারা। হিসেবে ব্যাটিংয়ে দুই ওপেনার শক্ত ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা দ্রæত রান তোলার প্রয়োজনটা মেটাতে পারেননি। বোলিংয়েও শুরুটা ছিল বেশ ভালো। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ম্যাচসেরা শোয়েব মালিকের হাফসেঞ্চুরিতে তিন বল অব্যবহৃত রেখেই ১৪২ রানের জয়ের লক্ষ্যটা ছুঁয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে তারা। আজ একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ম্যাচ, পাকিস্তানকে ওই ম্যাচ দিচ্ছে সিরিজ জয়ের হাতছানি। বাংলাদেশের সামনে সেটা সিরিজ বাঁচানোর শেষ সুযোগ।
‘নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে জিতবে পারব’Ñ পাকিস্তান যাত্রার প্রাক্কালে কথাটা বাংলাদেশ দলের প্রায় সব ক্রিকেটারের মুখেই শোনা গেছে। এক মোস্তাফিজুর রহমান বাদে বোলাররা নিজেদের সেরাটাই দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা সেটা পারেননি। তবে তামিম ইকবাল আর নাঈম শেখের ব্যাটে শুরুটা বেশ ভালোই ছিল। ১১ ওভার স্থায়ী উদ্বোধনী জুটিতে ৭১ রান তুলেন তারা। সেখান থেকে দেড়শ ছাড়ানো পুঁজির আশাই করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চারটি চার আর একটি ছক্কায় ৩৪ বলে ৩৯ রান করা তামিম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে রানআউটের খড়গে কাটা পড়ে বিদায় নেওয়ার পর সময় যত গড়িয়েছে, আশাটা ফিকে হয়েছে ততই।
বিপিএলে যেভাবে রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন লিটন দাস, আফিফ হোসেন, সৌম্য সরকাররা গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ছন্দটা টেনে নিতে পারেননি। ১৩ বলে ১২ রান করে রানআউট হয়ে ফেরেন লিটন। শাদাব খানের করা ঠিক এর পরের বলটাতেই আউট নাঈম। তিনটি চার আর দুটো ছক্কায় ৪১ বলে ৪৩ রান করেন এই বাঁহাতি। ৯৮ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর দলপতি মাহমুদউল্লাহ চালিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আফিফ, সৌম্যরা তাল মেলাতে পারেননি। ১০ বলে ৯ রান করে অভিষিক্ত হারিস রউফের শিকার হন আফিফ, শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৭ রান করেন সৌম্য। দুটি চারের মারে ১৪ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ।
ব্যাটিংয়ের শেষটা ভালো না হলেও বোলিংয়ের শুরুটা ছিল স্বপ্নীল। দ্বিতীয় বলেই পাকিস্তান দলপতি বাবর আজমকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন শফিউল ইসলাম। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজ ফেরান মোহাম্মদ হাফিজকে। ৩৫ রানে ২ উইকেট পতনের পর অভিষিক্ত ওপেনার এহসান আলিকে নিয়ে হাল ধরের অভিজ্ঞ মালিক। ৩৬ রান করা এহসানকে ফিরিয়ে ৪৬ রানের জুটি ভাঙেন লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। এরপর ইফতেখার আহমেদ আর ইমাদ ওয়াসিমকে শফিউল আর আল আমিন ফিরিয়ে দিলেও মালিক ছিলেন অবিচল। পাঁচটি চারে ৪৫ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে তিনিই পাকিস্তানকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ : ২০ ওভারে ১৪১/৫ (তামিম ৩৯, নাঈম ৪৩, লিটন ১২, মাহমুদউল্লাহ ১৯*, আফিফ ৯, সৌম্য ৭, মিঠুন ৫*; শাহিন ১/২৩, রউফ ১/৩২, শাদাব ১/২৬)
পাকিস্তান : ১৯.৩ ওভারে ১৪২/৫ (এহসান ৩৬, হাফিজ ১৭, মালিক ৫৮*, ইফতেখার ১৬, ইমাদ ৬, রিজওয়ান ৫*; শফিউল ২/২৭, মোস্তাফিজ ১/৪০, আল আমিন ১/১৮, আমিনুল ১/২৮)
ফল : পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা : শোয়েব মালিক





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]