ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ৭ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চৌগাছায় সাঁকোর ইজারা বাতিল করে সেতু নির্মাণের দাবি
চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 12

হেঁটে গেলে ৫ টাকা। সঙ্গে সাইকেল থাকলে ১০ টাকা। আর মোটরসাইকেল থাকলে আরও বেশি। একটি সেতুর অভাবে যশোরের চৌগাছার পাতিবিলা-নারাণপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ সরকার নির্ধারিত ভাড়া দিয়ে এভাবে পার হচ্ছে কপোতাক্ষ নদের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন ৫-১০ টাকা ভাড়া দিয়ে স্কুল কলেজে যাচ্ছে। সম্প্রতি সেতুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তাই এসব ইউনিয়নের লোকজনের দাবি সাঁকোটি আর ইজারা না দিয়ে অন্তত একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হোক।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পাতিবিলা ও নারাণপুর ইউনিয়নের বুকচিরে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ। এই নদ দুটি ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে দিয়েছে। নারাণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা পীর বলুদেওয়ান মাজার সংলগ্ন হাজরাখানা-তালপট্রি সংযোগে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাঁশ দিয়ে এ সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। সামান্য কিছু টাকা দিয়ে নির্মাণ করা এ বাঁশের সাঁকোটি যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত না করে জেলা পরিষদ এর ইজারা দিয়েছে।
হাজরাখানা গ্রামের আব্বাস আলী বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ৫ থেকে ১০ টাকা টোল দিয়ে বাঁশের সাঁকোটি ব্যবহার করছে। তালপট্টি, নিয়ামতপুর, পাতিবিলার কয়েক হাজার মানুষের হাজরাখানা, পেটভরা নারাণপুর গ্রামে আসার একমাত্র ভরসা এই বাঁশের সাঁকো।
পেটভরা গ্রামের বাসিন্দা পাতিবিলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আশিকুর রহমান বলে, সরকার যেখানে স্কুলের বই ফ্রি দেয় সেখানে স্কুলে যাওয়ার জন্য কেন আমরা সাঁকোর টোল দেব?
পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, এ সংযোগ সেতু না থাকলে উভয় পাড়ের মানুষের ১০ কিলোমিটার দূর দিয়ে ঘুরে আসতে হতো। এর জন্য আমরা কিছুটা হলেও রেহায় পাই। এখন স্কুল, মাদ্রাসাপড়ুয়া ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, কৃষক ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে। তা ছাড়া প্রতিবছর ভাদ্র মাসে যখন কপোতাক্ষ পানিতে ভরা থাকে তখন হাজরাখানা গ্রামে বলুর মেলা হয়। সে সময় হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সাঁকো দিয়ে পার হয়।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার মনিরুজ্জামান মিলন বলেন, সাঁকোর স্থলে একটি সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। অনেকেই প্রতিশ্রতি দেয় কিন্তু কোনো ফল হয়নি। এলাকার অধিকাংশ মানুষ গরিব। টাকা দিয়ে পার হওয়া তাদের জন্য কষ্টকর। ইজারা বাতিল করে সাঁকোটি উন্মুুক্ত করার দাবি তার।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মুকুল বলেন, ইজারা দেয় জেলা পরিষদ। তা বাতিল হলে ভালো হয়। কোমললমতি শিক্ষার্থী ও খেটে খাওয়া মানুষের যেন টোল দিয়ে পার হতে না হয় সে জন্য একটা স্থায়ী সেতু
হওয়া দরকার।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]