ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ৫ এপ্রিল ২০২০ ২১ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার রোববার ৫ এপ্রিল ২০২০

গ্রামের সন্তানরা নিজ ঘরে খেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করছে : আমু
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৩:০৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 57

আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, শিল্পমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক শিল্প ও খাদ্যমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছেন। যার ফলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হয়েছে।

দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে বেসরকারী কলেজকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি কলেজে ডিজিটাল ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া স্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে গ্রামের সন্তানরা নিজ ঘরে খেয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে। ঝালকাঠি সরকারী কলেজের ১০তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সরকারী কলেজ চত্ত্বরে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী, পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সরদার মোঃ শাহ আলম, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান।

সরকারী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আনছার উদ্দিন আনিসের সভাপতিত্ব আলোচনাসভা সঞ্চালনা করেন সরকারী কলেজের সাবেক জিএস ও পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করীম জাকির।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমপি আমু আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা গ্রহণ করে তার বিচক্ষণতায় বাংলাদেশকে উন্নত আয়ের দেশে পরিণত করেছেন। বিশ্বব্যাপী তার খ্যাতি অর্জিত হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক ভাবে ৩৭টি পুরস্কার পেয়েছেন এবং বিশ্বের তৃতীয় বিচক্ষণ নারী হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ সব ক্ষেত্র উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, ১৯৬৫ সালে ঘোষাল জমিদারের পরিত্যক্ত  বাড়িতে ঝালকাঠি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে তা জাতীয়করণ করা হয়। সুগন্দানদীর ভাঙনের কবলে পড়ায় পৌর এলাকার ১ নং চাঁদকাঠি ওয়ার্ডে প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে জমি অধিগ্রহণ করা হয়। স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ে রিলিফের টিন, টিআর, কাবিখার মাধ্যমে কলেজ স্থাপন করা হয়। ২০০০ সালে ২টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করা হয়। বর্তমানে কলেজটিতে ৮টি বিষয়ে অনার্স ও ২টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। পরবর্তিতে আরো কয়েকটি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

উল্লেখ্য,  শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সরকারী কলেজের ১০ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ২১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। মাহফুজ খান লিঃ, মোজাহার এন্টারপ্রাইজ, ধ্রুব কনস্ট্রাকশন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে বলে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। এর পূর্বে সকাল সাড়ে ১০টায় ১৫লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সদর থানার মূল ফটক ও সেন্ট্রি গেট উদ্বোধন করেন এমপি আমির হোসেন আমু। 




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]