ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

যে নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা
শিক্ষার আলো প্রতিবেদন
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম আপডেট: ১৫.০২.২০২০ ১২:১৪ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 85

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর (স্কোর) ও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করবে। প্রথমে এই পরীক্ষাকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বলা হলেও এখন এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা’ ইংরেজিতে এর সংক্ষেপ করে বলা হচ্ছে সিএটি বা ক্যাট (সেন্ট্রাল অ্যাডমিশন টেস্ট)।

বর্তমানে দেশে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। যদিও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি শিক্ষার্থী ভর্তি করে না। বাকি ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে প্রায় ৬০ হাজার আসন রয়েছে। পরীক্ষা দেন কয়েক লাখ শিক্ষার্থী। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের দুর্ভোগ কমাতে কয়েক বছর ধরেই সমন্বিত বা গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে গত বছর (চলতি শিক্ষাবর্ষ) সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিতভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ বছর সব বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০২০-২১) থেকেই কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা হচ্ছে।

বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার বিষয়ের জন্য মোট তিনটি পরীক্ষা হবে। এর মানে হলো বিভাগ অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী একটিই ভর্তি পরীক্ষা দেবেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বতন্ত্রের বিষয়টি মাথায় নিয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর (স্কোর) ও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। শূন্য থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত থাকবে এই স্কোর। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী ওই তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির কাজটি করবে।

যেমন ওই পরীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট (যদি চূড়ান্তভাবে রাজি হয়) কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে তারা ১০০-তে ৮০ নম্বরের বেশি পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি করবে, তখন সেই চাহিদার ভিত্তিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে তারা। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার নম্বরের পাশাপাশি এসএসসি ও এইচএসসির প্রাপ্ত জিপিএর মধ্যে থেকেও পয়েন্টের ব্যবস্থা রাখতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। পুরো কাজটি হবে অনলাইনে। ফলে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য আলাদা করে শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হলেও দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

প্রাথমিকভাবে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ভিত্তিতে এই পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হলেও উপাচার্যদের কেউ কেউ ৫০ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং ৫০ নম্বরের বহুনির্বাচনি প্রশ্নে (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন নেওয়া হবে। আর ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে নভেম্বরের মধ্যে। ভর্তির কাজটির জন্য শিগগির বিভিন্ন কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে। কমিটিগুলোই এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]