ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

এই সেই ভয়ংকর করোনাভাইরাস!
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:৫২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 143

মাইক্রোস্কপে যেমন দেখতে করোনাভাইরাসে

মাইক্রোস্কপে যেমন দেখতে করোনাভাইরাসে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ছবি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (এনআইএআইডি)। গত মঙ্গলবার নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগের নাম ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এখন থেকে একে সিওভিআইডি-১৯ (COVID -19)  নামে ডাকা হবে।

হ্যামিল্টনের রকি পর্বতমালার ল্যাবে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন স্ক্যানিং অ্যান্ড ট্রান্সমিশন ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ দিয়ে তারা করোনাভাইরাসের ছবি ধারণ করেছেন। সংস্থাটির বৈজ্ঞানিকরা তাদের গবেষণাগারে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন। ভাইরাসটি নিয়ে নানা ধরনের পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালাচ্ছেন তারা।।

নতুন তোলা ছবিতে দেখা যায়, করোনাভাইরাসের আণবিক চিত্র ২০০২ সালের সার্স (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম) ও ২০১২ সালের মার্স (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম) ভাইরাসের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায়। যদিও এতে আশ্চর্য হননি বিজ্ঞানীরা।

এনআইএআইডির মলিকিউলার প্যাথোজেনেসিস ইউনিটের প্রধান এমি ডি উইট প্রথমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর লালা সংগ্রহ করেন। এরপর তা টেস্টটিউবে নিয়ে মাইক্রোস্কোপিস্ট এলিজাবেথ ফিশারকে দেন। তিনি স্ক্যানিং অ্যান্ড ট্রান্সমিশন ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপের নিজে ওই নমুনা ধরলে তাতে জীবাণু ধরা পরে।

এর ছবি ধারণ করে ল্যাবের ভিজ্যুয়াল মেডিকেল আর্ট বিভাগ ওই ছবি রঙিন করা হয়। এরপরই যে ছবিটি চোখের সামনে আসে তা দেখে আশ্চর্য হন ল্যাবের বিজ্ঞানীরা।

কারণ করোনাভাইরাসের আণবিক চিত্রটি ২০০২ সালের আতঙ্ক সার্স ও ২০১২ সালের মার্স ভাইরাসের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায়। তবে এনআইএআইডি তাদের ব্লগে এর একটি ব্যাখ্যা জানিয়েছেন।

তারা বলছেন, এ ধরনের দ্রুত সংক্রমণযোগ্য ভাইরাসগুলো মাইক্রোস্কোপে প্রায় একইরকম দেখা যায়।

বিজ্ঞানীরা জানান, এই কাঁটাযুক্ত উপরিভাগের জন্যই করোনাভাইরাস পরিবারের নামে ‘করোনা’ যুক্ত হয়েছে। ল্যাটিন এই শব্দটির অর্থ ‘মুকুট’। ছবিতেও তা স্পষ্ট হয়েছে।

প্রসঙ্গত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথমবারের মতো ধরা পড়ে সিওভিআইড-১৯ করোনাভাইরাস। এরপর তা দ্রুত সংক্রমিত হয়ে বিশ্বের অন্তত ২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। শুক্রবার পর্যন্ত এ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৫২৬ জন। এ সংখ্যায় হংকং, ফিলিপিন ও জাপানের তিনজন রয়েছেন।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]