ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৮ মার্চ ২০২০ ১৩ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২৮ মার্চ ২০২০

বোলারদের কল্যাণে লড়াইয়ে পূর্বাঞ্চল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 7

শিরোপার লড়াই, সেই লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন ইমরুল কায়েস। পূর্বাঞ্চল দলপতির প্রত্যাশা ছিল বোলাররা দারুণ কিছু করে শুরুতেই এগিয়ে নেবে দলকে। কিসের কী, উল্টো তাদের নখদন্তহীন পারফরম্যান্সে দক্ষিণাঞ্চল গড়ে ৪৮৬ রানের পাহাড়। জবাব দিতে নেমে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৩ রানে অলআউট পূর্বাঞ্চল। এরপর সুযোগ থাকা সত্তে¡ও তাদের ফলোঅন করায়নি দক্ষিণাঞ্চল, নিজেরাই নামে ব্যাট হাতে। কিন্তু কাজটা যে ঠিক হয়নি, দলটি এখন তা হাড়ে হাড়েই টের পাচ্ছে। পূর্বাঞ্চলের যে বোলারদের নিয়ে প্রথম ইনিংসে ছেলেখেলায় মেতেছিলেন দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটসম্যানরা, এবার সেই বোলাররাই রীতিমতো নাভিশ^াস তুলে দিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ইতোমধ্যেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে তারা, ১২৫ রান নিয়ে শেষ করেছে তৃতীয় দিন।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চলমান বিসিএলের ফাইনালে প্রথম ইনিংসে পাওয়া ২১৩ রানের লিডের সঙ্গে ১২৫ মিলিয়ে ইতোমধ্যেই ৩৩৮ রানে এগিয়ে গেছে দক্ষিণাঞ্চল। জয়ের পাল্লাটা আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বাধীন দলটির দিকেই হেলে আছে। তবে যতটা হেলে থাকার কথা ছিল ততটা নয়। তিন পেসার আবু হায়দার রনি, হাসান মাহমুদ আর রুয়েল মিয়ার দুর্ধর্ষ বোলিংয়ে বেশ ভালোভাবেই লড়াইয়ে ফিরে এসেছে পূর্বাঞ্চল। তাদের দাপটের সামনে এবার মাথা তুলেই দাঁড়াতে পারেনি দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটসম্যানরা। স্রোতের বিপরীতে কিছুটা লড়াই করেছেন মেহেদী হাসান। ৪১ রানে অপরাজিত আছেন এই ব্যাটসম্যান। বাকিদের মধ্যে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ১৭ রানই সর্বোচ্চ। ১৬ রান করেছেন শামসুর রহমান। ৫১ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন আবু হায়দার। হাসান আর রুয়েল নিয়েছেন দুটো করে উইকেট, খরচ করেছেন সমান ২২ রান।
এর আগে ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে ব্যাটিং শুরু করে পূর্বাঞ্চল। দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিংয়ে প্রথম ঘণ্টা প্রায় কাটিয়েই দিয়েছিলেন আগের দিনে অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান আর আফিফ হোসেন। কিন্তু দলের খাতায় ১৪৬ রান জমা হতেই খেই হারান মাহমুদুল। তাকে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলেন রাজ্জাক। এরপর আফিফকে নিয়ে দারুণভাবে লড়াই করতে থাকেন এই ম্যাচেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষিক্ত তানজিদ হাসান। ৬৫ রানের জুটি গড়ে ওঠার পর আবারও আঘাত হানেন রাজ্জাক, এনামুল হকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৪৭ রান করা আফিফ। এরপর লড়াইটা এক তানজিদই করেছেন।
রাজ্জাকের ঘূর্ণিতে নাকাল হয়ে অন্য প্রান্তে সতীর্থরা যখন আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত, এক প্রান্ত আগলে তানজিদ খেলেছেন ৮২ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। ৭টি চার আর ২টি ছক্কায় ৮৭ বলের ইনিংসটি সাজান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে সদ্যই বিশ^কাপ জিতে ফেরা এই তরুণ। ১০২ রান খরচায় ৭ উইকেট নিয়েছেন রাজ্জাক।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]