ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১ এপ্রিল ২০২০ ১৭ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ১ এপ্রিল ২০২০

সিদ্ধান্ত আসতে পারে ২ মার্চ
পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ভারত
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৪৬ পিএম আপডেট: ২৭.০২.২০২০ ১২:১০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 16

পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ভারত। কারণ দেশটিতে এখন প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ১০ রুপিতে নেমে এসেছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের অনুরোধে দেশটির সরকার এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে পেঁয়াজ আমদানিকারকদের সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান, আগামী ২ মার্চ এ বিষয়ে ভারতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকের পরই ভারত পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পারে। ২ মার্চ বিকাল অথবা ৩ তারিখ থেকে বন্দর দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আমদানি হতে পারে।
এ বিষয়ে পেঁয়াজ আমদানিকারক ও হিলি আমদানি-রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-অর রশীদ বুধবার সময়ের আলোকে বলেন, ভারতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তারা আমাদের জানিয়েছেন, ২ মার্চ পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সে বৈঠকেই পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত আসতে পারে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে ৩ মার্চ থেকেই দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ ঢুকতে পারে।
হারুন-অর রশীদ বলেন, ‘আমরাও চাই ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিক। কারণ, দেশের বাজারে এখনও পেঁয়াজের
কেজি ১০০ টাকার ওপরে। দেশের মানুষকে কম দামে পেঁয়াজ দিতে হলে ভারত থেকে আমদানির বিকল্প নেই। তা ছাড়া ভারত থেকে কম দামে পেঁয়াজ আমদানির এখনই সুযোগ। কেননা সে দেশে এখন পেঁয়াজের কেজি ১০ রুপিতে নেমে এসেছে।’ তিনি আরও বলেন, আসলে ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা আরও আগেই ভারত সরকার প্রত্যাহার করে নিত। কিন্তু দেশটিতে এনআরসি নিয়ে সঙ্কট এত প্রকট যে এ বিষয়ে সরকারের মনোযোগ কম। তা ছাড়া প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি আসে দিল্লি থেকে। সেখানেও নির্বাচন ছিল। সব মিলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হতে দেরি হচ্ছে। কিন্তু এখন হয়তো সময় এসেছে সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহারের। কারণ দাম কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের চাপ রয়েছে সরকারের ওপর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের।
দেশে তো এখন নতুন পেঁয়াজ উঠছে, এ সময় ভারতীয় পেঁয়াজ আসলে কৃষকের লোকসান হবেÑ এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে না আসলে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকার নিচে নামবে না। এখন সরকারকে ভাবতে হবে, দেশের মানুষকে কম দামে পেঁয়াজ খাওয়াবে নাকি বেশি দামে। তা ছাড়া দাম বেশি না রেখে প্রণোদনা দিলে কৃষক পেঁয়াজ চাষে ঝাঁপিয়ে পড়বে। দেশে উৎপাদন বাড়লে তখন দামও ক্রেতার নাগালে থাকবে, আমাদের আর পেঁয়াজ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকতে হবে না।
প্রসঙ্গত, দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সঙ্কট দেখিয়ে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে ২৫০-২৮০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। বাজার সামাল দিতে সরকার মিয়ানমার, মিসর, পাকিস্তান, তুরস্ক, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]