ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১ এপ্রিল ২০২০ ১৭ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ১ এপ্রিল ২০২০

রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে মালদ্বীপও
লড়বেন প্রখ্যাত ব্রিটিশ মানবাধিকার কর্মী আমাল আমালুদ্দিন
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৫৭ পিএম আপডেট: ২৭.০২.২০২০ ১২:০২ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 80

রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) লড়ছে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এ লড়াইয়ে এবার যোগ দিচ্ছে মালদ্বীপ। সে জন্য ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্রটি আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে প্রখ্যাত ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী আমাল আলামুদ্দিনকে। যিনি হলিউডের মহাতারকা জর্জ ক্লুনির স্ত্রী। বিবিসি।
মঙ্গলবার মালদ্বীপ সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। মালদ্বীপের প্রস্তাব পেয়ে আমাল আলামুদ্দিন বলেন, ‘মিয়ানমারে সংঘটিত গণহত্যার জবাবদিহির বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে আছে। আমি রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টার অংশ হতে মুখিয়ে আছি।’
বিচারাধীন ওই মামলার চূড়ান্ত রায়ের জন্য নিরলস লড়ছে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। তাদের সে লড়াইয়ে মালদ্বীপের অংশগ্রহণ রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারপ্রাপ্তির সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে মনে করা হচ্ছে। মালদ্বীপ আইনজীবী হিসেবে যাকে নিয়োগ দিয়েছে, সেই আমাল আলামুদ্দিন বিশে^র বিভিন্ন দেশের বড় বড় মামলার আইনজীবী বা পরামর্শক হিসেবে লড়ে ফল পাইয়ে দিয়েছেন।
লেবানিজ বংশোদ্ভূত এ ব্রিটিশ আইনজীবীর মক্কেলদের তালিকায় আছেন মালদ্বীপেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট (বর্তমানে স্পিকার) মোহাম্মদ নাশিদ, উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী যুলিয়া ত্যমোশেঙ্কো, মিসরীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান সাংবাদিক মোহাম্মদ ফাহমি ও শান্তিতে নোবেলজয়ী নাদিয়া মুরাদ। নাশিদকে ২০১৫ সালে এক দুর্নীতি মামলায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও ওই সাজা থেকে তাকে নিস্তার পাইয়ে দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা ও ধর্ষণ শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে থাকে রোহিঙ্গারা। সেই দফায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে। তার আগে থেকে বাংলাদেশে আশ্রিত ছিল আরও ৪ লাখ রোহিঙ্গা।
নতুন করে মিয়ানমারের ওই দমন-পীড়ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে বিশ^ব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার এবং রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা চেয়ে নভেম্বর মাসে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে গাম্বিয়া। তাতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে জাতিসংঘের আদালত রায় দিয়েছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর লাগাম টেনে ধরতে হবে। আদালত বলেছে, সেনাবাহিনী কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের নিরাপত্তা বাহিনী যাতে গণহত্যা না চালায় কিংবা উসকানি না দেয় সে জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]