ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল ২০২০ ১৮ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল ২০২০

ঈশ্বরদীতে বিদেশিসহ হোম কোয়ারেন্টাইনে ৩৯৯, দামবৃদ্ধি ভোগ্যপণ্যের
জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০, ৫:৩৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 118

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বিভিন্ন জেলার করোনা পরিস্তিতি নিয়ে গণমাধ্যম তথ্য সরবরাহ করছে বিভিন্ন জেলা থেকে। সম্প্রতি পাবনা জেলাতে সরকারিভাবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্যমতে পাবনাতে বিদেশ থেকে দেশে আসা প্রবাসীর সংখ্যা ২ হাজার ৮ শত ৮৫ জন। জেলায় বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৩৯৯ জন।

গত চব্বিশ ঘন্টার ব্যবধানে হোম কোয়ারেন্টাইনে দেয়া হয়েছে ৩৩১ জনকে। এর মধ্যে পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলার রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত বিদেশীসহ বিদেশ থেকে আসা মোট ২৭৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এদিকে করোনা আতঙ্কে সাধারণ ক্রেতারা বাজারের ভোগ্যপণ্যে ক্রয়ের জন্য ভিড় করছে। আর এই সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের দাম বৃদ্ধি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পাবনার সিভিল সার্জন ডাঃ মেহেী ইকবাল জানান, জেলা বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে হত ২৪ ঘন্টায় সদর উপজেললায় ২২, আটঘরিয়ায় ৭, বেড়া ৭, চাটমোহরে ৪. ভাঙ্গুড়া ২, ফরিদপুরের ৭ এবং সুজানগরে ৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, প্রতিদিন হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আগামীকাল থেকে এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে জনসচেতনতা বৃুদ্ধির জন্য পাবনা জেলা প্রশাসক দুপুরে মাইকিং করে জেলায় সমস্ত সভা, সেমিনার, মিটিং, আলোচনাসভাসহ সকল প্রকারের আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিটি অঞ্চলে জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে প্রবাসীদের উপর হোম কোয়ারেন্টাইনের নজর রাখছেন। আইন অমান্য কারীকে কঠোরভাবে সাজা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে করোনা ভাইরাসের সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে বাড়তি মুনাফা নেয়ার চেষ্টা করছে। গতকাল পাবনা বাজার গুলোতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে চাউলের দোকানসহ মুদি খানার দোকানে বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করতে দেখা দেখে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ পাইকার এবং খুচরা বিক্রেতারা ক্রেতা উপস্থিতি বুঝতে পেরে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে। অসহায় সাধারণ মানুষ বাড়তি দাম দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয় করতে দেখা যায়। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করলেও বাজার থেকে চলে আসার পরে আবারো দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে বিক্রেতারা। তবে এই অবস্থায় বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে জোড়দার করা জরুরী বলে মনে করছেন সাধারণ ভোক্তারা।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]