ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২০ ২৪ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২০

কাপাসিয়ায় বিক্রি হচ্ছে শপিং ব্যাগ থেকে তৈরি করা মাস্ক
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২০, ১০:২৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 68

করোনাভাইরাস নিয়ে সারা দেশে জনমতে আতঙ্ক। সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে মানুষ কিনছে মাস্ক। ব্যাপক চাহিদা থাকায় ফার্মেসি, মুদি, কাপড়ের দোকানসহ ফুটপাথে বিক্রি হচ্ছে এসব মাস্ক। নানা ডিজাইনের মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে। অলিতে গলিতে বিক্রি করা মাস্কের মাধ্যমে সড়কে চলাচলের সময় ধুলাবালি ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ সম্ভম হলেও কোনো প্রকার ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
সরেজমিন কাপাসিয়া সদর বাজারে দেখা গেছে, করোনা আতঙ্কে প্রায় সব দোকান পাট বন্ধ থাকলেও সড়কের মোড়ে মোড়ে বিক্রি করা হচ্ছে মাস্ক। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারাও মাস্ক বিক্রির জন্য বাড়ি বাড়ি ঘুরছে। হরেক রকমের রং ও ডিজাইন দেখে গ্রামের সাধারণ মানুষ কার্যকারিতা না বুঝেই ক্রয় করছেন। মাস্কগুলো কিছু কাপাড়ের তৈরি আবার কিছু শপিং ব্যাগে ব্যবহৃত পেপার থেকে তৈরি। ব্যাগ থেকে তৈরি করা এসব নিম্নমানের মাস্কগুলোর ভেতরে একাধিক লেয়ার দিয়ে উন্নত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব মাস্কে থাকা ফিল্টারগুলোও অকেজো। বাতাস না ঢোকতে পারার কারণে শ^াস নিতে কষ্ট হয়। মান নিশ্চিত না করে অতিরিক্ত লাভের আশায় মাস্ক বাজারে সরবরাহ করছে এক শ্রেণির অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী। সঙ্কট দেখিয়ে মাস্কেও দামও রাখা হচ্ছে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ।
উপজেলার সদর বাজারে কথা হয় রাওনাট গ্রামের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে। মাস্ক বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনটি ভালো কোনটি খারাপ তা বুঝার উপায় কি? দেখতে তো এগুলো অনেক সুন্দর।
কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, বাজারে ভাইরাস প্রতিরোধেক মাস্ক নেই বললেই চলে। শপিং ব্যাগ থেকেও তৈরি করা হচ্ছে কিছু মাস্ক। বাজারে মাস্কের সঙ্কট থাকায় মানুষ তা ক্রয় করছে। আসল সার্জিকাল মাস্কও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই মানুষকে সচেতনার সঙ্গে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]