ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ৫ এপ্রিল ২০২০ ২১ চৈত্র ১৪২৬
ই-পেপার রোববার ৫ এপ্রিল ২০২০

‘কোভিড ১৯’-এর ভয়াবহ রূপ দেখলে আতঙ্কিত হতে হয়
শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২০, ১১:০৫ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 21

আমাদের দেশের একশ্রেণির রাজনীতিবিদের কথা শুনলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের দল মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলি। কথায় বলে না অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর। আমাদের অবস্থাটাও এ রকমই। সারা পৃথিবীর মানুষ এখন করোনাভাইরাসের আতঙ্কে ভুগছে। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ইরানসহ পৃথিবীর ১৯৬টি দেশে জানা মতে করোনাভাইরাস মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। তাতে অনেক লোকের প্রাণহানি ঘটছে। পরিসংখ্যান মতে সাড়ে ২১ হাজারেরও অধিক মানুষ মারা গেছে এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ১০ হাজারের মতো। যদিও বলা হচ্ছে যে, এই করোনাভাইরাস তাদেরকেই বেশি আক্রান্ত করছে যারা শিশু কিংবা যাদের বয়স বেশি। আর যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এই প্রকৃতির মানুষেরাও করোনাভাইরাসের লক্ষ্যতে পরিণত হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার সংবাদসমূহ পাঠ করলে বোঝা যায় যে, এই করোনাভাইরাসের আতঙ্কে যেভাবে পৃথিবীর মানুষ কাতর হচ্ছে, সেই অনুপাতে মৃত্যুর হার খুবই কম। এক সংবাদ ভাষ্যে বলা হয় যে, করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার এখন পর্যন্ত ২ শতাংশ। আবার বলা হচ্ছে যে, এই ভাইরাসের এমন অনেক রোগী হয়তো আছে, যারা হাসপাতালে যায়নি। যাদের হিসাব হয়তো যথাযথ কর্তৃপক্ষ রাখেনি। সেসব রোগীরা বাড়িতেই প্রাণ হারিয়েছে। সেই হিসাবে অর্থাৎ বাড়িতে যারা করোনাভাইরাসের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছে তাদের সংখ্যা হবে ১.৪ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যায় করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার হবে ৩.৪ শতাংশ। কেন জানি মনে হয় একটি মহল সচেতনভাবেই করোনাভাইরাসের ভয়ঙ্কর আতঙ্ক সারা
পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিচ্ছে। চীন থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ থাকলেও, চীন কিন্তু আপদকালীন সময়ের জন্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যেসব হাসপাতাল তৈরি করেছিল, সেসব হাসপাতাল এখন তুলে নিচ্ছে। চীনে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা এখন শূন্যের কোঠায়। অর্থাৎ তাদের দেশে ক্রমান্বয়ে রোগ নিরাময় হয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং মেডিকেল জার্নালগুলোর হিসাব মিলিয়ে দেখি, দেখা যাবে আক্রান্ত রোগী অনুযায়ী সারা পৃথিবীতে অনেক কম মানুষ মারা যাচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ যেসব বিষয়ে জ্ঞান রাখি না, সেসব বিষয় নিয়ে আতঙ্কিত কথাবার্তা উঠলে যাব কোথায়। আমরাতো সাধারণ মানুষের দলÑ ‘কোভিড-১৯’-এর ভয়াবহ রূপ পত্র-পত্রিকায় দেখলে আতঙ্কিত হবই।
এবার আসা যাক আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের অদ্ভুত আচার-আচরণ নিয়ে কিছু কথাবার্তায়। আমাদের দেশের এক শ্রেণির রাজনীতিবিদ আজকের দিনে যে একেবারে দেউলিয়া হয়ে গেছেন তা বোঝা যায়, তাদের করোনাভাইরাস নিয়ে নিয়ন্ত্রণহীন অদ্ভুত
কথাবার্তা শুনে। যারা দেউলিয়া তারা যখন সব হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়, তখন সে যা হাতের কাছে পায় তা নিয়েই তার বাকি জীবনটা চালিয়ে নিতে চায়। মনে করে কিছু করার এবং কিছু বলার যেমন তেমন কিছুই নেই, হাতের কাছে যা পাই কিংবা যা সামনে দেখি তা নিয়েই কথা বলে সমাজে টিকে থাকার চেষ্টা করাই ভালো। যারা সংবাদপত্র পাঠ করে, তারা নিশ্চয়ই লক্ষ করছে যে, দেশের মানুষ করোনাভাইরাসের আতঙ্কে পাঁচ টাকার মাস্ক চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকায় ক্রয় করছে, তখন আমাদের দেশের একশ্রেণির অতি দেউলিয়া রাজনীতিবিদ দেশের মানুষকে আাশার বাণী না শুনিয়ে, তারা এই জীবনঘাতী করোনাভাইরাস নিয়েও বিভিন্ন রাজনীতি শুরু করেছেন। ভাবখানা এমন সবইতো গেল, এবার দেখি করোনাভাইরাসের আতঙ্ক নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে রাজনীতিতে টিকে থাকা যায় কি না। কোথায় তারা দেশের মানুষকে সচেতন করার জন্য জীবনমুখী আশাবাদের কথা শুনিয়ে মানুষকে আতঙ্কমুক্ত করে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় তারা তার উল্টোটা করছেন। তারাতো অর্থাৎ দেউলিয়া নেতারা তাদের দায়িত্ব পালন করছেনই না, উপরন্ত অর্থহীন কথাবার্তা বলে দেশের মানুষকে আরও বেশি করে মৃত্যু যন্ত্রণার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। দেশের মানুষ এখনও বুঝতে পারছে না আমাদের দেশের একশ্রেণির রাজনীতিবিদরা আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে কী মনে করেন। তারা কি ভাবেন এদেশের মানুষ এত বোকা যে, তারা তাদের নিজের ভালো-মন্দ বুঝবে না? আমাদের দেশের হীনস্বার্থ উদ্বারকারী রাজনীতিবিদদের একটা কথা মনে রাখা উচিত পৃথিবী এখন শাসন করছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। মানুষ সেই প্রযুক্তির আশীর্বাদে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে পাঁচ মিনিট আগে ঘটে যাওয়া শুভ ও অশুভ ঘটনাগুলোর আদ্যোপান্ত জেনে যাচ্ছে। মানুষকে এখনও আগের মতো বোকা ভাবা ঠিক হবে না। মানুষ আগের মতো আর সহজ নয়। আর বেশিদিন দূরে যেতে হবে না মানুষের রাজত্ব মানুষ ঠিকই কায়েম করবে। মানুষ ঠিকই তার ভাগ্য নিজের আপন গতিতে গড়ে তুলবে। তাদের ভাগ্য নিয়ে তারা দেশের দেউলিয়া রাজনীতিবিদদেরকে আর ফুটবল খেলতে দেবে না। এদেশের জনগণ কিছুটা হলেও দেশের কিছুসংখ্যক দেউলিয়া রাজনীতিবিদের নোংরা কদাকার মুখচ্ছবি দেখে বুঝে নিতে পারে নীতিহীন রাজনীতিবিদরা দেশের মানুষের বন্ধু নয়। তারা গণশত্রæ। এই শ্রেণির রাজনীতিবিদরা শুধু ব্যস্ত থাকেন নিজেদের লাভ লোকসানের হিসাব নিয়ে। আমাদের সমাজ এবং রাষ্ট্রের নোংরা রাজনীতিবিদদের মনে রাখতে হবে, মানুষ এখন তাদেরকে যতটা ভয় পায়, তার চেয়ে অনেক কম শ্রদ্ধা করে। আমরাতো দেখেছি আগে সুশীল ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করতে গিয়ে তাদের ঘর-বাড়ি, জমি-জমা হারিয়েছেন। সুশীল রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করতে গিয়ে তাদের নিজেদের জায়গা-জমি দেশের সাধারণ মানুষকে কিংবা সাধারণ মানুষের কল্যাণে স্বার্থহীনভাবে বিলিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে দেখা যায়, একশ্রেণির নীতিবিহীন হীনস্বার্থ উদ্বারকারী রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করে অনেক সম্পদের মালিক হয়ে যান। যাদের সুন্দর ঘর-বাড়ি ছিল না তাদের সুন্দর ঘর-বাড়ি হয়। যাদের গাড়ি ছিল না তারা গাড়ির মালিক হয়ে যায়। দেশের অনেক মানুষই মনে করে রাজনীতি হলো এখন ব্যবসার মাধ্যম। আলু-বেগুনের ব্যবসা করে অনেক ব্যবসায়ী যেমন অনেক টাকার মালিক হয়ে যায়, ঠিক তেমনি দেশের একশ্রেণির রাজনীতিবিদ রাজনীতির আড়ালে কিংবা নীতিহীন রাজনীতির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব খাটিয়ে অনেক অর্থবিত্তের মালিক হয়ে থাকে। এই শ্রেণির রাজনীতিবিদরা দেশের মানুষের চরম সর্বনাশ ঘটিয়ে নিজেদের লাভের পাল্লা ভারী করে থাকে।
করোনাভাইরাস নিয়ে দেশের মাঝে এখন নোংরা রাজনীতি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। কেউ কেউ অর্থাৎ একশ্রেণির দায়িত্বহীন রাজনীতিবিদরা অভিযোগ করছে সরকার দেশের মানুষকে এই করোনাভাইরাসের ব্যাপারে অন্ধকারে রাখছে। সরকার নিজেদের স্বার্থে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী দেশে থাকা সত্তে¡ও শনাক্ত করছে না। মুজিব বর্ষে আমরা দেশের মানুষ ভালো থাকতে চাই। আমরা দেশের মানুষ নোংরা রাজনীতি থেকে মুক্তি চাই। ক্ষমতার রাজনীতি করতে গিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কর্মকাÐ আমরা দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে আশা করি না। আমাদের নেতাদের মনে রাখতে হবেÑ ব্যক্তি, দল এবং ক্ষমতার রাজনীতি থেকে আমার এই মাতৃভ‚মির অবস্থান অনেক ওপরে। এ কথা তো সবাই স্বীকার করব মাতৃদুগ্ধ পান করতে গেলে মাকে বেঁচে থাকতে হবে। ঠিক তেমনি দেশে সুস্থ রাজনীতির ধারা প্রবাহিত হলেই দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি দেশ এবং দেশের বাইরে অধিক থেকে অধিকতর উজ্জ্বল হবে। দেশের মানুষ এমনিতেই অনেক সমস্যার জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে যদি আমাদের নেতারা কথা বলেন তাহলেই শুধু দেশের মানুষ তাদেরকে সাধুবাদ জানাবে। করোনাভাইরাসের মতো জীবনঘাতী ভাইরাস নিয়ে নোংরা পচা রাজনীতি করে শুধু দেশের মান-সম্মানই নষ্ট করা যাবে। দেশের জন্য তা কোনো রকম সুখবর নিয়ে আসবে না। তাই বলছিলাম, একশ্রেণির বিরোধী রাজনীতিবিদদের উচিত হবে করোনাভাইরাস নিয়ে নেতিবাচক রাজনীতি না করে দেশের বিভিন্ন অফিস চত্বরে যে দুর্নীতির বাজার বসছে তা নিয়ে কথা বলা।
বিদেশি অতিথিরা আসবে তাই সরকার করোনাভাইরাস নিয়ে সক্রিয় হচ্ছে না। কিন্তু যখন দেখা গেল সরকার করোনাভাইরাসের মতো ভয়ঙ্কর ভাইরাসের যাতে প্রাদুর্ভাব না ঘটে, সে ব্যাপারে তাদের দায়-দায়িত্ব পালন করতে শুরু করল, দেশের মানুষকে বিভিন্নভাবে করোনাভাইরাসের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিতে লাগল, তখনই বিরোধী রাজনীতিবিদরা এই বলে চিৎকার শুরু করলেন যে, মুজিব বর্ষে বিদেশি অতিথিরা আসবেন না তাই সরকার এখন করোনাভাইরাস নিয়ে সক্রিয় হচ্ছে। করোনাভাইরাসের রোগীদের ব্যাপারে খবরা-খবর নিচ্ছে। এতদিন নিজেদের স্বার্থে সরকার জীবনঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে কথাবার্তা বলতে চায়নি। একবার চিন্তা করে দেখুন, এসব আত্মঘাতী রাজনীতিবিদরা নিজেদের স্বার্থে দেশের ভাবমূর্তিটুকু কোন পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের নীতিহীন রাজনীতিবিদদের অভিযোগটার যদি আমরা বিচার বিশ্লেষণ করতে যাই, তাহলে দেখব তাদের এসব অভিযোগ প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। কথায় বলে না, নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করা একশ্রেণির লোকের স্বভাব। আমাদের দেউলিয়া রাজনীতিবিদদের অবস্থাও দাঁড়িয়েছে সে রকম। তারাও চান নিজেদেরকে অন্যের কাছে ছোট করে সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে। সরকার যদি বিদেশি অতিথিদের কাছে গোপন করার জন্য করোনাভাইরাসের ব্যাপারে নীরব থাকে। আর পরে যদি বিদেশি অতিথিদের কাছে প্রতীয়মান হতো সরকার ইচ্ছে করে করোনাভাইরাসের ব্যাপারে নীরব থেকেছে, তাহলে কি আগত বিদেশি অতিথিরা সরকারের করোনাভাইরাসের ব্যাপারে নীরবতাকে ভালো চোখে দেখতেন! তারপর কি আমাদের দেশের সঙ্গে সেসব দেশের সম্পর্ক মধুর থাকত। সরকারকি এত বোকা, কিংবা সরকারের কর্তা ব্যাক্তিরা কি জেনে বুঝে এমন কাজ করতে পারে? বিজ্ঞজনরা বলেন, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। আমাদের দেশের বিবেকহীন রাজনীতিবিদদের অবস্থাও এমনই দাঁড়িয়েছে। যার ব্যাখ্যা সচেতন পাঠক/পাঠিকার কাছে দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তারা ঠিকই বুঝবেন জ্ঞান বুদ্ধিহীন রাজনীতিবিদরা কোন মনোবেদনা নিয়ে রাজনীতি করছেন। আমরা দেশের মানুষ ভালো থাকতে চাই। আমরা দেশের মানুষ নোংরা রাজনীতি থেকে মুক্তি চাই। ক্ষমতার রাজনীতি করতে গিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কর্মকাÐ আমরা দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে আশা করি না। আমাদের নেতাদের মনে রাখতে হবে ব্যক্তি, দল এবং ক্ষমতার রাজনীতি থেকে আমার এই মাতৃভ‚মির অবস্থান অনেক ওপরে। এ কথাতো সবাই স্বীকার করব মাতৃদুগ্ধ পান করতে গেলে মাকে বেঁচে থাকতে হবে। ঠিক তেমনি দেশে সুস্থ রাজনীতির ধারা প্রবাহিত হলেই দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি দেশ এবং দেশের বাইরে অধিক থেকে অধিকতর উজ্জ্বল হবে। দেশের মানুষ এমনিতেই অনেক সমস্যার জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে যদি আমাদের নেতারা কথা বলেন তাহলেই শুধু দেশের মানুষ তাদেরকে সাধুবাদ জানাবে। করোনাভাইরাসের মতো জীবনঘাতী ভাইরাস নিয়ে নোংরা পচা রাজনীতি করে শুধু দেশের মান-সম্মানই নষ্ট করা যাবে। দেশের জন্য তা কোনো রকম সুখবর নিয়ে আসবে না। তাই বলছিলাম, একশ্রেণির বিরোধী রাজনীতিবিদদের উচিত হবে করোনাভাইরাস নিয়ে নেতিবাচক রাজনীতি না করে দেশের বিভিন্ন অফিস চত্বরে যে দুর্নীতির বাজার বসছে তা নিয়ে কথা বলা। অবশ্য যে দুর্নীতির বাজার আমাদের বিরোধী রাজনীতিবিদরা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখনও ছিল। আমরা দেশের মানুষ রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে ইতিবাচক রাজনীতি কামনা করি। করোনাভাইরাস নিয়ে নোংরা পচা রাজনীতি আশা করি না। কেননা করোনাভাইরাস নিয়ে নোংরা রাজনীতি দেশের রাজনীতির মাঝে রাজনৈতিক করোনাভাইরাস ছড়াবে, যা দেশের মানুষের কাছে মঙ্গলজনক হবে না। শুধু অমঙ্গলই বয়ে আনবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]