ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ৩১ মে ২০২০ ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার রোববার ৩১ মে ২০২০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিকল্প
মায়ের মোবাইলে বার্তা যাবে প্রাথমিকের শিশুদের
এম মামুন হোসেন
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০, ১১:১৫ পিএম আপডেট: ২৮.০৩.২০২০ ১২:৩৭ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 42

করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ছুটির ফাঁদে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিকল্প খুঁজছে সরকার। লম্বা সময় শিক্ষার্থীদের বিকল্প পদ্ধতিতে পাঠদান করতে বিভিন্ন উপায় খুঁজছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে রেকর্ডিং ক্লাস প্রচার করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে যেতে প্রাথমিকে অধ্যয়নরত ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইলে ইউনিক এসএমএস (খুদেবার্তা) পাঠানো হবে। এ বার্তায় শিশুদের ঘরের বাইরে বের না হওয়া ও শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়ার মতো কিছু নির্দেশনা থাকবে।
আগামী সপ্তাহে এই এসএমএম পাঠানো হতে পারে জানিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর কারণে বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হবে। এরই অংশ হিসেবে আপাতত খুদেবার্তার মাধ্যমে বাচ্চাদের নিয়মিত পড়ালেখা করাতে ১ কোটি ৪০ লাখ শিশুর মায়েদের কাছে বিটিসিএলের মাধ্যমে  এসএমএস পাঠানো হবে। ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে নিয়মিত সংসদ টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে সিলেবাস অনুযায়ী শ্রেণি পাঠের ক্লাস সম্প্রচার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের সেরা মানের শিক্ষকদের দ্বারা ভিডিও রেকর্ডিং করে তা সম্প্রচার করা হবে। নিয়মিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের করা মোবাইলে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া মনিটরিং করতে বলা হয়েছে। এসব বিষয় বাস্তবায়নে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ের মতো টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস করানো প্রাথমিক পর্যায়ে কঠিন। কারণ এটা করতে হলে সবার বাসায় টেলিভিশন, ডিশ লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু মফস্বলের অনেক এলাকায় এ তিনটির কোনোটিই নেই। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা ঠিক হবে। বন্ধের সময়টুকুতে মাধ্যমিকের চেয়ে প্রাথমিকের ক্ষতির পরিমাণ কম হবে। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক টাচে রাখতে এ টু আইর প্রযুক্তিগত সহায়তায় বিকল্প পদ্ধতি খোঁজা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের সব জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন। সেখানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের মায়েদের মোবাইলে ইউনিক এসএমএস পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান সচিব।
তিনি বলেন, দেশের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মায়েদের মোবাইলে একটি ইউনিক এসএমএস পাঠানো হবে। এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যা পড়ানো হয়েছে, যা পড়ানোর কথা ছিল তা বন্ধের মধ্যে মায়েদের তত্ত্বাবধানে ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে বলা হবে। এই এসএমএসটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।











সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]