ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ৩ জুন ২০২০ ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার  বুধবার ৩ জুন ২০২০

মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটকে বানানো হচ্ছে করোনা হাসপাতাল
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: রোববার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ৩:৫৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 149

নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ছয় বছর আগে। কিন্তু চালু হয়নি মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেট। করোনা সঙ্কটের এই সময়ে সেই মার্কেটকে করোনা হাসপাতাল বানাতে চায় সরকার। থাকবে তিনি হাজার শয্যা।

সব ঠিক থাকলে শিগগিরই এই হাসপাতাল তৈরি হবে। বৈশ্বিক এই মহামারিকে বাংলাদেশে মোকাবিলায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় বড় হাসপাতালগুলোর সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ হাসপাতাল চালু হতে সময় লাগতে পারে সর্বোচ্চ এক মাস। এমনটিই জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে। তখন দেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে সমস্যা অনেকটাই কেটে যাবে বলে মনে করেন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসির মালিকানাধীন ২১ বিঘা ১১ কাঠা জমির ওপর মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়। এতে রয়েছে গাড়ি পার্কিং ও ময়লার ডাম্পিংয়ের স্থান, কসাইখানা, লিফট ও জেনারেটর। দোকান রয়েছে ১ হাজার ১৬৩টি। এর মধ্যে ৩৬০টি কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্য বরাদ্দ। বাকি ৮০৩টি দোকান লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়ার কথা।

ফলে ছয় বছর ধরে পড়ে আছে ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মার্কেটটি। দীর্ঘদিন এভাবে পড়ে থাকায় মার্কেটের বিভিন্ন জায়গায় পলেস্তারা ও টাইলস উঠে গেছে, কাচ ভেঙে গেছে। কবে নাগাদ মার্কেটটি চালু হবে, বলতে পারছেন না ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বর্তমানে মার্কেটটি নিয়ে বিপাকে পড়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। বারবার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে, রাস্তায় বিলবোর্ড টাঙিয়েও ব্যবসায়ীদের ওই মার্কেটের বিষয়ে আগ্রহী করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় মার্কেটটি নিয়ে কী করবেন, কিছুই বুঝতে পারছেন না ডিএনসিসির কর্মকর্তারা।

করোনা চিকিৎসার জন্য রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ২০০ ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা যোগ করারও পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়,  ঢাকার বাইরে বড় বড় চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোও পরিবর্তিত পরিস্থতিতে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তরের চিন্তা-ভাবনা আছে তাদের।

এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে। এছাড়াও আরও সাতটি হাসপাতাল ঠিক করা হয়েছে। সেসব হাসপাতালে চিকিৎসা পাবে শুধু করোনা আক্রান্ত রোগীরাই। এছাড়াও কুর্মিটোলা, মুগদা ও সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের কিছু অংশে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তবে কুর্মিটোলা হাসপাতালকে দ্রুত করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রস্তুত করার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল আমিনুল হাসান। তিনি বলেন, ‘কুর্মিটোলাকে এক হাজার বেডে উন্নীত করে সেখানে শুধু করোনা আক্রান্তদেরই চিকিৎসা দেওয়া হবে।

এছাড়া দুইশ ভেন্টিলেটর বসানো হবে। মহাখালী মার্কেট ছাড়াও বড় বড় বেশ কিছু স্থাপনা করোনা রোগীদের প্রস্তুত করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ পরিচালক। 




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]