ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০

কোয়ারেন্টাইনে নারায়ণগঞ্জের ডিসি, এসপি ও সিভিল সার্জন
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:১২ এএম আপডেট: ০৯.০৪.২০২০ ১:২৫ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 1411

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও সিভিল সার্জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। জেলাকে যখন লকডাউন ঘোষণা করা হয়, তখন জেলার শীর্ষ এই কর্মকর্তারাও আর বের হতে পারছেন না। করোনার ঝুঁকিতে পড়ে তাদেরকেও কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। এমনকি করোনা ফোকাল পারসন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাও বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন।

জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিনের শরীরে করোনা হানা দিয়েছে কি না তা জানার জন্য বুধবার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে আইইডিসিআরে।

জেলা প্রশাসনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত থেকে অসুস্থবোধ করেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন। বুধবার সারাদিন তিনি অফিস করেননি। বাসাতেই বিশ্রাম নিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীলরা তার বাসা থেকেই করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে  আইইডিসিআরে পাঠায়। জেলা প্রশাসক জেলার করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতিও।

এ বিষয়ে জানার জন্য তার মোবাইলে ফোন করা হলে ফোন রিসিভ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা। তিনি জানান, ডিসি মহোদয় বাসায় অবস্থান করছেন। জনসমাগম কম যেনো হয়, সেজন্য তিনি অফিসে আসেননি। তবে সব কার্যক্রম ঠিকভাবেই চলছে।

পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমও হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন বলে জানা গেছে। তবে তার সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমি বাড়িতে অফিস করছি। তবে আমি সুস্থ আছি, কোয়ারেন্টাইনে নেই। তবে ডিসি ও সিভিল সার্জন একটু অসুস্থ।’ সবার সামাজিক দুরত্ব মেনে চলার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্যসচিব ও জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ কোয়ারেন্টাইন শুরু করেছেন বুধবার থেকে। এ ছাড়া জেলা করোনা ফোকাল পারসন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম করোনা সন্দেহে বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন এবং জেলা করোনা ফোকাল পারসন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম তারা কেউ বুধবার অফিসে যাননি। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজের কাছে জানতে চাইলে কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা তিনি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘বাসায় বসে অফিস করছি। টেলিফোনে নির্দেশ দিচ্ছি।’

কোনো জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার খবর এটিই প্রথম।

এদিকে জেলা ফোকাল পারসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, তার শরীর ভালো না। তিনি অসুস্থ। তিনি পুরোপুরি আইসোলেশনে আছেন। মোবাইলে যতোটুকু সম্ভব হচ্ছে অফিস চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার থেকেই নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নারীসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয়সহ মোট ৪৩ জন। তাঁরা আইইডিসিআরের অধীনে চিকিৎসাধীন। ঢাকার পরে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ‘ক্লাস্টার’ হিসেবে নায়ারগঞ্জকে চিহ্নিত করেছে আইইডিসিআর। 




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]