ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ৩১ মে ২০২০ ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার রোববার ৩১ মে ২০২০

মানবিকতার বাড়ি কই
অধ্যাপক মালেকা আক্তার চৌধুরী , সরকারি তিতুমীর কলেজ ঢাকা
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০, ১:৩২ পিএম আপডেট: ০৭.০৫.২০২০ ২:৩৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 910

চরম হতাশা আর ব্যথিত মন নিয়ে গত ক"দিন ধরেই দুটো হৃদয় বিদারক মৃত্যু আমাকে বিদ্যমান সমাজের অমানবিকতা তথা চিকিৎসা ব্যবস্হার প‌্রতি চরম আতঙ্ক তৈরি করে দিয়েছে । করোনা ভাইরাস বিস্তারের এ মহাক্রান্তিকালে এমন করুণ মৃত্যু যে কোনো মানবিক মনকে অসহিষ্ণু - অস্হির করে তুলতে বাধ্য। ঘটনাক্রমে দু" দুটো মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার দুজন সম্মানিত নারী । নাহ! কোনো নারীবাদী কথা নয় , দুটো মায়ের অকালে অসহায়ভাবে ঝরে পড়ার এক করুণ চিত্র তুলে ধরতে চাইছি । মানবতার স্তর কোন খাদের কিনারে কতোটা গড়ালে মানুষ এমন নীতিহীন , অনৈতিক হতে পারে ?
প‌্রথম ঘটনাটি যেদিন এক পরিচিত ছোটোবোনের টাইম লাইনের পোস্টে পড়ছিলাম সেদিন আমি নিজেই অসুস্হ বোধ করেছি এবং পত্রিকা হাতেই শুয়ে পড়েছি । চলছে লক ডাউনের নিষেধাজ্ঞা , এমতাবস্থায় বাচ্চাদের শরীর খারাপের বিষয়টা জানালে পড়তে হবে মহা বিপত্তিতে, পড়তে হতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ভয়ঙ্কর এক পরিস্হিতিতে । সেটি ভেবে অসুস্হতার বিষয়টি নিজেই চেপে যাই এবং নিজেকে সামলে নেই ।

ঠিক ঘটনার একদিন বা দু" দিন পর সজল আশফাক নামে এক চিকিৎসক  ২২ এপ‌্রিল তারিখে বাংলাদেশ প‌্রতিদিনের প‌্রথম পাতায় ""এটা কী মৃত্যু না- কি হত্যা?" শিরোনামে কথিত সেই পোস্টটি দিয়ে রিপোর্ট করেছেন । ডাঃ সজল আশফাকের বক্তব্য অনুযায়ী সম্মানিত মরহুম সেই ভদ‌্রমহিলা উচ্চশিক্ষিতা , জনপ‌্রিয় সাবেক বেগম পত্রিকার নিয়মিত একজন লেখিকা এবং একজন মা । জানা যায় , তিনি সামান্য জ্বর - কাশি নিয়ে বাসায় অবস্হান করছিলেন এবং বিদেশে স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন । যেহেতু করোনা আতঙ্কে হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলিতে নিয়মিত ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছিলো না ।  কিন্ত তাঁর শারীরিক অবস্হার অবনতি হলে পরিবারের লোকজন নিকটস্হ হাসপাতালে কিছু টেস্ট করান এবং সেখানকার চিকিৎসকদের সন্দেহের উদ‌্রেক হলে রোগীকে কোভিড - ১৯ পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত তিনটি হাসপাতালের একটিতে ভর্তির পরামর্শ দেন । অ্যাম্বুলেন্সের তীব‌্র সংকট সত্বেও চড়াদাম দিয়ে কুর্মিটোলা কোভিড হসপিটালে রোগীকে নিয়ে যান । উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ এবং টেলিফোনের প‌্রেক্ষিতে তাঁকে ভর্তি করিয়ে আইসোলেশনে পাঠানো হয় । ১৯ এপ‌্রিল , রোগী প‌্রায় অচেতন তবুও ইশারা করে ছেলের দিকে খাবারের আকুতি জানায় । কিন্ত অসহায় সন্তানটি না পেলো কোনো খাবার না পেলো মায়ের  খোঁজ নেবার মতো কোনো হসপিটাল সম্পৃক্ত কাউকে । বিপদগ‌্রস্ত সন্তানটি কাঁদতে কাঁদতে নিজেই মায়ের কাছে ছুটে গিয়ে দেখে  মুখে লাগানো ঢিলেঢালা অক্সিজেন মাস্কটি মায়ের মুখের পাশে পড়ে রয়েছে ; সেটি তুলে দেবারও কেউ নেই । ইতিমধ্যে পরিজনদের সহায়তায় কোভিড ১৯ " পরীক্ষার জন্য স্যাম্পল নেয়া হয় সেই নারীর ; অতঃপর নেয়া হলো  আইসিইউ তেও কিন্ত বিপর্যয় বাঁধালো টেস্টের রিপোর্ট হাতে না পাওয়ার বিষয়টি । পুনরায় সেবাদানকারীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই মুমূর্ষু রোগীটিকে তৎক্ষনাৎ আইসিইউ থেকে আইসোলেশনের উদ্দেশ্যে ৬ তলায় নেয়া হয় । ইতিমধ্যে রোগীর চরম অবস্হা । ক্ষুধার পেটে নিস্তেজ দেহে দু" দুবার ছয়তলা - একতলা করতেই রোগীর বারোটা কনফার্ম ।  দেখারও কেউ নেই । অপ‌্রতুল চিকিৎসক - স্বাস্হ্যকর্মীই  শুধু নয় চরম অব্যবস্হাপনা এবং সমন্বয়হীনতাও এর জন্য দায়ী । চিকিৎসার নামে এমন নানামুখী টানাপোড়েন আর নিষ্ঠুরতার কাছে অবশেষে এপ‌্রিলের ২০ তারিখে ঐ নারী  সবাইকে মুক্তি দিয়ে করুণ জীবনের চিত্র এঁকে চির আইসোলেশনে পাড়ি জমান । সমাপ্তি ঘটে এক জীবন যোদ্ধার । হায় করোনা !

দ্বতীয় ঘটনাটিও চরম অব্যবস্হাপনা এবং মুনাফালোভীদের কালো থাবার শিকার আমার সম্মানিত সহকর্মী জনাব কামাল হায়দারের মমতাময়ী মা । চিকিৎসা সেবায় এই মূহুর্তে স্বাভাবিকতা না থাকায় খালাম্মাকে তাঁর ডাক্তার সন্তানেরা নিউমোনিয়ার চিকিৎসা বাড়িতেই দিতে থাকেন । কিন্ত ওনার শারীরিক অবস্হা যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিলো তখন উপায়ন্তর না দেখে স্বজনেরা ঢাকার বিখ্যাত অ্যাপোলো হাসপাতালে উন্নত সেবার উদ্দেশ্যে নিয়ে গেলেও কোভিড- ১৯ পরীক্ষার সনদপত্র না থাকায় কোনো হাসপাতাল তাঁর ভর্তি নেয়নি বিধায় উত্তরার পরিচিত এক ক্লিনিকে দ‌্রুত ভর্তি করিয়ে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্হা করা হয় । পরবর্তীতে ওই দিনই  IEDCR থেকে স্যাম্পল নেয়ার ব্যবস্হা করে কোভিড - ১৯  পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে । আমার সহকর্মী এবং তাঁর পরিজনেরা এতে মানসিক শক্তি লাভ করেন এইভেবে যে উন্নত চিকিৎসায় তাঁদের প‌্রাণপ‌্রিয় মা সুস্হ হয়ে উঠবেন । রোগীকে ঐ অবস্হায় ঢাকার নামকরা ইউনাইটেড হাসপাতালে ICU তে ভর্তি করানো হয় । মূলতঃ তিনি তখন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন । সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনাটি হলো ICU তে  থাকা একজন মুমূর্ষু রোগীকে করোনা পজিটিভের ধুঁয়া তুলে তাঁকে দ‌্রুত করোনা হাসপাতালে শিফট করার জন্য ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ আত্মীয় স্বজনদের অনবরত প‌্রেশার ক্রিয়েট করতে থাকে এবং তাদের অব্যাহত অনুরোধ - উপরোধ  সত্বেও রোগীকে ছাড়পত্র প‌্রদান করে । রোগী পৌঁছানোর কোনোরকম ব্যবস্হা গ‌্রহন তো নয়ই বরং ভেনটিলেশনের ব্যবস্হাবিহীন সাধারণ একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে পুনরায় কুর্মিটোলা কোভিড হাসপাতালে আনা হয় । স্বজনদের জোরালো অভিযোগ , এখানেও তাঁদের মাকে সুচিকিৎসা দেয়া হয়নি । উপরন্ত ইউনাইটেড থেকে আনা - নেয়ার পথেই রোগীর মস্তিস্কের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং তিনি গভীর কোমায় চলে যান । ঠিক যে সময়ে রোগীর সবচেয়ে বেশি পরিচর্যা প‌্রয়োজন তখনই তাঁর প‌্রতি কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের ডাক্তার - নার্স - আয়াদের চরম অব্যবস্হাপনা , অবহেলাজনিত কারণে রোগী bedsore এ আক্রান্ত হন ; যার ফলশ‌্রুতিতে " সেপসিসে " দ‌্রুত তাঁর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বাধাগ‌্রস্হ হয় এবং তিনি মৃত্যুর কাছে অবশেষে হেরে যান ।

রোগীর জ্যেষ্ঠ পুত্র ডাঃ জিয়া হায়দার যিনি বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র স্বাস্হ্য বিশেষজ্ঞ তাঁর লিখা পোস্ট থেকে জানা যায় , ""মৃত্যুর পর আম্মার শরীরের বিভিন্ন স্হানে ছিলো জমাটবাঁধা রক্ত । আমার যেসব বোন আম্মার দাফন কাফনের সাথে জড়িত থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন , তাদের কাছে শুনেছি , দু " দুটো কাফনের কাপড় রক্তে ভিজে গেছে " । অথচ মৃত্যুসনদে উল্লেখ ছিলো , " হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন ।

প‌্রিয় পাঠক , অতি সহজেই অনুমেয় আমাদের স্বাস্হ্যসেবার এই বেহাল দশাই দু " দুটো মৃত্যু তো বটেই আরো হাজারো মৃত্যুকে তরান্বিত করে চলেছে । ইউনাইটেড হাসপাতালের চরম একগুঁয়েমি , নীতিহীনতা এবং অর্থলিপ্সু মানসিকতাকে কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যায় না । দায়িত্বহীন - কান্ডজ্ঞানহীন ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন আচরণ সমগ‌্র প‌্রাইভেট চিকিৎসা প‌্রতিষ্ঠানগুলোকে দারুণভাবে প‌্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে । অন্যদিকে পুরো বিশ্ব আজ নোভেল করোনা মহামারীর  ভয়াবহ বিপর্যয়ে দিশেহারা ; নানামাত্রিক অসঙ্গতি নিয়েও বিশ্ব আজ করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে যে যার জায়গা থেকে সাধ্যমতো জীবন বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । আর আমরা কোথায় আছি? কুর্মিটোলা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের অব্যবস্হাপনার বিষয়টি যেমন গণমাধ্যমে বারবার হাইলাইটস হচ্ছে তেমনি বাংলাদেশ প‌্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান এর গত ২৯ এপ‌্রিলের " নেতৃত্বে আমলা মন্ত্রী এমপি ধান কাটা কামলা " শিরোনামে লিখা থেকে আরো জানা যায় , " কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে তালা মেরে রাখা হয় বলে খবর এসেছে ।একটা নির্দিষ্ট সময়ে খাবারের জন্য মাইকিং করে ওয়ার্ডের দরজায় খাবার ও ওষুধ রেখে দেওয়া হয় । রোগীর যতো কষ্টই হোক আর শ্বাসকষ্টই থাকুক তখনই সেগুলো আনতে হয় । বক্সে রোগীদের নাম লিখা থাকে । নিজ দায়েত্বেই ওষুধ খেতে হয় । কুর্মিটোলা হাসপাতালে টয়লেটে গিয়ে রোগী পড়ে মরে ছিলো , কেউ জানেই না কখন মারা গেছে "।

এসবই আমাদের ভঙ্গুর স্বাস্হ্য ব্যবস্হার বাস্তব চালচিত্র । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদাত্ত আহ্বান সত্বেও একশ‌্রেণির পাষন্ড চিকিৎসক , স্বাস্হ্যকর্মীসহ কর্মচারীদের এহেন মানবতাবর্জিত ন্যাক্কারজনক ঘৃণ্য আচরণের জন্য অবিলম্বে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্হা গ‌্রহনের বিষয়টি কী খুব অযৌক্তিক হবে ? সারাদেশে সাধারণ স্বাস্হ্যসেবার মহাসংকট চলছে । বীর চিকিৎসকদের যাদের আমরা সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে মর্যাদা দিয়ে থাকি তাঁদের সমগোত্রীয় কিছু সংখ্যক চিকিৎসক - কর্মীদের এমন অমানবিকতা হৃদয়ে রক্ত ঝরায় । করোনা আতঙ্কের চলমান এই  সময়ে প‌্রতিটি পরিবার আজ বয়োবৃদ্ধদের নিয়ে আশঙ্কায় - উৎকন্ঠায় দিনযাপন করছে ।  কোথায় আশ‌্রয় হবে এই মূহুর্তে সাধারণ অথবা ক্রনিক ডিজিজগুলোর চিকিৎসা সেবা নিতে ।  যেখানে নতুন করে "করোনা টেষ্ট  সনদের"বাড়তি মাত্রা যোগ হয়েছে প‌্রতিটি চিকিৎসা সেবায় । একদিকে করোনা আতঙ্ক অন্যদিকে  মৃত্যুর আগে সঠিক চিকিৎসা সঠিক সময়ে না পাওয়ার আশঙ্কা  ভয় - ভীতি - উদ্বেগ - উৎকন্ঠা বাড়িয়ে চলেছে  সর্বমহলে । মানুষ করোনার চেয়েও আজ আতঙ্কিত স্বাস্হ্যসেবার নাজেহাল পরিস্হিতি নিয়ে । ওদিকে স্বস্তি দিয়েছে জামালপুর জেলার একটি আশাব্যঞ্জক সংবাদে , বলা হয়েছে , " করোনা আতঙ্কে অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ । কিন্ত গণমানুষের প‌্রিয় নেতা জনাব মির্জা আজম এমপি এবং ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর নির্দেশে হৃদরোগ , উচ্চ রক্তচাপ , এবং মেডিসিনের ( কোভিড -১৯ ব্যতিত) রোগীদেরকে সুলভে চিকিৎসা সেবা প‌্রদানের লক্ষ্যে " ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন জামালপুর প‌্রতি সপ্তাহের রবিবার ব্যতিত সোম থেকে শনিবার সকাল ৯:০০ টা থেকে দুপুর ৩:০০টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়েছে ।" সংবাদটি এই ক্রান্তিকালে যেমন আশা জাগানিয়া তেমনি অনুকরণীয়ও  বটে । ধন্যবাদ জনাব মির্জা আজম এমপি , সাবেক বস্ত্র ও পাট প‌্রতিমন্ত্রী ও সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এবং জামালপুর জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীকে । 

স্বাস্হ্যসেবার এহেন দুঃসহ - দুর্বিসহ অচলাবস্হা থেকে মানুষ পরিত্রাণ চায় । এর আশু অবসান জরুরী । সবকিছুর পরও  এই সুন্দর পৃথিবীতে মানুষ বেঁচে থাকতে চায় । নইলে মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হবে । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা

ঘড়আপনি মানবিকতার প‌্রকৃষ্ট উদাহরণ ; আপনার গৃহীত যুগান্তকারী পদক্ষেপ ডাক্তার নার্স নিয়োগের সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষ যেমন সম্মান জানায় তেমনি বাতিঘরের মতো আশার আলো  দেখতে পায় । আপনার ইস্পাত কঠিন
মনোবলই পারে এই মৃত্যুর মিছিল প‌্রতিহত করতে ইনশাল্লাহ । নেতৃত্ব , সমন্বয় এবং চেইন অব কমান্ডকে একমাত্র আপনিই পারেন সঠিক নির্দেশনা দিয়ে এগিয়ে নিতে । আমাদের
বীর চিকিৎসক সম্মুখ যোদ্ধাদের মনোবল অক্ষুন্ন রেখে তাদের সুরক্ষা অধিকতর নিশ্চিত করে অদৃশ্য অনুজীব কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে মানবিক এই যুদ্ধে পুরো  স্বাস্হ্যবিভাগকে সম্পৃক্তকরণের বিষয়টি যৌক্তিকভাবে নিশ্চিতকরণসহ সার্বিক স্বাস্হ্যসেবার মান নিয়ন্ত্রণ করে জাতিকে আসন্ন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করুন । মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন ।।    







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]