ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২০ ১৬ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে করোনা মোকাবেলায় অনলাইন মিটিং অনুষ্ঠিত
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে, ২০২০, ৪:১২ পিএম আপডেট: ১৮.০৫.২০২০ ৪:১৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 154

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রথম ব্যাচের উদ্যোগে জুম সফটওয়্যরের মাধ্যমে একটি অনলাইন  মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আলোচনায় উঠে আসে বাংলাদেশে কোভিড-২৯ মোকাবেলায় নানা মত, নতুন আইডিয়া ও কর্মপরিকল্পনা। টানা চার ঘণ্টাব্যাপী এ আলোচনায় বিশ্বের নানা দেশ হতে ১৬০ জন মাইক্রোবায়োলজিস্ট অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও ইউএসএ , কানাডা, জাপান , দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব এবং কাতার থেকে মাইক্রোবায়োলজিস্টরা  অংশ নেয়।  মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বর্তমান ছাত্র , শিক্ষক, এলামনাই ও পেশাদার মাইক্রোবায়োলজিস্টরা উপস্থিত ছিলেন। গত শনিবার ঢাবিতে এ জুম সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। 

নোভার্টিস ফার্মাসিউটিক্যালে কর্মরত ড.  সুবর্না খান আলোচনার উদ্দেশ্য বর্ণনা করে মিটিং শুরু করেন। মডারেটর ড.  পার্ভিস খান ( শিক্ষক, ভার্জিনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি)  করোনাকালে মাইক্রোবায়োলজিস্টদের গৃহীত  পদক্ষেপের কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইমার্জিং প্যাথোজেন ইনস্টিটিউটের গবেষক ও   মডারেটর ড  মোহাম্মদ হারুনর রশিদ তার প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

আলোচনার প্রথম পর্বে ১৭ জন বক্তা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মত তুলে ধরেন। নানা লেভেলে মাইক্রোবায়োলজিস্টদের করোনা মোকাবেলায় পদক্ষেপগুলো বলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান  ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান , শিক্ষক ড. আনোয়ারা বেগম, ড. সংগীতা রহমান, ড.মোজাম্মেল হক এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ড. ইকবাল কবির জাহিদ বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ঠ মাইক্রোবায়োলজি বিভাগসমূহের কাজ তুলে ধরেন। বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মাইক্রোবায়োলজিস্টের সাধারণ সম্পাদক ড. আনোয়ারা বেগম তার সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরেন। আইসিডিডিআরবি এর ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান ড. মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান জানান কিভাবে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় মাইক্রোবায়োলজিস্টরা সাহায্য  করতে পারে। বায়োডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং , ইউএসএ এর গবেষক   ড. মাসমুদুর রহমান, ইন্ট্যাক্ট জিনোমিকস, ইউএসএ এর গবেষক  ড. মোঃ নুরুল ইসলাম, এবোট ল্যাবোরেটরিজ, ইউ এসএ গবেষক এর  ড. খন্দকার আল জায়েদ সিদ্দিকি  ও ইনডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক   ড. সরোয়ার হোসেন গবেষণা ও কোলাবরেশনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা কোভিড-১৯ এর মত ইনফেকশাস রোগ সহ  কিভাবে নতুন নতুন ইনফেকশাস  রোগ প্রতিরোধ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন । বেশ কয়েকজন এলামনাই  এডভোকেসি স্ট্রেটেজি  ও কলাবোরেশন এর সুযোগের কথা তুলে ধরেন।  জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবেলায় এসব  বিষয় আলোচনা করেন ঢাবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক  ড. শাহনুর হোসেইন, আইসিডিডিআরবির ভাইরোলজির গবেষক মুনতাসির আলম , ইউএসএআইডি এর প্রজেক্ট ম্যানেজার সরদার তানজীর হোসেন,  বাংলাদেশ পুলিশের এএসপি নাজিজা রহমান , জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালসের মনোজিত রায় ও ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের গবেষক ড. হাসান জাকির । 

করোনা সেন্টারের টেস্টিং  ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করা বিকন ফার্মার রাইসুল ইসলাম তার অভিজ্ঞতার কথা বলেন। বক্তারা বলেন, বিভিন্ন এলাকা ও  মেডিকেল কলেজ  হতে স্যাম্পল কালেকশনের জন্য টেকনোলজিস্টদের তারা প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এসব স্বেচ্ছাসেবিরা নিঃস্বার্থ ভাবে জীবনের মায়া ত্যাগ করে এসব কাজ করে যাচ্ছে। এ সময়ে ঢাবিসহ  অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের গ্র্যাজুয়েটদের করোনা মোকাবেলায় অবদানকে  স্বীকৃতি জানানো প্রয়োজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাইক্রোবায়োলজিস্টদের এ স্বেচ্ছাসেবি কার্যক্রমকে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মাইক্রোবায়োলজিস্ট (বিএসএম)কে পত্র দিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবার ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য  আরো অনেক মাইক্রোবায়োলজিস্ট একাজে নিযুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের দুটি জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে তা মাইক্রোবায়লজিস্টদের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়েছে।এছাড়াও মিডিয়ায় মাইক্রোবায়োলজিস্টদের দৃষ্টিতে স্বাস্থ্য  সচেতনতা মুলক লিখালিখি, টকশো ইত্যাদি আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। বিভিন্ন জরুরি ইস্যুতে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডিং এর জন্য সরকারকে অনুরোধের সিদ্ধান্ত হয়। অনেক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে ভ্যাক্সিন ডেভেলপমেন্টে স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]