ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০

যশোরে আম্ফানের তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০, ১২:১২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 68

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে যশোরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২ তে দাঁড়িয়েছে। বুধবার রাতে যশোরের বিভিন্ন উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাছপালা ভেঙে ও ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

ঝড়ের পর যোগাযোগ ব্যবস্থা ফোন নেটওয়ার্ক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় হতাহতের তথ্য প্রশাসন ও সংবাদকর্মীদের কাছে দেরিতে এসে পৌঁছাচ্ছে। তবে ঝড়ে এই জেলায় ১২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ ও স্থনীয়রা নিশ্চিত করেছে। 

সূত্র মতে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে গোটা জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ গাছপালা, ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। চৌগাছায় গাছচাপা পড়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়লে এ দুজন নিহত হন। আহত হন চায়না বেগমের ছেলে আলামিন (২২)। ঝড়ের সময় তারা ঘরে ছিলেন।

এছাড়া গাছচাপা পড়ে শার্শা উপজেলার মালোপাড়ার সুশীল বিশ্বাসের ছেলে গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, গোগা পশ্চিমপাড়ার শাহজাহানের স্ত্রী ময়না খাতুন (৪০) ও বাগআঁচড়া জামতলা এলাকার আব্দুল গফুর পলাশের ছেলে মুক্তার আলী (৬৫) এবং বাঘারপাড়া উপজেলার দরাজহাট বুদোপাড়া এলাকার সাত্তার মোল্লার স্ত্রী ডলি খাতুন (৪৫) নিহত হয়েছেন।

আর বাঘারপাড়ার নিহত হয়েছেন গৃহবধূ। ঝড়ে একটি আমগাছের ডাল টিনের ঘরের চালার ওপর ভেঙে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ এ ৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের বিশেষ শাখার রিপোর্ট অনুযায়ী মণিরামপুর উপজেলায় আরও পাঁচজন ও শার্শায় আরও একজনের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে। 

তারা হলেন- মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা গ্রামের খোকন দাস (৭০), তার স্ত্রী বিজন দাস (৬০), একই এলাকার ওয়াজেদ আলী (৫০), তার ছেলে ইসা (১৫) এবং আছিয়া বেগম (৭০)। এছাড়া শার্শা উপজেলার মহিপুড়া গ্রামের মিজানুর রহমান (৬০) নামে আরও একজনের মৃত্যু সংবাদ দিয়েছে পুলিশ।

ডিস্ট্রিক্ট ইন্টেলিজেন্স অফিসার (ডিআইও-১) এম মসিউর রহমান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে মণিরামপুরে মৃত্যুর তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে এখনো পৌঁছায়নি। রাতে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক মো. শফিউল আরিফ জানান, মণিরামপুরে বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। এমনকি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিভিন্ন এলাকায় অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সবজি, আম ও লিচুর ক্ষতি হয়েছে। তবে বোরো ধান ইতোমধ্যে কাটা হয়ে গেছে বিধায় ধানের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গৃহ বা ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য কাজ চলছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]