ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০

এই প্রথম রফতানিতে পাটের অবস্থান দ্বিতীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৩ মে, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 4

এই প্রথম রফতানি আয়ে পাটের অবস্থান দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৭৯ কোটি ১৩ লাখ ডলার। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ হচ্ছে ৬ হাজার ৭৬১ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। আর চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি। এই তথ্য রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর। তবে চামড়ার রফতানি আয় কমে যাওয়ার ফলে পাটের অবস্থান দ্বিতীয়তে চলে এসেছে।
এদিকে, সম্প্রতি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে করোনাভাইরাস বিস্তার কমানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় পাটের রফতানি আয়ের বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে আসে। একই সঙ্গে পাটের চাষ আরও বাড়ানোর জন্য পাট চাষিদের কীভাবে আরও সহায়তা করা যায় সে বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে পাট শিল্পের সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে পাটের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, পাট কেনাবেচা সহজীকরণ, কাঁচা পাট ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর ব্যাপারে সরকারের সহাযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
জানা গেছে, চামড়া রফতানি আয় কমে যাওয়ার কারণে পাটের অবস্থান দ্বিতীয়তে উঠে এসেছে। কী কারণে কমে গেছে, এ বিষয়ে ইপিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মূলত বেশ কয়েক মাস যাবৎ চামড়ার আন্তর্জাতিক বাজার ভালো যাচ্ছে না। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাসের প্রভাবে অনেক পণ্যের চাহিদা কমে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। বিদেশি ক্রেতারা এখন স্বাস্থ্য বিষয়ক পণ্যের দিকে ঝুঁকছে। তবে আসন্ন কোরবানির ঈদে চামড়ার বাজার আরও খারাপ হতে পারে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে। পাট কেন এত ভালো করছে? এই প্রশ্নে পাট অধিদফতরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, পাট খাতের রফতানি আয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে পাটজাত পণ্য।  একদিকে এই পণ্যের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা বেড়েছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা খুব বেশি একটা কমেনি। তবে কাঁচা পাটের অবদান খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। বৈশ্বিক কাঁচা পাটের বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কাঁচা পাট উৎপাদন ছিল ৭৫ লাখ ৫ হাজার বেল। যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এসে দাঁড়ায় ৭৩ লাখ ১৫ হাজার বেল। একই সঙ্গে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কাঁচা পাটের রফতানির পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ১ হাজার বেল। আর আয় ছিল ৮১৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে কাঁচা পাট রফতানি হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার বেল। পাটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্যের রফতানি আয় ছিল ৫ হাজার ৬০২ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এসে তা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২২ কোটি টাকা। তবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রফতানি আয়ে বাম্পার হয়। অর্থাৎ এই সময় রফতানির পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]