ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ ৩০ আষাঢ় ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০

মেক্সিকোতে মৃত ১০ হাজার, ইউরোপে প্রথম ‘করোনামুক্ত’ হলো মন্টেনিগ্রো
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৩১ মে, ২০২০, ১১:০৫ পিএম আপডেট: ৩১.০৫.২০২০ ১:০৪ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 12

ইউরোপের প্রথম দেশে হিসেবে নিজেদের ‘করোনামুক্ত’ ঘোষণা করল মন্টেনিগ্রো। বিগত টানা ২৫ দিন নতুন করে রোগী শনাক্ত না হওয়ায় এমন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। মন্টিনিগ্রো প্রথম রোগী শনাক্তের ৬৯ দিন পর এই ঘোষণা দিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে খবরটি জানানো হয়েছে। বিশ^ জুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাস সামলাতে যখন বাঘা বাঘা দেশগুলোকে  হিমশিম খেতে হচ্ছে তখন কোভিড-১৯ মহামারি প্রতিরোধে নিজেদের সাফল্যের জানান দিল বলকান অঞ্চলে আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলের ছোট্ট এই দেশ। এতে দেশটির পর্যটন শিল্পে পুনরায় গতি ফিরবে।
দেশটিতে প্রথম রোগী শনাক্তের ৭৫ দিন পার হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রাদুর্ভাব শুরুর পর আড়াই মাসে সাড়ে ছয় লাখের বেশি জনসংখ্যার এই দেশটিতে মোট ৩২৪ জনের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বাকি ৩১৫ জন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।
বলা হচ্ছে, আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এই মহামারির ব্যাপক সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচিয়েছে দেশটিকে। বিশ^ জুড়ে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শুরুতেই সব দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ করে দেয় মন্টেনিগ্রো। এমনকি পর্যটকদের প্রবেশেও কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার।
শুরুতেই দেশটিতে করোনা পরীক্ষা, সেলফ আইসোলেশন ও আক্রান্তের সংস্পর্শে আসাদের শনাক্তের পর সঙ্গরোধ করে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধিসহ অন্যান্য বিধিনিষেধ অমান্য করলে শাস্তি হিসেবে শুরু হয় মোটা অঙ্কের জরিমানা আদায়। যা ভাইরাসটির বিস্তার রোধে ভূমিকা রেখেছে।
এরপর সংক্রমণ কমতে থাকলে ৩০ মার্চ থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী দুস্কো মার্কোভিচ সংবাদ সম্মেলনে দেশকে সম্পূর্ণ করোনামুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে বলেন, ‘মারাত্মক এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে জিতে মন্টেনিগ্রো এখন ইউরোপের প্রথম করোনামুক্ত দেশে পরিণত হয়েছে।’
মেক্সিকোতে মৃত ১০ হাজার : মেক্সিকোতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। দেশটিতে এরই মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজারের কাছাকাছি হয়ে গেছে। নতুন করে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ২২৭। অন্যদিকে এক দিনেই মারা গেছে ৩৭১ জন। এক সপ্তাহে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
এখন পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছে ৯ হাজার ৪১৫ জন। লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিলের পরে মৃতের সংখ্যায় এগিয়ে আছে মেক্সিকো। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজার ৬২৭। ইতোমধ্যেই সেখানে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৫৯ হাজার ৬১০ জন।
দেশটিতে বর্তমানে করোনার অ্যাক্টিভ কেস ১৫ হাজার ৬০২। অন্যদিকে ৩৭৮ জনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে দেশটিকে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এদিকে, লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলোকে পেছনে ফেলে আক্রান্ত ও মৃত্যুতে এগিয়ে আছে ব্রাজিল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও ১ হাজার ১২৪ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮৭৮ জন। একই সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৯২৮ জন। ফলে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ১৬৬ জনে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক পরীক্ষা না করায় ব্রাজিলে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা জানা যাচ্ছে না। এটি সরকারি হিসাবের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]