ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ১১ জুলাই ২০২০ ২৭ আষাঢ় ১৪২৭
ই-পেপার শনিবার ১১ জুলাই ২০২০

পাবনায় ব্যক্তিগত ফোনকল লিস্ট তোলায় ওসির বিরুদ্ধে চার চেয়ারম্যানদের লিখিত অভিযোগ
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৩ জুন, ২০২০, ১১:১৮ পিএম আপডেট: ০৩.০৬.২০২০ ১২:২৮ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 14

অর্থের বিনিময়ে আইন অমান্য করে নির্বাচিত চার চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ফোনকল লিস্ট তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে আমিনপুর থানার থানার ওসির বিরুদ্ধে। বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট চার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী চার চেয়ারম্যান হলেনÑ পুরান ভারেঙ্গা ইউনিয়নের এমএ রফিকুল্লাহ, জাতসাখিনী ইউনিয়নের মো. রেজাউল হক মিয়া, রূপপুর ইউনিয়নের মো. আবুল হাশেম উজ্জ্বল ও মুসুনদিয়া ইউনিয়নের মিরোজ হোসেন। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পুলিশের আইজি ও ডিআইজি বরাবর তারা লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা জানান, আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনের কললিস্ট গত ২৯ মে আমিনপুর থানার ওসি বেআইনিভাবে ফোন কোম্পানির কাছে থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। কোনো মামলা সংক্রান্ত বা অপরাধী শনাক্ত করার কাজে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যরা সেটি উত্তোলন করতে পারেন। কারো ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার জন্য অর্থের বিনিময়ে ওসি এ কাজ করেছেন। এ ধরনের ঘটনা সারাদেশে প্রথম ঘটল। আমরা শুধু জনপ্রতিনিধি নই, পাশাপাশি আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। এ ঘটনার সঙ্গে পাবনা বেড়া উপজেলার পৌর মেয়র সদ্য চাল চোরের পক্ষ নেওয়ায় দল থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বাতেন ও সুজানগর-২ আসনের
সংসদ সদস্যের গোপন সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন চেয়ারম্যানরা।
অভিযোগকারী চেয়ারম্যানরা বলেন, এ বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধান না পেলে অবশ্যই সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই অন্যায়ের প্রতিরোধ করব।
এ বিষয়ে পাবনার আমিনপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দিন জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এসপি অফিসের মাধ্যমে এই ফোনকলের তথ্য পাওয়া যায়। আমি এ ধরনের কোনো কাজ করিনি।
এ বিষয়ে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম পিপিএম বিপিএম জানান, এ ঘটনা তদন্তের জন্য পাবনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ^াসকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক কবীর মাহামুদ বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে চারটি আবেদন জমা পড়েছে। আইজি ও ডিআইজি বরাবর তারা আবেদন করেছেন। যেহেতু এটি পুলিশের বিষয় আমরা এই আবেদন তাদের কাছে পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে পাবনা সুজানগর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মেদ ফিরোজ কবির বলেন, এ কথা তাদের মনগড়া। তাদের ফোন কললিস্ট দিয়ে আমি কী করব। এ তথ্য সত্য নয়। এ ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততার প্রশ্নই আসে না।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পাবনা সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত করে দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]