ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা : ওয়ার্ল্ড ভিশন চাকরি দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের

মুহাম্মদ হানিফ আজাদ উখিয়া (কক্সবাজার)

প্রথম পাতা

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ক্যাম্পে স্থানীয়দের চাকরিচ্যুত করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছে আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন। ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

2021-01-05T22:29:00+00:00
2021-01-04T23:11:24+00:00
 
  মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬,
২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা
ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা : ওয়ার্ল্ড ভিশন চাকরি দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের
মুহাম্মদ হানিফ আজাদ উখিয়া (কক্সবাজার)
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:২৯ পিএম  আপডেট: ০৪.০১.২০২১ ১১:১১ পিএম  (ভিজিট : ৫৩৩)
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ক্যাম্পে স্থানীয়দের চাকরিচ্যুত করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছে আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন। ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় আশ্রয় নিয়েছে, যার অধিকাংশই পালংখালী ইউনিয়নে বসবাস করে আসছে। বাস্তুচ্যুত এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও হোস্ট সম্প্রদায়ের জন্য এনজিও ও আইএনজিওয়ের মানবিক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। কিন্তু স্থানীয় জনগোষ্ঠী এই বিশালসংখ্যক শরণার্থীর জন্য অর্থনৈতিক, সামাজিক ও বাস্তুসংস্থানজনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত, তাই আরআরসি ও এনজিও ব্যুরো স্থানীয়দের চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কিন্তু ওয়ার্ল্ড ভিশন নামক সংস্থা জিএফএ প্রকল্পে মাঠ পর্যায়ে কর্মী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম করে যাচ্ছে। সরকারি নির্দেশনায় রোহিঙ্গাদের চাকরিতে না নেওয়ার ব্যাপার আদেশ থাকলেও প্রতিনিয়ত উল্লিখিত আইএনজিও স্থানীয়দের সুযোগ না দিয়ে চাকরি থেকে ছাঁটাই করছে এবং রোহিঙ্গাদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে। যার কারণ হচ্ছে স্থানীয়দের চেয়ে কম মজুরি দিয়ে কাজ করানো যায় রোহিঙ্গাদের দিয়ে। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে ক্ষোভ। ওয়ার্ল্ড ভিশন নামক আইএনজিও ক্যাম্প- ৮ঊ, ৮ড, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৭, ১৮, ২০, ২০ বীঃ-এ চাকরি থেকে কিছু স্থানীয়কে ছাঁটাই করেছে এবং ২০৬ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে চাকরি দিয়েছে। যার মধ্যে ১২৪ রোহিঙ্গা মাসিক বেতনে এবং ৮২ জন দৈনিক বেতনে চাকরি করছে, যা এনজিও ব্যুরো এবং আরআরআরসি নিয়ম পরিপন্থি। চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট থাকলেও পালংখালী ইউনিয়নের বা স্থানীয়দের অবহেলা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি, ৫নং পালংখালী ইউনিয়ন, উখিয়া সংশ্লিষ্ট সিআইসি মহোদয়ের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং চাকরিচ্যুত স্থানীয়দের চাকরিতে পুনর্বহালসহ রোহিঙ্গাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে ওই জায়গায় স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সিআইসির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না করলে ১১ জানুয়ারি থেকে পালংখালী অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরীর  জানান, এনজিও ও আইএনজিও চরিত্র এপিট-ওপিট, শুধু নিয়োগের ক্ষেত্রে একই চরিত্র। এনজিও ও আইএনজিও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ও গ্রামীণ উন্নয়নের নামে দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কাউকে তোয়াক্কা করছে না। রোহিঙ্গাদের বাদ দিয়ে স্থানীয় বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরি না দিলে উখিয়া-টেকনাফে বৃহত্তর আন্দোলনের মূখে পড়তে হবে এনজিও ও আইএনজিওদের।

Loading...
Loading...
প্রথম পাতা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: