তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে সাইবার অপরাধ ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাসের মতো। প্রতিনিয়ত বড় বড় সাইবার অপরাধের পরও দেশের কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। প্রযুক্তির আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষিত-দক্ষ জনবল ও সচেতনতার অভাবেই সাইবার অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে তাকে বলা হয় সাইবার অপরাধ। যেসব যন্ত্র নেটওয়ার্ক দ্বারা একসঙ্গে যুক্ত থাকে যেমন কম্পিউটার অথবা মোবাইল; এসব যন্ত্র ব্যবহার করে যখন কোনো অপরাধ করা হয় সেটাই সাইবার অপরাধ। বর্তমানে সাইবার অপরাধ সারা বিশে^ অপরাধ তালিকার শীর্ষে রয়েছে। সম্প্রতি দ্য ইকোনমিস্টের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যায় যে, বার্ষিক ৯০ মিলিয়ন সাইবার হামলায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫৭৫ বিলিয়ন ডলারের সমান। নিত্যনতুন সাইবার অপরাধের কৌশলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ব্যবসাও বেড়ে চলেছে। ব্যাংক অব আমেরিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সাল নাগাদ এটি ১৭০ বিলিয়ন ডলারের বাজারে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশেও এর দ্রæত বিস্তার ঘটছে। বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে সারাবিশে^ ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচিত এবং সফল দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান সারাবিশে^র মধ্যে দশম। বর্তমানে বাংলাদেশে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৩ কোটিরও বেশি। সহজলভ্যতার কারণে একদিকে যেমন বেড়ে চলছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা, তেমনই পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে সাইবার অপরাধও। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককেন্দ্রিক অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে বেশি। সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সাইবার অপরাধ বিষয়ক এমনই একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করা হলো, ‘সম্প্রতি বগুড়ার গাবতলীতে একটি ব্যাংক ডাকাতির আসামি খুঁজতে গিয়ে পুলিশ আবিষ্কার করেছে এক কিশোরকে। কৌশিক (ছদ্মনাম) নামে ওই ডাকাতির ঘটনার মূল হোতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। মাত্র ১৬ বছরের এই কিশোরের রয়েছে আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে বিস্ময়কর সব জাদুকরি জ্ঞান। সাইবার অপরাধ দুনিয়ার বৈচিত্র্যময় শাখা-প্রশাখায় অনুপ্রবেশকারী এই কিশোর নিজ মুখেই প্রকাশ করেছে তার ভয়ঙ্কর সব কীর্তি। চমকানো এসব তথ্য জেনে হতভম্ব পুলিশের অপরাধ বিশেষজ্ঞরাও। বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সে ছিল এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি সে বিএনসিসি, স্কাউট ও বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ছিল অতিশয় সিদ্ধহস্ত। অ্যাডভেঞ্চারে নেশাগ্রস্ত এই কিশোর যেমন সুদর্শন, তেমন তুখোড় মেধাবী। তার সব কীর্তিই শরীরে কাঁটা দেওয়ার মতো। তার কাহিনি জেনে হতে হবে কিংকর্তব্যবিমূঢ়! দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা সাইবার অপরাধীর সঙ্গে রয়েছে তার সখ্যতা। ভুয়া ৫২টি ফেসবুক আর ২২টি ই-মেইল আইডি দিয়ে নিয়ন্ত্রিত তার অপরাধের নেটওয়ার্ক। আর ডার্ক ওয়েব জগতের নিষিদ্ধ গলিপথটাও তার নখদর্পণে।
হোয়াইট ডেভিল নামের হ্যাকিং গ্রæপের চতুর এই সদস্য বগুড়া শহরের এক বিস্ময়কর বালক! এ যেন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়েছে। ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ডসহ রাজশাহী বিভাগের সেরা স্কাউটের খেতাব পায় কৌশিক। তার বাবা বগুড়া শহরের নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী। ব্যাংক ডাকাতির চিন্তা কৌশিকের মাথায় আসে। ব্যাংক ডাকাতি ছিল তার ‘ধুম-৩’ ছবিতে ১৫৪ বার অ্যাডভেঞ্চারের অংশ। এ কারণে অত্যাধুনিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসে তৈরি বলিউডের ছবি ধুম-৩ গুনে গুনে ১৫৪ বার দেখে সে নিজেকে প্রস্তুত করে। যদিও ওই ছবির দৃশ্যে ঝুঁকি থাকায় সিনেমার শুরুতেই সতর্কবাণী জুড়ে দেয় সেন্সর বোর্ড। ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (ভিএফএক্স) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে চিত্রগ্রহণটি চলচ্চিত্র তৈরির একটি লাইভ-অ্যাকশন শটের প্রেক্ষাপটের বাইরে তৈরি করা হয়। বিশ^ কাঁপাতে চেয়েছিল কৌশিকÑ ডার্ক ওয়েবে অবাধ বিচরণ ছিল তার। ডার্ক ওয়েব ইন্টারনেটের এমনই এক অংশ, যেখানে কোনো সার্চ ইঞ্জিন, সাধারণ ব্রাউজার এক্সেস নিতে পারে না। ওই ওয়েবে নিজের পরিচয় পুরোটা লুকিয়ে ঢোকা যায় বলে সেখানে অনায়াসেই সর্বোচ্চ অপরাধ ও নিষিদ্ধ কাজ করা যায়। ডার্ক ওয়েবে হোয়াইট ডেভিল নামে একটি হ্যাকিং গ্রæপের মাধ্যমে কৌশিকের ইচ্ছা ছিল বিশে^র শীর্ষ অপরাধীদের খাতায় নাম লেখানো।
এ কারণে সে একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে রাশিয়া থেকে চাহিদা দিয়ে এনেছিল পারক্লোরিক এসিড, ক্লোরোফম, এডিনল, ইথানল ও পটাশিয়াম ডাইক্লোরেট নামের বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। নিজের বাড়িতে বসে সে তার ব্যক্তিগত ল্যাবে এসব নিয়ে গবেষণা চালাত। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ধুম-৩ ছবিতে ব্যবহৃত ই-বাইক, অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স টুলস চীন থেকে অর্ডার করেছিল। বাংলাদেশ কাস্টমসের অনুমতি না মেলায় সেগুলো কৌশিকের হাতে আর পৌঁছেনি। তার সংগ্রহে ছিল বিভিন্ন সার্ভেইল্যান্স ইকুইপমেন্ট, নাইফ ও ভেস্ট। এগুলো ব্যবহার করে পুলিশের বিশেষ দল ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া সে বাংলাদেশি একটি ই-কমার্স সাইট থেকে কিনে নেয় ট্রেসার গান। হাইভোল্টেজ তৈরি করা এই গান ব্যবহার করে যেকোনো মানুষকে প্রতিহত করা সম্ভব।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ঘটে চলেছে এ ধরনের অপরাধ। ছোট ছোট হলেও এসব অপরাধের মাত্রা ভয়ঙ্করভাবে বাড়তে পারে। বিশেষ করে নারীর প্রতি সহিংসতার এক নতুন মাধ্যম হিসেবে এর ব্যাপকতা ইদানীং সব স্তরের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ ছাড়া আইনের সঠিক প্রয়োগ ও বিচার না হওয়া, আইনের সীমাবদ্ধতা, আইন ও অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞতাও সাইবার ক্রাইমের মূল কারণ। সাইবার অপরাধের সঙ্গে অন্যান্য অপরাধ, যেমন পর্নোগ্রাফি, বিশেষ করে শিশুদের সংশ্লিষ্ট করে পর্নোগ্রাফির বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে ফেসবুক। এ ছাড়াও আছে ইউটিউব ও টুইটার। আর সাইবার ক্রাইমের কারণে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হয় নারীরা। অশালীন কথাবার্তা, অন্তরঙ্গ মুহূর্তের নগ্ন ছবি-ভিডিও আপলোড করে বø্যাকমেইল করা হয় তাদের। সাইবার ক্রাইম নিয়ে গবেষণাকারীরা বলেন, একদল নিজের অজান্তেই সাইবার ক্রাইম করছে। প্রতিহিংসা বা একান্ত কৌত‚হলের কারণেই তারা এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। আরেক দল জেনেশুনেই অন্যের ক্ষতি করার উদ্দেশে সাইবার ক্রাইম করছে। যারা এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাদের সাইবার অপরাধী বলে। ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল যুগের সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটে অপরাধের সংখ্যা আরও দ্রæতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেহেতু এ ধরনের অপরাধ যেকোনো দূরবর্তী অবস্থান থেকে করা যেতে পারে, তাই বেশিরভাগ অপরাধী সাইবার ক্রাইমকে বেছে নিচ্ছে। কেননা এখানে ধরা পড়ার এবং শাস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম। সাধারণত ফিসিং, হ্যাকিং, সাইবার নির্যাতন, পরিচয় চুরি করা, স্প্যামিং এ ধরনের অপরাধ বেশি সংঘটিত হয়। ফেসবুকে বা কোনো গণমাধ্যমে কাউকে নিয়ে মানহানিকর বা বিভ্রান্তিমূলক কিছু পোস্ট করলে, ছবি বা ভিডিও আপলোড করলে, কারও নামে অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তমূলক পোস্ট দিলে, কোনো স্ট্যাটাস দিলে কিংবা শেয়ার বা লাইক দিলেও সাইবার অপরাধ হতে পারে। কাউকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে হুমকি দিলে, অশালীন কোনো কিছু পাঠালে কিংবা দেশবিরোধী কোনো কিছু করলে সেটিও সাইবার অপরাধ হবে। আবার ইলেকট্রনিক মাধ্যমে হ্যাক করলে, ভাইরাস ছড়ালে কিংবা কোনো সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ করলে সাইবার অপরাধ হতে পারে। এ ছাড়া অনলাইনে যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাÐে জড়িত হলে সেটিও সাইবার অপরাধ। অনলাইন ব্যবহারে সাবধান বা সচেতন থাকার কোনো বিকল্প নেই। একটু অসচেতন হলেই ফেঁসে যেতে পারেন সাইবার অপরাধের দায়ে। জেনে হোক বা না জেনে, আপনি যদি অনলাইনে কোনো অপরাধ করেই ফেলেন, তা হলে এর জন্য দিতে হবে কঠিন মাশুল। সাইবার অপরাধীর বিচারে দেশে কঠিন আইন রয়েছে। ফেসবুক আইডি হ্যাকের শিকার হচ্ছেন অনেকেই। এ ছাড়া ই-মেইল আইডি হ্যাক, ফেক আইডি তৈরি করে বø্যাকমেইল করা, সেক্সটোরেশন, মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি ও অন্যান্য হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেকেই। নারী নির্যাতনের জন্য নির্যাতনকারীদের পদ্ধতি উদ্ভাবনের যেন শেষ নেই। নারী নির্যাতনের সর্বশেষ ধরনটি হচ্ছে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারী নির্যাতন। এ কাজে মোবাইল-ইন্টারনেট ইত্যাদি ব্যবহার করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছে মেয়েশিশুরা। প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা কলঙ্কের দায় চাপিয়ে নারীদের হয়রানি করা হচ্ছে। অনেক অভিভাবক আছেন যারা প্রযুক্তির কারসাজি বোঝেন না। তারা মেয়েকে নিয়ে কোনো ছবি বা ভিডিওচিত্র প্রকাশের কথা শুনলেই চিন্তিত ও বিচলিত হয়ে পড়েন।
প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক আছে, তেমনি এর উল্টো দিকগুলো নিয়েও কুকর্ম করার লোকেরও অভাব নেই। উন্নত দেশগুলোতে সাইবার অপরাধ সংগঠনের খবর তো পুরনো। আর বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ও পদক্ষেপের অন্যতম ফল হচ্ছে, দেশের প্রায় ৫ কোটিরও বেশি মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি নারী উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ব্যবহার করে এর মানোন্নয়ন করা হচ্ছে, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, উন্নয়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে, প্রশাসনিক কাজের সচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাস্তবের নিরাপত্তার পাশাপাশি চাই নিরাপদ সাইবার জগৎ। সাইবার অপরাধ রোধ আর এ বিষয়ে কীভাবে সতর্ক থাকা যায়, তা নিয়ে কাজ করছেন বাংলাদেশের একদল তরুণ। তাদের প্রত্যেকে ব্যক্তিগতভাবে ভিন্ন ভিন্ন পেশায় থাকলেও এই একটি জায়গায় একসঙ্গে কাজ করছেন তারা। গড়ে তুলেছেন একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তাদের চিন্তাটা শুরু হয়েছিল সামাজিক কিছু কাজ করার আগ্রহ থেকে। তারপর আলাদা পেশায় জড়িত বন্ধুরা একসঙ্গে হয়ে চালু করে ইনসাইট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন (আইবিএফ)।
ইন্টারনেটকে বলা হয় তথ্যপ্রযুক্তির সূতিকাগার। এটা জ্ঞানের অবারিত হাজার দরজা খুলে দিচ্ছে আমাদের সামনে। এর মাধ্যমে মানবসভ্যতা যেমন পরমভাবে উপকৃত হচ্ছে, তেমনি এর হাজার চরম অপকারিতাও রয়েছে। কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে নিরাপদভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহারে সহায়তা করা, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইন, নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা, সাইবার অপরাধের ঝুঁকি এবং কম্পিউটার নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্কীকরণ, সাইবার জগৎকে নিরাপদ রাখা এবং শক্তিশালী জাতি গঠনে সহযোগিতা করা, বাস্তবসম্মত উপদেশসহ সাইবার অপরাধ শনাক্ত করে কীভাবে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সাহায্য করা যায় তা নির্ধারণসহ নির্দেশনা দেওয়া ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে আইনি সহায়তা এবং অন্যান্য সহায়ক দিকনির্দেশনায় সহায়ক ভ‚মিকা পালন করতে পারে। সারা দেশে সভা-সেমিনার, কর্মশালার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা সমন্বয় করেও সাইবার অপরাধ রোধ করা যায়। সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সতর্কীকরণে পদক্ষেপ, যারা সাইবার অপরাধের শিকার, তাদের ২৪ ঘণ্টা সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য বিশেষ হেল্পলাইন পরিচালনা করেও সাইবার অপরাধ কমানো যেতে পারে। আমাদের তরুণ সমাজকে সামাজিক অবক্ষয়ের হাত থেকে সুরক্ষার জন্য সাইবার অপরাধ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার এখনই সময়।
ষ ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়