নৃশংসতা সহিংসতা আর্থিক প্রতারণা বছরজুড়ে

আলমগীর হোসেন

জাতীয়

চাঞ্চল্যকর নানা ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনায় চাঙ্গা ছিল বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে আসা ঘটনাবহুল ২০২১ সাল। করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে নৃশংস

2021-12-30T11:22:44+00:00
2021-12-30T11:22:44+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬,
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
জাতীয়
নৃশংসতা সহিংসতা আর্থিক প্রতারণা বছরজুড়ে
আলমগীর হোসেন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:২২ এএম   (ভিজিট : ৩০৫)
চাঞ্চল্যকর নানা ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনায় চাঙ্গা ছিল বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে আসা ঘটনাবহুল ২০২১ সাল। করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে নৃশংস হত্যা, গুজব, সহিংসতা ও হাঙ্গামার মতো ঘটনা। বিশেষ করে পল্লবীতে প্রকাশ্যে শাহিনুদ্দিন হত্যাসহ বিভিন্ন নৃশংস হত্যা, ধর্ষণ, অনলাইনে গুজব, দুর্গাপূজায় সহিংসতা, রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাহ হত্যা, নির্বাচনি সংঘাত-হাঙ্গামায় হতাহতসহ ই-কমার্সভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মহাপ্রতারণার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। তবে আসন্ন নতুন ইংরেজি বর্ষ ২০২২ সালে এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া) মো. কামরুজ্জামান সময়ের আলোকে বলেন, পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবসময়ই যেকোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে। তারপরও বিভিন্ন কারণে অনেক ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। এ ক্ষেত্রে আগামী নতুন বছরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই সজাগ ও সোচ্চার ভূমিকায় থাকবে পুলিশ। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে কেউ যাতে গুজব ছড়াতে না পারে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত উল্লেখযোগ্য হত্যাকাণ্ড : চলতি বছরের ১৬ মে পল্লবীতে জমি নিয়ে বিরোধে সাবেক এমপি আওয়ালের পরিকল্পনায় তার ভাড়াটে খুনিদের হাতে প্রকাশ্যে শিশু সন্তানের সামনে শাহিনুদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার সেই ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ হলে তা দেখে আঁতকে ওঠেন অনেকে। খুনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আসামিদের বিরুদ্ধে বেশ তৎপর ছিল। এ মামলার প্রায় সব আসামি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। এ ছাড়া সরাসরি হত্যায় জড়িতদের মধ্যে দুজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। গ্রেফতারদের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এমএ আউয়ালও আছেন।
চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়ায় লাম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদল দুর্বৃত্ত রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে। মুহিব্বুল্লাহ আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন মুহিব্বুল্লাহ। এ হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশ ছাপিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদেশেও।

পুলিশ জানায়, মুহিব্বুল্লাহ হত্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০ আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ মে রাজধানীর কলাবাগানের ৫০/১, প্রথম লেনের ভাড়া বাসা থেকে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সাবিরা রহমান লিপির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার লাশে ক্ষত চিহ্ন এবং দগ্ধ ছিল। তার পিঠে দুটি ও গলায় একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর জানিয়েছিল, সাবিরাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। সাবিরা হত্যার ঘটনায় বেশ কয়েকজন পরিচিত বন্ধু, স্বজন, আত্মীয় ও বাসার বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তবে খুনের নেপথ্যে কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো ক্লু উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এ ছাড়াও আলোচিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে- গত ২৫ মে রাজধানীর দক্ষিণখানে স্ত্রীর পরামর্শে আজহারুলকে হত্যা করেন পরকীয়া প্রেমিক একটি মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান। নিহত আজহারুল ও তার ছেলেকে আরবি পড়াতেন আব্দুর রহমান। বাসায় যাওয়া-আসার একপর্যায়ে আজহারুলের স্ত্রী আসমা আক্তারের সঙ্গে ইমামের অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ইমামকে বাসায় আসতে নিষেধ করেন আজহারুল। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আজহারুলের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। আজহারুলকে সরিয়ে দিতে প্রেমিক রহমানের সঙ্গে আসমা হত্যার পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে আজহারুলকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রথমে তার গলা কেটে হত্যার পর দুই হাত, পা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে মসজিদের সেপটিক ট্যাঙ্কের ভেতরে ফেলে দেওয়া হয়। লাশ উদ্ধারের পর র‌্যাব ওই ইমাম রহমান ও আসমাকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগানে বন্ধুর বাসায় গিয়ে বিকৃত যৌনাচারের কারণে অধিক রক্তক্ষরণে মারা যায় মাস্টারমাইন্ড স্কুলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বন্ধু ইফতেখার ফারদিন দিহান বর্তমানে কারাগারে আছে। গত ১৩ জুলাই আশুলিয়ার নরসিংহপুরে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু বর্মণকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করে স্কুলের আঙিনায় পুঁতে রাখে তারই বন্ধুরা। র‌্যাবের তদন্তে মরদেহের পাঁচ টুকরো স্কুলের আঙিনা থেকে এবং বিচ্ছিন্ন মাথা রাজধানীর আশকোনার একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হলে তাদের মধ্যে আদালতে দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়। এ রকম আরও অনেক স্থানেই বছরের বিভিন্ন সময় নৃশংস হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার বলি : ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২২ নভেম্বর সন্ত্রাসীরা কুমিল্লা নগরের পাথুরিয়া পাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে গুলি করে কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে হত্যা করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন আরও পাঁচজন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও আট থেকে দশজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়। ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে তিনজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলে স্থানীয়দের বাধায় তাদের জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়। ওই ঘটনায় গ্রেফতার হন আরও অন্তত সাতজন। গত ৬ এপ্রিল রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হেরে যান মেম্বার প্রার্থী সাইফুল ইসলাম। প্রতিশোধ নিতে নির্বাচিত ইউপি সদস্যসহ তিনজনকে হত্যা করেন তিনি ও তার দল। মামলার অন্যতম আসামি শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিপুল ভোটে আজিজুল ইসলাম মেম্বার নির্বাচিত হন। এটা মেনে নিতে পারেননি পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ও তার ভাই শফিকুল ইসলাম। গত ৬ এপ্রিল সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলামকে হত্যা করে। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে নিজের আপন চাচাতো ভাই রিয়াজুল ইসলামকেও (৮৬) জবাই করে হত্যা করা হয়। ওই দুই হত্যাকাণ্ড দেখে ফেলায় নিহত আজিজুল ইসলামের ভাতিজি মোনালিসাকেও চার মাস পর হত্যা করা হয়। প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটে সিরাজগঞ্জেও। গত ১৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হন তরিকুল ইসলাম। ফল ঘোষণার পরপরই পরাজিত প্রার্থী শাহাদত হোসেনের সমর্থকরা তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তরিকুল ইসলামকে হত্যা করা হয়। অন্যদিকে গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের দিন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফ হোসেনের সমর্থকদের হামলায় বিজিবি সদস্য নায়েক রুবেল হোসেন নিহত হন। এ রকম আরও অনেক স্থানে নির্বাচনি সহিংসতায় নির্মম প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

ই-কমার্সে আর্থিক প্রতারণা : ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, রিং আইডি ও ধামাকাসহ ই-কমার্সভিত্তিক বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, পণ্য সরবরাহ না করা এবং কর্মকর্তাদের উধাও হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। রাজপথে দীর্ঘদিন আন্দোলন-বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। ই-ভ্যালিসহ কয়েক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা গ্রেফতার হলেও গ্রাহকের টাকার কোনো সুরাহা হয়নি। এর মাঝে ই-অরেঞ্জের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানা দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ভারতের কারাগারে বন্দি আছেন। অন্যদিকে সুদ বা মুনাফার লোভ দেখিয়ে ইহসান গ্রুপের ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও চলতি বছরে আলোচিত হয়।

দুর্গাপূজায় সহিংসতা ও গুজব : গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির পাড়ের একটি অস্থায়ী পূজামণ্ডপে হনুমানের মূর্তির ওপর পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিল্লাসহ সারা দেশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার জেরে নোয়াখালী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও রংপুরের পীরগঞ্জসহ মোট ১৬টি জেলায় সহিংসতা ঘটে। এ ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই কুমিল্লার সেই ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করে শনাক্ত করা হয় ইকবালকে। যাকে ওই ফুটেজে দেখা যায়, মসজিদ থেকে কোরআন শরিফ নিয়ে মন্দিরে যেতে। ইকবাল ছাড়াও এ ঘটনায় প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে হুমায়ুন কবির ও ইকরামসহ জড়িত বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একইভাবে রংপুরের পীরগঞ্জের ঘটনাতেও সৈকত মণ্ডল ও পরিতোষ সরকারসহ অনেককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পর্যবেক্ষণ করে গ্রেফতার করা হয়। ওই ঘটনাগুলোর মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও অনেকে গুজব সৃষ্টি করে সংঘাত ছড়িয়ে দিতে কাজ করেছিল। অবশ্য তাদের অধিকাংশকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সদর দফতর জানায়, এসব সহিংসতার ঘটনায় কুমিল্লা, নোয়াখালী ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১২৩টি মামলা হয়। এসব মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সর্বমোট ৭ শতাধিক আসামিকে। এ বিষয়ে পিবিআই, সিআইডি ও জেলা পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। শিগগিরই কিছু মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে বলেও জানান দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা।
টিকটকে নারী পাচার নিয়ে ব্যাপক শোরগোল : বছরের মাঝামাঝি তথা জুনের শুরুতে অনলাইনভিত্তিক অ্যাপস ‘টিকটক’ মাধ্যমে ভিডিও বানিয়ে বহু তরুণীকে তারকা বানানোর ফাঁদ পেতে পাচারের ঘটনা আলোচিত হয়। ওই ঘটনার হোতা রিফাতুল ইসলাম হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় ভারতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে ব্যাঙ্গালোরের কারাগারে বন্দি আছে। তবে টিকটক হৃদয়ের বন্ধু অনিকসহ বেশ কয়েকজন সহযোগী বাংলাদেশে এরই মধ্যে গ্রেফতার হয়েছে। পাচারের শিকার ও জিম্মি থাকা কয়েকজন তরুণীও উদ্ধার হয়েছে।

পরীমণি ও মডেল কাণ্ড : চলতি বছরের ৪ আগস্ট বনানীর বাসা থেকে ‘রুদ্ধশ্বাস’ অভিযান চালিয়ে বিপুল মাদকসহ গ্রেফতার করা হয় এ সময়ের আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণিকে। তার আগে পরীমণি কাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে আশুলিয়ার বোট ক্লাবের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে অপ্রীতিকর বিবাদ-সংঘাতে জড়িয়ে। পরীমণিকে র‌্যাব গ্রেফতার করে পুলিশে হস্তান্তর করলে ডিবি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব নেয়। সেখানে ডিবি পুলিশের এডিসি সাকলায়েনের সঙ্গেও পরীমণির অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এডিসি সাকলায়েনকে ডিবি পুলিশ থেকে সরিয়ে অন্য শাখায় বদলি করা হয়। দীর্ঘ ২৭ দিন কারাবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বর্তমানে আবারও অভিনয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পরীমণি। এ ঘটনা ছাড়াও মডেল পিয়াসা ও মৌয়ের বাসায় অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করা হয়।



  বিষয়:   চাঞ্চল্যকর ঘটনা ২০২১  ঘটনাবহুল ২০২১ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: