প্রকাশ: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১০ পিএম আপডেট: ০৪.০৩.২০২৬ ৭:১৫ পিএম
উপজেলা পরিষদ ভবন। ছবি : সময়ের আলো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সারা দেশের মতো লামা উপজেলায় সরকার ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় যখন সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে, তখন এই উদ্যোগকে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ।
উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ে পরিবার পরিচালনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু হলে অন্তত নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্য কম দামে পাওয়া যাবে, যা সংসারের ব্যয়ভার সামলাতে সহায়ক হবে।
শ্রমজীবী কয়েকজন বলেন, চাল-ডাল-তেলসহ দৈনন্দিন পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য রাখা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। সরকার যদি নিয়মিতভাবে এই কার্ডের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে, তাহলে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো বড় ধরনের সহায়তা পাবে।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন জানান, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর লামাসহ আরও কয়েকটি উপজেলায় একযোগে কার্যক্রম শুরু হবে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, লামা উপজেলায় প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৩০০ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে উপকারভোগীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইউএনও মো. মঈন উদ্দিন উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পশ্চিম হারগাজা মার্মাপাড়ায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দেশের ৮টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চালু হবে।
দুর্নীতি রোধে তিন ধাপে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
সচিবালয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে দীপেন দেওয়ান জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
সময়ের আলো/আরবিএন