প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২:৫৪ পিএম আপডেট: ১০.০৩.২০২৬ ২:৫৫ পিএম
অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরিতে ‘ডার্ক ইগল’ হাইপারসোনিক উইপন মোতায়েন। সংগৃহীত ছবি যুক্তরাষ্ট্র এই প্রথমবারের মতো তাদের অত্যাধুনিক ‘লং-রেঞ্জ হাইপারসোনিক উইপন’ সিস্টেম বিদেশের মাটিতে মোতায়েন করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে এক বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরিতে আয়োজিত বৃহৎ বহুজাতিক সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি সেখানে পাঠানো হয়েছে।
এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটির ডাকনাম ‘ডার্ক ইগল’। এটি অত্যন্ত বিধ্বংসী এবং গতিশীল। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি দ্রুতগতিতে ছুটে গিয়ে প্রায় ১৭২৫ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি মাঝ-আকাশে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে, যা শত্রুদেশের রাডার বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা বা আটকে দেওয়া প্রায় অসম্ভব করে তোলে।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুতগতিতে উন্নত অস্ত্রশস্ত্র মোতায়েন করার সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে হাইপারসোনিক প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা প্রতিযোগিতার মুখে ওয়াশিংটন ও তার মিত্র দেশগুলো তাদের সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করছে বলে জানিয়েছে তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার এই দুর্গম অঞ্চলে ডার্ক ইগল মোতায়েন করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি এবং এই অঞ্চলে নিজেদের কৌশলগত আধিপত্যের এক জোরালো বার্তা দিলো।
/ইউএমএইচ