ফিলিপাইনে তীব্র জ্বালানি সংকট, শত শত পেট্রোল পাম্প বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ফিলিপাইনে চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে দেশজুড়ে শত শত পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে অন্তত ৩৬৫টি ফুয়েল

2026-03-30T13:22:49+00:00
2026-03-30T13:22:49+00:00
 
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ফিলিপাইনে তীব্র জ্বালানি সংকট, শত শত পেট্রোল পাম্প বন্ধ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পিএম 
ফিলিপাইনে জ্বালানি সংকট। সংগৃহীত ছবি
ফিলিপাইনে চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে দেশজুড়ে শত শত পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে অন্তত ৩৬৫টি ফুয়েল স্টেশন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। 

সোমবার (৩০ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশ জানিয়েছে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেলের সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংকট শুরুর পর থেকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে জ্বালানির দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পরিবহন খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। 

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে স্থল আক্রমণ করতে পারে, এমন খবরে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ১১৬ ডলার ১০ সেন্টে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যে দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। 

অন্যদিকে, ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬৬শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১০২ ডলার ৩০ সেন্ট। 


হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। 

তেল-গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে গ্যাসের দামও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের ওপর। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৯৮ ডলার। 

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে সংঘাতে যোগ এবং ইরান বিশ্ববিদ্যালয় ও মার্কিন এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাড়িতে প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি দেওয়ার পর জ্বালানির তেলের দাম বাড়ল। 

অনিক্স ক্যাপিটাল গ্রুপের সিইও গ্রেগ নিউম্যান বলেন, পরিস্থিতির প্রকৃত প্রভাব এখনো পুরোপুরি বোঝা যায়নি। 

তার ভাষায়, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ একটি নির্দিষ্ট চক্রে চলে। ইউরোপে এই ঘাটতির প্রভাব পুরোপুরি বুঝতে প্রায় তিন সপ্তাহ লাগে। ব্রেন্ট এখন বাস্তব পরিস্থিতি প্রতিফলিত করতে শুরু করেছে। আমরা মনে করি ধীরে ধীরে দাম ১২০ ডলার বা তারও বেশি হবে।


/ইউএমএইচ
  বিষয়:   ফিলিপাইন  জ্বালানি সংকট  পেট্রোল পাম্প 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: