বাড়তি ভাড়া নিয়ে এনসিপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হাতাহাতি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাদেশ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সে বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।রোববার

2026-06-07T20:59:37+00:00
2026-06-07T20:59:37+00:00
 
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
বাড়তি ভাড়া নিয়ে এনসিপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হাতাহাতি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম 
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এলাকায় পুলিশের অবস্থান। ছবি : সময়ের আলো
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সে বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। 

রোববার (৭ জুন) বিকেলে চমেকের পূর্ব গেট এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির লোকজনের সাথে হাতাহাতির এ ঘটনা ঘটে। তবে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আগেই পুলিশ অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। হাতাহাতির সময় এনসিপির কয়েকজন নেতা আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। 

তারা হলেন- দলের যুগ্ম সদস্যসচিব আকবর আলী আশিক এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাদাত।  

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার দুই পক্ষ পূর্ব গেটের দুই পাশে অবস্থান নেয়। এনসিপি নেতাকর্মীরাদের পাশাপাশি অবস্থান নেয় অ্যাম্বুলেন্স সমিতির লোকজন। মুহূর্তেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। হাসপাতালের আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা আতঙ্ক দেখা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অবস্থান নেয় চমেক এলাকায়। এরপর পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশের হস্তক্ষেপে দুপক্ষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।  

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যায় চমেক হাসপাতালের পূর্ব গেটে সংবাদ সম্মেলন করে এনসিপি। 

এতে এনসিপির সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, চমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ইচ্ছা অনুযায়ী অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার কোনো সুযোগ নেই। ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য চলতে দেয়া হবে না। সমিতির নামে থাকা সিন্ডিকেট সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। এই সিন্ডিকেটের পেছনে রাজনৈতিক নেতারা জড়িত। এ সিন্ডিকেট বাইরের কাউকে রোগী পরিবহন করতে দেয় না। 

এনসিপি নেতা টিপু সুলতান বলেন, চমেক এলাকায় রোগীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এ ব্যাপারে অনেকেই তাঁদের কাছে অভিযোগ করেন। দলের নেতাকর্মীরা রোববার সকালে ভুক্তভোগী সেজে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেন। এতে ভাড়া ধরা হয় ১২ হাজার টাকা। কিন্তু এই পথের জন্য নির্ধারিত ভাড়া এর অর্ধেক প্রায় ছয় হাজার টাকা। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করলে সমিতির সদস্যরা তাদের ওপর হামলা করেন। রোগীরা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ বেশি টাকা দিয়ে সমিতির অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে বাধ্য হচ্ছেন। 

এ ব্যাপারে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, চমেক এলাকায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে এখনো এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার বিষয়ে এনসিপির নেতা-কর্মীদের সাথে সোমবার মেয়র ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠক হওয়া কথা রয়েছে। 

সময়ের আলো/জেডি 

  বিষয়:   বাড়তি ভাড়া  এনসিপি  অ্যাম্বুলেন্স চালক  হাতাহাতি 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: