ঢাকার সড়কে ফিটনেস অনুমোদন থাকলেও চলাচলের অনুপযোগী ও জরাজীর্ণ বাস আর চলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
আনিছুর রহমান বলেন, ‘যেসব গাড়ির ফিটনেস অনুমোদন দেওয়া আছে কিন্তু বাস্তবিক অর্থে অবস্থা খুব খারাপ, আমরা যেগুলোকে লক্কড়-ঝক্কড় বলি। ঢাকায় এসব গাড়ি চলতে দেব না।’
তিনি জানান, জরাজীর্ণ বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। গত জুনে ১১৯টি এবং জুলাইয়ে ১৭১টি বাসের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। নতুন করে অভিযানও শুরু হয়েছে।
ফিটনেস সনদ থাকলেও বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা বাসগুলো নির্দিষ্ট গ্যারেজে পাঠানো হচ্ছে। মেরামতের পর পুলিশের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সেগুলো সড়কে চলতে পারবে। এ পর্যন্ত মেয়াদোত্তীর্ণ ও অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হওয়া প্রায় ৪০টি গাড়ি বিআরটিএতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি ইতোমধ্যে স্ক্র্যাপ নীতিমালা অনুযায়ী বাতিল হয়েছে।
মহাখালী টার্মিনালের চাপ কমাতে পূর্বাচলের তৃতীয় সেক্টরে বাস ডিপো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১০ একর জমির একাংশের কাজ শেষ হয়েছে, যেখানে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫০টি বাস রাখা যাবে। পুরো প্রকল্প শেষ হলে ধারণক্ষমতা হবে প্রায় ৬০০ বাসের।
পুরো সক্ষমতা তৈরি করতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, টার্মিনালে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা এবং মেরামত বা রং করার কাজগুলোও ভবিষ্যতে পূর্বাচলের ডিপোতেই করা হবে।
সময়ের আলো/এমকে