১৫ বছরের জন্য এনসিটি ইজারা, চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাদেশ

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ওভারফ্লো ইয়ার্ডসহ ১৫ বছরের জন্য কনসেশন চুক্তির আওতায় ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে তীব্র

2026-10-01T21:55:37+00:00
2026-10-01T22:05:19+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬,
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
১৫ বছরের জন্য এনসিটি ইজারা, চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির ক্ষোভ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ পিএম  আপডেট: ০১.১০.২০২৬ ১০:০৫ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ওভারফ্লো ইয়ার্ডসহ ১৫ বছরের জন্য কনসেশন চুক্তির আওতায় ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি। 

বৃহস্পতিবার এক যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার ও সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু। বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় মূল এজেন্ডায় না থাকা সত্ত্বেও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এ বিষয়টি ‘বিবিধ’ এজেন্ডার মাধ্যমে উত্থাপন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়া জনমনে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আমদানি-রফতানি ও জাতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। এ বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও পরিচালন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সিদ্ধান্তকে শুধু বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ, রাজস্ব আয়, কর্মসংস্থান, বন্দর ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা, কৌশলগত নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থ সরাসরি জড়িত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, জনস্বার্থ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ থাকা প্রয়োজন। জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত বন্দর অবকাঠামোর মতো একটি বিষয় কেন মূল এজেন্ডায় বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন ও আলোচনা করা হলো না, সরকারের কাছে দেশবাসী তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করে।


কনসেশন চুক্তি একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনা কাঠামো উল্লেখ করে বলা হয়, এর মাধ্যমে শুধু টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় না। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিচালনা, রাজস্ব, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের ওপর বেসরকারি বা বিদেশি অপারেটরের প্রভাব তৈরি হতে পারে। তাই চুক্তির প্রতিটি ধারা, আর্থিক কাঠামো, রাজস্ব ভাগাভাগি, বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, ঝুঁকি বণ্টন, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার শর্ত জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত। 

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জোই
  বিষয়:   এনসিটি ইজারা  চট্টগ্রাম  বন্দর রক্ষা কমিটি  ক্ষোভ  সময়েরে আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: