‘আমরা যেন অস্তিত্বহীন’: ইসরায়েলের নির্বাচনে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

দখলকৃত পশ্চিম তীরের প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি ২৭ অক্টোবরের ইসরায়েলি নির্বাচনে নিজেদের মতামত জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। অথচ বসতি সম্প্রসারণ,

2026-10-14T22:06:15+00:00
2026-10-14T22:06:15+00:00
 
  বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬,
২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
‘আমরা যেন অস্তিত্বহীন’: ইসরায়েলের নির্বাচনে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম 
তারা আমাদের এমনভাবে দেখে, যেন আমাদের কোনো অস্তিত্বই নেই। ছবি : আল-জাজিরা
দখলকৃত পশ্চিম তীরের প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি ২৭ অক্টোবরের ইসরায়েলি নির্বাচনে নিজেদের মতামত জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। অথচ বসতি সম্প্রসারণ, বাড়িঘর উচ্ছেদ ও চলাচলে বিধিনিষেধের মাধ্যমে তাদের দৈনন্দিন জীবন নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েল সরকার। 

জেরুজালেমের পূর্বদিকে অবস্থিত ছোট্ট বেদুইন জনপদ জাবাল আল-বাবা। এখানে ফিলিস্তিনিদের জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বাড়ি নির্মাণ, পানির সংস্থান থেকে শুরু করে অবাধে চলাচল— সবকিছুতেই নানা বাধার মুখে পড়তে হয় বাসিন্দাদের।  

অথচ আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলিরা যখন ভোট দিতে যাবেন, তখন দখলকৃত পশ্চিম তীরের প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনির অধিকাংশই সেই সরকার নির্বাচনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবেন না, যে সরকারের নীতি তাদের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে। বিপরীতে, পশ্চিম তীর ও দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের প্রায় ৩০০টি অবৈধ বসতি ও আউটপোস্টে বসবাসকারী প্রায় সাত লাখ ইহুদি বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

জাবাল আল-বাবার কমিউনিটি প্রতিনিধি আতাল্লাহ আল-জাহালিন বলেন, তারা আমাদের এমনভাবে দেখে, যেন আমাদের কোনো অস্তিত্বই নেই। 

তিনি আরও বলেন, আপনার ভোট দেওয়ার অধিকার নেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যে অধিকারগুলো পাওয়ার কথা, সেগুলোও আপনার নেই। 

প্রায় ৪৫০ মানুষের বসবাস এই জনপদে। পশ্চিম তীরের ‘এরিয়া সি’ অঞ্চলে অবস্থিত জাবাল আল-বাবা। পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকাজুড়ে থাকা এই অঞ্চলে ইসরায়েলের সামরিক ও বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ কার্যত পূর্ণাঙ্গ। 

এখানকার অনেক বাসিন্দা ঢেউটিনের তৈরি ঘরে থাকেন এবং ভেড়া-ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাদের অধিকাংশই জাহালিন গোত্রের সদস্য। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের বিপর্যয় বা নাকবার সময় এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হাতে বিতাড়িত হয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা নাকাব বা নেগেভ মরুভূমি অঞ্চল ছেড়ে আসতে বাধ্য হন।

আল-জাহালিন বলেন, আপনার বাড়ি নির্মাণ নিষিদ্ধ। রাস্তা তৈরি করতে পারবেন না, স্কুলও বানাতে পারবেন না। আমাদের জন্য সবকিছুই নিষিদ্ধ।

তার অভিযোগ, ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের চাপের পাশাপাশি তাদের বারবার বাড়িঘর ভাঙার মুখে পড়তে হয়।

তিনি জানান, গত কয়েক বছরে তাদের এলাকায় শতাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। প্রতিবারই তারা নতুন করে ঘরবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করেছেন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া নির্মিত ফিলিস্তিনি স্থাপনাগুলোই ভেঙে ফেলা হয়। তবে ইসরায়েলি অধিকার সংগঠন বিমকমের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এরিয়া সি অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের দাখিল করা বাড়ি নির্মাণের অনুমতির ৯৯ শতাংশেরও বেশি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। 

ফিলিস্তিনিদের নির্মাণকাজে কঠোর বিধিনিষেধ থাকলেও আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত ইসরায়েলি বসতিগুলোর সম্প্রসারণ দ্রুতগতিতে চলছে। ইসরায়েলি বসতিবিরোধী সংগঠন পিস নাউয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা এক সিদ্ধান্তে ৩৪টি নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছিল। এর মধ্যে আগে গড়ে ওঠা কিছু আউটপোস্টকে পরবর্তী সময়ে বৈধতার স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। 

আল-জাহালিনের মতে, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য তাদের এলাকা থেকে সরিয়ে বসতি স্থাপনকারীদের জন্য জায়গা তৈরি করা।

তিনি বলেন, এখানকার মানুষকে উচ্ছেদ করার একটি ইসরায়েলি পরিকল্পনা রয়েছে। এসবই আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার কৌশল। বসতি প্রকল্পের স্বার্থে আমাদের এই এলাকাগুলো ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। 


সরকার বদলালেও কি বদলাবে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য?

২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ও তার নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থী জোটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিভিন্ন দলের সমন্বয়ে গঠিত বিরোধী জোট। বিরোধীদের ঘোষিত লক্ষ্য, ইসরায়েলকে একটি ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সংরক্ষণ ও শক্তিশালী করা।

বিরোধী জোট এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নেতা ঘোষণা করেনি। তবে মধ্যপন্থী ইয়াশার পার্টির নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার অবস্থানে নেই। অন্যদিকে, ইহুদিদের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের অধিকাংশ নেতা ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিকের প্রতিনিধিত্বকারী আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। 

তবে অনেক ফিলিস্তিনির আশঙ্কা, সরকারপ্রধান পরিবর্তিত হলেও তাদের জীবনে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসবে না।

‘স্টপ দ্য ওয়াল’ নামের তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলনের সমন্বয়ক জামাল জুমা বলেন, কয়েক দশকের দখলদারত্ব ফিলিস্তিনিদের শিখিয়েছে, ইসরায়েলে নতুন সরকার এলেই দেশটির মৌলিক নীতিতে পরিবর্তন আসবে— এমন প্রত্যাশা করার কারণ নেই। 

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি নির্মাণ শুরু করেছিল দেশটির মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি, ডানপন্থীরা নয়।

জাবাল আল-বাবার বাসিন্দাদের কাছে সরকার পরিবর্তনের প্রভাব বোঝার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলো ‘ই-১’ প্রকল্প। জেরুজালেম ও অবৈধ ইসরায়েলি বসতি মালে আদুমিমের মধ্যবর্তী এই এলাকাতেই অবস্থিত তাদের জনপদ।

ই১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মালে আদুমিমের সঙ্গে জেরুজালেমের সংযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরের ভৌগোলিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে জাবাল আল-বাবাসহ প্রায় ১৮টি বেদুইন জনপদের মানুষ জোরপূর্বক উচ্ছেদের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

২০২৫ সালের আগস্টে ইসরায়েল ই-১ এলাকায় বসতি স্থাপনের জন্য ৩ হাজার ৪০১টি বাড়ি নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। দেশটির কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ তখন বলেছিলেন, এই প্রকল্প ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণাকে ‘কবর দেবে’। 

এর এক মাস পর নেতানিয়াহুও ঘোষণা করেন, কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হবে না। এই জায়গা আমাদের। 

চলতি বছর নির্বাচনের আগে প্রকল্পটি এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট জমি বিক্রির জন্য দুটি দরপত্র আহ্বান করে ইসরায়েল সরকার। তবে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাচনের পর পর্যন্ত প্রক্রিয়ার কিছু অংশ স্থগিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছেন। স্মোত্রিচ আদালতে সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।

নির্বাচনের আগে আইজেনকট ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণাকে ‘ভ্রান্তিপূর্ণ’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলি বসতি শক্তিশালী করার পক্ষেও মত দেন। তবে গত আগস্টে ই-১ প্রকল্পের দরপত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনই নয়’।

আইজেনকটের মতে, এই মুহূর্তে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়া ভুল হবে এবং এর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মূল্য দিতে হবে ইসরায়েলকে। তার অভিযোগ, কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীদের কর্মকাণ্ড ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বিদেশে ইসরায়েলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

অর্থাৎ, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় নিয়ে বর্তমান সরকারের সঙ্গে আইজেনকটের মতপার্থক্য থাকলেও পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের মূল ধারণা নিয়ে তার অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত নয়। 

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংগঠন বি’তসেলেমের মাঠপর্যায়ের গবেষণা পরিচালক কারিম জুবরান বলেন, গণতন্ত্র হয়তো আছে, কিন্তু তা শুধু ইহুদিদের জন্য।


ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের শাসনব্যবস্থাকে বি’তসেলেম বর্ণবৈষম্যমূলক ব্যবস্থা বা ‘অ্যাপার্টহেইড’ হিসেবে বর্ণনা করে।

জুবরানের ভাষায়, সরকার পরিবর্তন হলেও ব্যবস্থাটি একই থাকে। বামপন্থীরা যদি থেকেও থাকে, তারা জায়নবাদী বামপন্থী। ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিসরে তাদের প্রভাব খুব বেশি নয়।

জাবাল আল-বাবার ভবিষ্যৎ যখন বসতি সম্প্রসারণের কারণে হুমকির মুখে, তখন আল-জাহালিনও একই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

তিনি বলেন, আইজেনকট আসুন বা নেতানিয়াহু— ইসরায়েলের নীতি তো আগে থেকেই নির্ধারিত। সেই নীতি কে বাস্তবায়ন করছে, তা বড় কথা নয়। 


যে ব্যবস্থা নির্বাচনে ভাঙবে না

ইসরায়েলের পরবর্তী সরকার যে দলই গঠন করুক না কেন, পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের জীবনে তার ব্যাপক প্রভাব বজায় থাকবে। ১৯৯০-এর দশকে অসলো চুক্তির আওতায় পশ্চিম তীরকে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’— এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল।

এরিয়া সি অঞ্চলে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে সরাসরি হলেও পশ্চিম তীরের অন্যান্য এলাকাতেও ফিলিস্তিনিদের চলাচল ও দৈনন্দিন জীবন বিভিন্ন বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছে।

‘স্টপ দ্য ওয়াল’ আন্দোলনের সমন্বয়ক জামাল জুমা বলেন, পশ্চিম তীরের প্রতিটি বিষয়, একেবারে সবকিছুই ইসরায়েলিরা নিয়ন্ত্রণ করছে। 

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি শহর ও গ্রামের মধ্যে চলাচল, পানি ও বিদ্যুতের সংস্থান এবং ভূখণ্ডের সীমান্ত— সব ক্ষেত্রেই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তার অভিযোগ, প্রায় প্রতিটি শহর ও গ্রামের প্রবেশপথে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফটক নির্মাণ করেছে।

জুমার আশঙ্কা, এভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে বিচ্ছিন্ন করতে থাকলে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন জনপদ একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, এগুলো উন্মুক্ত কারাগারের মতো হয়ে উঠবে, অনেকটা গাজার মতো। তবে এখানে যেন অনেকগুলো আলাদা গাজা তৈরি হবে। 

বি’তসেলেমের জুবরানের মতে, এই পরিস্থিতি ঠেকাতে ইসরায়েলের নির্বাচনের ফলাফলের চেয়ে আন্তর্জাতিক চাপ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি ই-১ প্রকল্প বন্ধ করতে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আন্তরিক হতো, তাহলে তা সম্ভব ছিল। কিন্তু যতক্ষণ তা করা হচ্ছে না, ততক্ষণ ই১ প্রকল্প এগিয়ে যাবে। 

এদিকে জাবাল আল-বাবায় আবারও জোরপূর্বক উচ্ছেদের আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে। 

আল-জাহালিন জানান, তার পরিবার একবার নাকাব অঞ্চল থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। কিন্তু এবার তিনি আর নিজের ভিটেমাটি ছাড়তে রাজি নন।

তিনি বলেন, আমি আমার বাবার মতো জীবন কাটাতে রাজি নই। একজন ফিলিস্তিনি হিসেবে আমি এখানেই থাকব— এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকি কিংবা মারা যাই।

সূত্র : আল-জাজিরা 


সময়ের আলো/ইউএমএইচ

  বিষয়:   ইসরায়েল  নির্বাচন  ভোটাধিকার  পশ্চিম তীর  ফিলিস্তিনি 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: