প্রবাসী আয় ও পণ্য রফতানি থেকে আসা বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, আগের দিন ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে এ পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ১১ অক্টোবর নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার। ৮ অক্টোবর তা ছিল ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। আর ৭ অক্টোবর রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। এসব পরিসংখ্যানে চলতি মাসে রিজার্ভে সামগ্রিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
তবে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রিজার্ভ বর্তমানের তুলনায় বেশি ছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩৬ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে। ওই দিন আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।
প্রবাসী আয় ও রফতানি থেকে আসা বৈদেশিক মুদ্রা দেশের রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে রিজার্ভের টেকসই উন্নতি নির্ভর করে আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং অন্যান্য বৈদেশিক লেনদেনের ওপরও। ফলে রিজার্ভের বর্তমান প্রবণতা ধরে রাখা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে