সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের এক সহযোগীকে লেবানন থেকে গোপন অভিযান চালিয়ে ধরে নিয়ে এসেছে সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দারা। গতকাল বৃহস্পতিবার সিরিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলি কায়ালি নামের ওই ব্যক্তি দেশটির প্যারামিলিটারি বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রটির ভাষ্য অনুযায়ী, সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দারা আলি কায়ালিকে অপহরণ করে নিয়ে গেছেন।
২০১৩ সালে সিরিয়ার সুন্নি অধ্যুষিত বানিয়াস ও বায়দাদ শহরে গণহত্যার ঘটনায় আলি কায়ালিকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই দুই শহরে সে সময় ২৪৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিল।
সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, আলি কায়ালি তুর্কি বংশোদ্ভূত হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা সিরিয়ায়। সূত্রটির দাবি, লেবাননের সঙ্গে সমন্বয় করেই তাকে আটক করে সিরিয়ায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে লেবাননের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অভিযান সম্পর্কে তাদের আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি।
লেবাননের ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দা সদস্যরা লেবাননের মানসুরিয়াহ এলাকা থেকে আলি কায়ালিকে ধরে নিয়ে যান। পরে তাকে লেবাননে অবস্থিত সিরিয়ার দূতাবাসে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে সিরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মানসুরিয়াহ লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি পাহাড়ি এলাকা।
২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাশার আল-আসাদ রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় পালিয়ে যান। অন্যদিকে, তাঁর সহযোগীদের অধিকাংশই লেবাননে আশ্রয় নেন।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ