ফ্রান্সজুড়ে শনিবারের বিক্ষোভের আগে প্যারিসে প্রায় ৪০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও বৈষম্যের প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন স্থানে এদিন বিক্ষোভে কয়েক দশ হাজার মানুষ অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বেশির ভাগের কাছ থেকে অস্ত্র অথবা নিষিদ্ধ সুরক্ষাসামগ্রী পাওয়া গেছে। বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি তল্লাশিও বাড়ানো হয়েছে।
গত মাসে প্যারিসের দরিদ্র উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষকদের অনুপস্থিতি ও বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ অবকাঠামো নিয়ে ক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বৈষম্য, সরকারি ব্যয় কমে যাওয়া এবং শিক্ষার মান অবনতির বিষয়গুলোও যুক্ত হয়।
প্যারিসের কেন্দ্রীয় এলাকায়, বিশেষ করে শঁজেলিজে অ্যাভিনিউ ও আর্ক দ্য ত্রিয়ঁফের আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে অনুমোদিত দুটি বিক্ষোভের পথ থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ এলাকাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছিল।
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে আরও শত শত বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোথাও কোথাও উজ্জ্বল রঙের নিরাপত্তা পোশাক পরা বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করেন। মার্সেই শহরে কয়েকটি ময়লার পাত্রেও আগুন দেওয়া হয়। এসব ঘটনা প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর আগের মেয়াদে চলা আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
প্যারিসের ১৯ বছর বয়সি বিক্ষোভকারী লোলা বলেন, ‘জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে, জ্বালানির দাম অনেক বেশি। সারা দেশে শিক্ষার্থীরা শুধু বিক্ষোভ করে আরও শিক্ষক ও ভালো শিক্ষার পরিবেশের দাবি জানানোয় হামলার শিকার হচ্ছে।’
সময়ের আলো/জেডি